📌 ভারতের রাজস্থান রাজ্যের আজমিরে কারাগার থেকে দুই কয়েদিকে বাসায় কাজে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ৩৭ বছর বয়সী নারী জেলারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগে তিনি কারাগারের নিরাপত্তা ভঙ্গ করে বন্দিদের বাসায় নিয়ে যান
ভারতের রাজস্থান রাজ্যের আজমির কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুই কয়েদিকে বাসায় কাজে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ৩৭ বছর বয়সী নারী জেলারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত ৬ অক্টোবর কোটা জেলায়। অভিযুক্ত দিব্যা চৌধুরী তার স্বামীর ফ্ল্যাট থেকে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। দিব্যা চৌধুরী গত ১২ জুলাই আজমির সেন্ট্রাল জেলের অধীনে থাকা মহিলা সংশোধনাগার থেকে দুই নারী বন্দিকে বাসায় নিয়ে যান। কারাগারের কর্মচারীদের বাধা সত্ত্বেও তিনি ও তার সহকর্মী কনস্টেবল সোনিয়া চৌধুরী তাদের কথা শোনেননি এবং বন্দিদের বাসায় নিয়ে যান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের রাজস্থান রাজ্যের আজমিরে কারাগার থেকে দুই কয়েদিকে বাসায় কাজে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ৩৭ বছর বয়সী দিব্যা চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 অভিযোগে দিব্যা চৌধুরী ও কনস্টেবল সোনিয়া চৌধুরী কারাগারের নিরাপত্তা ভঙ্গ করে বন্দিদের বাসায় নিয়ে যান
- 📌 কারাগারের প্রধান ফটকে কর্মচারীরা বাধা দিলেও তারা তাদের কথা শোনেননি
- 📌 ঘটনাটি ঘটে গত ১২ জুলাই, কিন্তু মামলা হয় গত ৫ আগস্ট
- 📌 দিব্যা চৌধুরী আত্মগোপনে ছিলেন, পুলিশ তাকে ৬ অক্টোবর গ্রেপ্তার করে
📰 বিস্তারিত
৩৭ বছর বয়সী দিব্যা চৌধুরী আজমিরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার দুই ছোট সন্তানের দেখভাল ও বাসার কাজের জন্য তিনি কারাগার থেকে কয়েদিদের সাহায্য নেওয়ার পরিকল্পনা করেন। গত ১২ জুলাই তিনি মহিলা সংশোধনাগার থেকে দুই নারী বন্দিকে বাসায় নিয়ে যান। এদের মধ্যে একজন ছিলেন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি কিরণ ওরফে সেঠা এবং অন্যজন ছিলেন বিচারাধীন কয়েদি সানা। কারাগারের কর্মচারীরা বাধা দিলেও দিব্যা চৌধুরী ও তার সহকর্মী কনস্টেবল সোনিয়া চৌধুরী তাদের কথা শোনেননি এবং বন্দিদের বাসায় নিয়ে যান। ঘটনাটি জানাজানি হয়ে গেলে মাত্র এক বা দুই ঘণ্টার মধ্যে কয়েদিদের আবার কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়।
রাজস্থান কারাবিধি ২০২২ অনুযায়ী এই কাজ সম্পূর্ণ বেআইনি। আদালতের নিরাপত্তায় থাকা বন্দিদের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ঘটনার পর বিভাগীয় তদন্ত করা হয় এবং দিব্যা চৌধুরীর অপরাধ প্রমাণিত হয়। গত ৫ আগস্ট আজমিরের সিভিল লাইন্স থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলা হওয়ার পর থেকে দিব্যা চৌধুরী আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে ধরার জন্য আজমির পুলিশ একটি বিশেষ দল গঠন করে এবং সিসিটিভি ফুটেজ ও কল রেকর্ড বিশ্লেষণ করে।
দিব্যা চৌধুরী জিজ্ঞাসাবাদে নিজের সাফাই দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ওপেন জেল থেকে কয়েদি আনার নির্দেশ তিনি দিয়েছিলেন। কারণ ওপেন জেলের বন্দিরা বাইরে যেতে পারেন। তবে তার সহকর্মী সোনিয়া চৌধুরী ভুল করে ভেতরের দুই বন্দিকে নিয়ে আসেন।
"আমি ওপেন জেলের বন্দিদের নিয়ে আসার নির্দেশ দিয়েছিলাম, কিন্তু ভুল করে ভেতরের বন্দিদের নিয়ে আসা হয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আজমির, রাজস্থান, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দিব্যা চৌধুরী (৩৭ বছর), কনস্টেবল সোনিয়া চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ বছর (বয়স), ১২ জুলাই (ঘটনার তারিখ), ৫ আগস্ট (মামলা), ৬ অক্টোবর (গ্রেপ্তার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!