📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে ভারতের সেনাপ্রধান: আজকালের যুদ্ধে কীভাবে বিজয় পরিমাপ করা যায়?

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে ভারতের সেনাপ্রধান: আজকালের যুদ্ধে কীভাবে বিজয় পরিমাপ করা যায়?

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ এনডিটিভি ডিফেন্স সামিটে বলেছেন, প্রযুক্তি যুদ্ধকে সংক্ষিপ্ত করলেও স্থলভাগের বিজয়ই একমাত্র অনস্বীকার্য সাফল্যের মাপকাঠি। তিনি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ-পাকিস্তান যুদ্ধের স্মৃতিতে আত্মসমর্পণের ছবি উল্লেখ করে আজকালের যুদ্ধের অনির্দিষ্টতা ও বিরতিসহ সংঘাতের প্রবণতা তুলে ধরেন

ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ এনডিটিভি ডিফেন্স সামিটে আজকালের যুদ্ধের প্রকৃতি ও বিজয়ের মাপকাঠি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রযুক্তি যুদ্ধের সময়কাল সংক্ষিপ্ত করলেও স্থলভাগে সেনাদের উপস্থিতি ও বিজয়ই একমাত্র অনস্বীকার্য সাফল্যের সূচক। শেঠের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য ও গোলাবর্ষণ-সদৃশ সংবাদ প্রকৃত যুদ্ধের চিত্রকে আড়াল করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ বলেছেন, আজকালের যুদ্ধে বিজয় পরিমাপের একমাত্র মাপকাঠি হলো স্থলভাগের দখল ও সুরক্ষা
  • 📌 প্রযুক্তি যুদ্ধকে সংক্ষিপ্ত করলেও সংঘাতের সময়কাল অনির্দিষ্ট হয়ে পড়ছে, যেখানে তীব্র লড়াইয়ের পর্ব বিচ্ছিন্নভাবে ঘটে
  • 📌 ‘বিরতিসহ যুদ্ধ’ শব্দটি আজকালের সংঘাতের প্রকৃতিকে বোঝায়, যেখানে বিরতি সামরিক কৌশলের অংশ হয়ে উঠেছে
  • 📌 আত্মনির্ভরতা হলো দীর্ঘায়িত সংকটে বিজয়ী ও পরাজিতের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেবার একমাত্র উপায়
  • 📌 ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখের পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণ ছবি উল্লেখ করে শেঠ বলেছেন, আজকাল কোনো নির্দিষ্ট সমাপ্তির মুহূর্ত নেই

📰 বিস্তারিত

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এনডিটিভি ডিফেন্স সামিটে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ আজকালের যুদ্ধের প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তি নিঃসন্দেহে যুদ্ধের সময়কাল সংক্ষিপ্ত করলেও, স্থলভাগে সেনাদের উপস্থিতি ও বিজয়ই একমাত্র অনস্বীকার্য সাফল্যের সূচক। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুদ্ধের তথ্য গোলাবর্ষণ-সদৃশভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রকৃত যুদ্ধের চিত্রকে আড়াল করে অনিশ্চয়তা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

শেঠ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-পাকিস্তান যুদ্ধের সমাপ্তির স্মৃতিতে আত্মসমর্পণের ছবি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আজ আমি এ বিষয়টি উল্লেখ করছি, কারণ ওই ছবিটি আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত দেখিয়েছিল। কারণ, সেটিই ছিল যুদ্ধ শেষ হওয়ার সুনির্দিষ্ট মুহূর্ত। কিন্তু এখন এমন কোনো নির্দিষ্ট মুহূর্ত নেই, এমন কোনো সমাপ্তির বিন্দু নেই, যা শত্রুতা শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।’

জেনারেল শেঠ আরও বলেন, আজকালের যুদ্ধের সময়কাল ক্রমেই অনির্দিষ্ট হয়ে পড়ছে, যেখানে তীব্র লড়াইয়ের পর্ব বিচ্ছিন্নভাবে ঘটে। তিনি ‘বিরতিসহ যুদ্ধ’ শব্দটি ব্যবহার করে আজকালের সংঘাতের প্রকৃতি বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে, বিরতি সামরিক কৌশলের একটি অংশ হয়ে উঠছে। এই বিরতি সংঘাতের ওপর আধিপত্য বোঝায় না, বরং এর তীব্রতা ও ধরনে পরিবর্তনকে নির্দেশ করে।’

শেঠের মতে, এই প্রবণতা এতটাই স্পষ্ট যে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘আত্মনির্ভরতার কোনো বিকল্প নেই। কারণ সংকট দীর্ঘায়িত হলে আত্মনির্ভর হওয়াই এমন একটি বিষয় হবে, যা বিজয়ী ও পরাজিতের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আত্মনির্ভরতার অর্থ হতে হবে এমন সক্ষমতা নিশ্চিত করা, যাতে অন্যরা কী দিতে পারবে বা পারবে না, তার ওপর নির্ভর করে আমরা সীমাবদ্ধ না হয়ে টিকে থাকতে পারি।’

"আজ আমি এ বিষয়টি উল্লেখ করছি, কারণ ওই ছবিটি আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত দেখিয়েছিল। কারণ, সেটিই ছিল যুদ্ধ শেষ হওয়ার সুনির্দিষ্ট মুহূর্ত। কিন্তু এখন এমন কোনো নির্দিষ্ট মুহূর্ত নেই, এমন কোনো সমাপ্তির বিন্দু নেই, যা শত্রুতা শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: এনডিটিভি ডিফেন্স সামিট, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনারেল ধীরাজ শেঠ (ভারতের সেনাপ্রধান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖