📌 ভারতের বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ তৃতীয় দিনে রাজঘাটে শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিলে পুলিশ সহযোগিতা প্রদান করে। সিজেপি নেতা ধ্রুব রাঠি বেঙ্গালুরুতে আন্দোলনে যোগ দেন। বিরোধীরা রাষ্ট্রপতি ভবনে সাক্ষাৎের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ তৃতীয় দিনে রাজঘাটে অবস্থান নিলে পুলিশের সহযোগিতা পেয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও জোটের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা। গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) রাজঘাটে অবস্থানকালে পুলিশ রাস্তা খুলে দিলেন। অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে এক সমাবেশে অংশ নেন জনপ্রিয় অভিনেতা ধ্রুব রাঠি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লিতে বিরোধী জোটের নেতারা তিন দিন ধরে রাজঘাটে অবস্থান করছেন, পুলিশ সহযোগিতা প্রদান করছে
- 📌 সিজেপির ‘যন্তর মন্তর ২.০’ আন্দোলনের আগে ধ্রুব রাঠি বেঙ্গালুরুতে সমাবেশে যোগ দেন
- 📌 রাহুল গান্ধী বলেন, ‘৩০০ জন লোকসভা ও রাজ্যসভা সদস্য শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখাতে চেয়েছিলেন’
- 📌 বিরোধীরা রাষ্ট্রপতি ভবনে সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ১০ জনের অনুমতি পেয়েছেন
- 📌 দিল্লিতে মোতায়েন করা হয়েছে ৫ হাজার পুলিশ ও ২৩ হাজার আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য
- 📌 ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে লুটেন্স দিল্লিতে
📰 বিস্তারিত
বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ তৃতীয় দিনে দিল্লির রাজঘাটে অবস্থান নিলে পুলিশের সহযোগিতা পেয়েছেন রাহুল গান্ধী ও জোটের নেতারা। গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) কনট প্লেসের ‘মোয়েটস’ রেস্তোরাঁ থেকে মধ্যাহ্নভোজ শেষে নেতারা তিনটি বাসে চেপে রাজঘাটে যাত্রা করেন। পুলিশ রাস্তা খুলে দিলেন, ফলে বাসগুলো বাধাহীন পৌঁছাতে সক্ষম হয়। গত দুদিনে বিরোধী নেতাদের সাথে পুলিশের সংঘাত দেখা গিয়েছিল, কিন্তু বৃহস্পতিবারে সহযোগিতার ছবি দেখা যায়।
রাজঘাটে গিয়ে নেতারা মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থলের সামনে বসে পড়েন। সেখানে গণমাধ্যমকে বলেন, “দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে এই লড়াই চালিয়ে যাবেন। এটা দেশের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই।” বিরোধী নেতারা আগামীকাল রাষ্ট্রপতি ভবনে সাক্ষাৎের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ১৫ জনের সাক্ষাতের অনুমতি চেয়েছিলেন তারা, কিন্তু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ১০ জনের অনুমতি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, সিজেপি কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে ‘যন্তর মন্তর ২.০’ আন্দোলনের আগে এক জনসমাবেশে অংশ নেন ধ্রুব রাঠি। তিনি সিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগ দেন। জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজও উপস্থিত ছিলেন। বামপন্থী ছাত্রসংগঠনের নেতা-নেত্রীরা আগেই ঘোষণা করেছিলেন এই আন্দোলনে যোগ দেবেন।
"লোকসভা ও রাজ্যসভার প্রায় ৩০০ সদস্য শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখাতে চাইছিলেন। অথচ দুদিন ধরে আমাদের বিক্ষোভ দেখাতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রথম দিন নির্বাচন কমিশনে যেতে দেওয়া হয়নি। বুধবার যন্তর মন্তরে যেতে বাধা দেওয়া হলো। জবরদস্তি প্রতিরোধ করা হলো। বলপ্রয়োগ করা হলো। এই আচরণের বিচার ঠিকই করা হবে।"
দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাঁচ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার সিজেপির আন্দোলন মোকাবিলায় ২০ হাজার পুলিশ ও ২৩ হাজার আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। লুটেন্স দিল্লিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। জায়গায় জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (রাজঘাট, কনট প্লেস, যন্তর মন্তর), বেঙ্গালুরু (কর্ণাটক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাহুল গান্ধী, ধ্রুব রাঠি, প্রকাশ রাজ, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ জন লোকসভা ও রাজ্যসভা সদস্য, ১৫ জন সাক্ষাতের অনুমতি চাওয়া, ১০ জন অনুমতি পেয়েছেন, ৫ হাজার পুলিশ, ২৩ হাজার আধা সামরিক বাহিনী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!