📌 ভারতে গ্রেটার নয়ডার যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে স্লিপার বাসে আগুন লেগে নয়জন নিহত হয়। বাসে ৩০-৩৫ জন যাত্রী থাকলেও চালক ও কন্ডাক্টর আগুনের সতর্কতা উপেক্ষা করে, যার ফলে যাত্রীরা আতঙ্কে লাফিয়ে পড়ে জীবন বাঁচায়। আগুন চালকের আসনের কাছ থেকে শুরু হয়
ভারতে গ্রেটার নয়ডার যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে গতকাল রাত সাড়ে ১১টায় একটি স্লিপার বাসে ভয়াবহ আগুন লেগে নয়জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় বাসের যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং জীবন বাঁচাতে বেশ কয়েকজন যাত্রী চলন্ত বাস থেকে লাফিয়ে পড়েন। দমকল বিভাগের দ্রুত প্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও পুরো বাস আগুনের শিখায় গ্রাস হয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিহত: ভারতের গ্রেটার নয়ডার যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে স্লিপার বাসে আগুন লেগে নয়জন নিহত হয়েছেন।
- 📌 আগুন লাগার সময়: রাত সাড়ে ১১টায় বাসে আগুন ধরে যায়।
- 📌 বাসের রুট: বাসটি দিল্লি থেকে মহোবার দিকে যাচ্ছিল।
- 📌 যাত্রীদের সংখ্যা: বাসে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন।
- 📌 আগুন শুরু: আগুন চালকের আসনের কাছে থেকে শুরু হয়।
- 📌 চালকের অস্বীকার: যাত্রীরা পোড়া গন্ধের কথা জানালেও চালক ও কন্ডাক্টর বাস থামাননি এবং ধূমপান করতেই থাকেন।
- 📌 আতঙ্কে পালানোর চেষ্টা: যাত্রীরা ধোঁয়ায় ভরে যাওয়া বাস থেকে লাফিয়ে পড়ে জীবন বাঁচান।
- 📌 আগুনের কারণ: এখনো স্পষ্ট নয়, পুলিশ তদন্ত করছে।
📰 বিস্তারিত
ভারতের গ্রেটার নয়ডার যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে গতকাল রাত সাড়ে ১১টায় একটি স্লিপার বাসে আগুন লেগে নয়জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় যুগ্ম পুলিশ কমিশনার রাজীব নারায়ণ মিশ্রের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় নিহতদের সংখ্যা নিশ্চিত হয়েছে। বাসটি দিল্লি থেকে মহোবার দিকে যাচ্ছিল। আগুন লাগার পর বাসের যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পালানোর জন্য বেশ কয়েকজন চলন্ত বাস থেকে লাফিয়ে পড়েন। দমকল বিভাগের দ্রুত প্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও পুরো বাস আগুনের শিখায় গ্রাস হয়ে যায়।
এফআইআর অনুযায়ী, বাসে আগুন লাগার কিছুক্ষণ আগে যাত্রীরা চালকের কেবিন থেকে পোড়া গন্ধের কথা জানান। যাত্রী সুনীল কুমারের অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, যাত্রীরা চালক ও কন্ডাক্টরকে পোড়া গন্ধের কথা জানালেও তারা বাস থামাননি এবং ধূমপান করতেই থাকেন। এফআইআরে অভিযোগ করা হয়েছে, চালক ও কন্ডাক্টর যাত্রীদের উদ্বেগ উপেক্ষা করে এবং তাদের হুমকি দেন। এর কিছুক্ষণ পরই আগুন চালকের আসনের কাছে থেকে শুরু হয়।
যাত্রীরা বলেন, আগুন লাগার পর বাসের ভেতর ধোঁয়ায় ভরে যায়। বের হওয়ার মতো জায়গা ছিলই না। একজন যাত্রী বলেন, ‘আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। কেউ আমাদের ঘুম থেকে তুলে বলল, বাসে আগুন লেগেছে। আমরা বেরিয়ে দৌড়াতে শুরু করি। বের হওয়ার কোনো ঠিকঠাক পথ ছিল না। প্রচুর ধোঁয়া ছিল। আতঙ্কের মধ্যে কোনোভাবে আমরা বের হতে সক্ষম হই।’
অন্য একজন যাত্রী, রিঙ্কি রাজপুত, বলেন, তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে কেউ তার গেটে ধাক্কা দিয়ে তাকে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো জিনিসপত্রই নিইনি। শুধু ফোনটা নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলাম। এত বেশি ভিড় ছিল যে মানুষ একে অপরকে ধাক্কা দিচ্ছিল। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কোনোভাবে আমি বেরিয়ে আসি। চারদিকে শুধু ধোঁয়া ছিল।’
"আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। কেউ এসে আমাদের ঘুম থেকে তুলে বলল, বাসে আগুন লেগেছে। আমরা বেরিয়ে দৌড়াতে শুরু করি। বের হওয়ার কোনো ঠিকঠাক পথ ছিল না। প্রচুর ধোঁয়া ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রেটার নয়ডা, যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যাত্রী সুনীল কুমার, যাত্রী রিঙ্কি রাজপুত, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার রাজীব নারায়ণ মিশ্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নিহত ৯ জন, বাসে ৩০-৩৫ জন যাত্রী, আগুন লাগার সময় সাড়ে ১১টা, দিল্লি থেকে মহোবার দিকে ৩৩ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!