📌 দিল্লি ও জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (এনসিআর) দীপাবলির দিন (৭ ও ৮ নভেম্বর) সকাল ৬-৭ টা ও রাত ৮-১০ টা পর্যন্ত পরিবেশবান্ধব বাজি ফোটানোর অনুমতি দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। ৯ নভেম্বর থেকে আবার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে
দিল্লি ও জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (এনসিআর) দীপাবলির উৎসবের সময় পরিবেশবান্ধব বাজি ফোটানোর শর্তসাপেক্ষ অনুমতি দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ৭ ও ৮ নভেম্বর সকাল ৬টা থেকে ৭টা এবং রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত কেবল ‘সবুজ বাজি’ (গ্রিন ক্র্যাকার্স) ফোটানো যাবে। তবে ৯ নভেম্বর থেকে আবার পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দীপাবলির দিন (৭ ও ৮ নভেম্বর) দিল্লি ও এনসিআর-এ পরিবেশবান্ধব বাজি ফোটানোর অনুমতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট
- 📌 ৯ নভেম্বর থেকে আবার পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে
- 📌 সকাল ৬-৭ টা ও রাত ৮-১০ টা পর্যন্ত বাজি ফোটানো যাবে
- 📌 হাসপাতাল, স্কুল, বৃদ্ধাশ্রমসহ ৩০০ মিটার ব্যাসার্ধের ‘নো-ক্র্যাকার জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে
- 📌 ‘সবুজ বাজি’ সাধারণ বাজির তুলনায় ৩০ শতাংশ কম দূষণ সৃষ্টি করে
- 📌 বিরাট কোহলি ও অন্যান্য তারকাদের প্রচারণায় নামানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত
📰 বিস্তারিত
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট দিল্লি ও জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (এনসিআর) বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে। আদালত জানায়, ২০২৪ সালে পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বাতাসের মানের কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। ফলে এই বছর দীপাবলির দিনে শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব বাজি ফোটানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতাল, স্কুল, বৃদ্ধাশ্রম, প্রাথমিক ও জেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ যেকোনো নীরব এলাকার ৩০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনো বাজি ফোটানো যাবে না। এসব এলাকাকে ‘নো-ক্র্যাকার জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আদালত এই সীমানা চিহ্নিত ও প্রচার করার আদেশ দিয়েছে।
সিএসআইআর-নিরি (CSIR-NEERI) উদ্ভাবিত ‘সবুজ বাজি’ সাধারণ বাজির তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম দূষণ সৃষ্টি করে। এতে ব্যারিয়াম ও অ্যালুমিনিয়ামের মতো ক্ষতিকারক রাসায়নিকের পরিমাণ কম থাকে এবং শব্দও কম হয়। আদালত সীমানায় যানবাহন তল্লাশি জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে এবং বিরাট কোহলি ও অন্যান্য তারকাদের প্রচারণায় নামানোর পরামর্শ দিয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে বাজি প্রস্তুতকারক ও বিক্রেতাদের জামানত বাজেয়াপ্ত ও লাইসেন্স বাতিল করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আদালত।
"একবারে পুরো নিষেধাজ্ঞা জারি করাই হয়তো আদর্শ সমাধান বলে মনে হতে পারে, কিন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা আসলেই সেরা উপায় কি না তা বিচারের জন্য আদালতের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি ও জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (এনসিআর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ ও ৮ নভেম্বর (দিন), ৬-৭ টা ও ৮-১০ টা (সময়), ৩০০ মিটার (সীমানা), ৩০ শতাংশ (কম দূষণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!