📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতে নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি আইন বাতিলের দাবিতে বিরোধী জোটের জোরালো প্রতিবাদ ও আইনি লড়াই

ভারতে নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি আইন বাতিলের দাবিতে বিরোধী জোটের জোরালো প্রতিবাদ ও আইনি লড়াই

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন জোরদার করছে। তারা আইনি লড়াই শুরু করেছে এবং রাষ্ট্রপতির সঙ্গে স্মারকলিপি দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে ভোটচুরি ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ধরেছে জোটের নেতারা

ভারতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি আইন বাতিলের দাবিতে জোরালো প্রতিবাদ ও আইনি লড়াই শুরু করেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে রাজপথে প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করে তারা নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি আইনের বৈধতা নিয়ে আইনি লড়াইয়ে নামেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ২০২৩ সালের দায়মুক্তি আইন নির্বাচন কমিশনারদের জবাবদিহির বাইরে রাখার সুযোগ তৈরি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারতের বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি আইন বাতিলের দাবিতে ১২ অক্টোবর থেকে প্রতিবাদ শুরু করেছে এবং আইনি লড়াইয়ে নামেছে।
  • 📌 তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আরজেডির তেজস্বী যাদব ও সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবসহ জোটের নেতারা দিল্লিতে জড়ো হচ্ছেন।
  • 📌 কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে দাবি করেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু রাষ্ট্রপতি বা প্রধান বিচারপতির মতো তাদের জবাবদিহি নেই।
  • 📌 বিরোধীরা দাবি করেছেন, এই সুরক্ষা দেওয়ার পর ভোটচুরি, ইভিএমে কারসাজি এবং নির্বাচনি জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে।
  • 📌 জোটের নেতারা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে স্মারকলিপি দিয়েছেন, কিন্তু প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজি হননি।
  • 📌 জোটের নেতারা দাবি করেছেন, শনিবার ও রোববার দিল্লিতে ৩০ হাজার পুলিশ ও ৭ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল।
  • 📌 ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে প্রায় তিন হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছিল বলে জোটের দাবি।

📰 বিস্তারিত

ভারতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি আইন বাতিলের দাবিতে জোরালো প্রতিবাদ শুরু করেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে তারা রাজপথে প্রতিবাদ শুরু করে এবং নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি আইনের বৈধতা নিয়ে আইনি লড়াইয়ে নামেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ২০২৩ সালের দায়মুক্তি আইন নির্বাচন কমিশনারদের জবাবদিহির বাইরে রাখার সুযোগ তৈরি করেছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতোমধ্যে দিল্লিতে পৌঁছেছেন। আরজেডির তেজস্বী যাদব ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবেরও সকালে সেখানে উপস্থিত হওয়ার কথা। কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বেঙ্গালুরু থেকে এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৩ সালে এমন একটি আইন করেছেন, যার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, ভারতের রাষ্ট্রপতি বা প্রধান বিচারপতিও এমন দায়মুক্তি ভোগ করেন না।

খাড়গে আরও অভিযোগ করেছেন, এই সুরক্ষা দেওয়ার পর ভোটচুরি, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) কারসাজি এবং নির্বাচনি জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার যত ভুলই করুন না কেন, এসব কর্মকাণ্ডের জন্য তাকে আজীবন জবাবদিহির বাইরে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

বিরোধী জোটের নেতারা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তবে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজি হননি বলে জানানো হয়েছে। স্মারকলিপিতে সিইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং ২০২৩ সালের দায়মুক্তি আইনের বিষয়গুলো তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। তারা অবসরের পরও নির্বাচন কমিশনারদের তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার বিধান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চান।

জোটের নেতারা দাবি করেছেন, শনিবার ও রোববার দিল্লিতে ৩০ হাজার পুলিশ সদস্য এবং ৭ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়া প্রায় তিন হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছিল বলে তারা দাবি করেছেন।

"২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন একটি আইন করেছেন, যার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। এই সুরক্ষা দেওয়ার পর ভোট চুরি, ইভিএমে কারসাজি এবং নির্বাচনি জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে।" — মল্লিকার্জুন খাড়গে, কংগ্রেস সভাপতি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তেজস্বী যাদব, অখিলেশ যাদব, মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, নরেন্দ্র মোদি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ অক্টোবর, ৬ অক্টোবর, ৩০ হাজার পুলিশ, ৭ হাজার আধাসামরিক বাহিনী, প্রায় তিন হাজার আটক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖