📌 ভারতের বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও 'এসআইআর' প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রায় ৩০০ এমপি অংশগ্রহণ করবেন। পুলিশের বাধা সত্ত্বেও আন্দোলন চলবে।
ভারতের রাজনৈতিক মঞ্চে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও বিতর্কিত ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রায় তিন শতাধিক বিরোধী এমপিরা এই আন্দোলনে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাহুল গান্ধী দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছেন।
- 📌 প্রায় ৩০০ জন বিরোধী এমপি এই আন্দোলনে অংশ নেবেন।
- 📌 নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের বাইরে পুলিশের বাধা সত্ত্বেও বিক্ষোভের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- 📌 রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রকে আগের দিন আকাশবাণী ভবনে ৯ ঘণ্টা ধরে পুলিশ আটক করেছিল।
- 📌 ৮ অক্টোবর পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে পদযাত্রা, ১০-২০ অক্টোবর ব্লক পর্যায়ে সমন্বয় সভা, ২৫ অক্টোবর-২৫ নভেম্বর দেশজুড়ে মহাসমাবেশের পরিকল্পনা।
- 📌 ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র অভিজিৎ দিপ ১০ অক্টোবর নতুন বিক্ষোভ ঘোষণা করেছেন।
📰 বিস্তারিত
রাহুল গান্ধী দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের আহ্বান জানানোর পিছনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও ‘এসআইআর’ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে বিরোধী দলের অবস্থানকে কেন্দ্র করে। তিনি বলেছেন, বিরোধী শিবিরের কাছে জ্ঞানেশ কুমার কোনো বৈধ প্রধান নির্বাচন কমিশনার নন। বুধবার (৭ অক্টোবর) কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে আয়োজিত বিরোধী দলগুলোর এমপিদের মধ্যাহ্নভোজ বৈঠকে এই কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়।
এই আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন সিপিআই(এম) নেতা জন ব্রিটাস। তিনি বলেছেন, এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। আগের দিন মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রকে আকাশবাণী ভবনে পুলিশ আটক করেছিল। তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাতের দাবিতে প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে অবস্থান করেছিল। একই দিন সকালে ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের শীর্ষ নেতারা নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর অভিমুখে পদযাত্রা করার চেষ্টা করলে পুলিশি বাধা তাদের কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করে দেয়।
কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ জানান, বিরোধীদের কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ থাকবে। তিনি মাসব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলনের রূপরেখা তুলে ধরেন। ৮ অক্টোবর পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে পদযাত্রা, ১০ থেকে ২০ অক্টোবর ব্লক ও তৃণমূল পর্যায়ে সমন্বয় সভা এবং ২৫ অক্টোবর থেকে ২৫ নভেম্বর দেশজুড়ে ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ মহাসমাবেশের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এদিকে, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপ আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে সিইসির বিরুদ্ধে নতুন করে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার সংগঠনটির সহ-সমন্বয়ক সৌরভ দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় একটি নোটিশ জমা দিয়ে কর্মসূচির কথা পুলিশকে জানান। ওই কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি হতে পারে বলে পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
"বিরোধী শিবিরের কাছে জ্ঞানেশ কুমার কোনো বৈধ প্রধান নির্বাচন কমিশনার নন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত (যন্তর মন্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র, জ্ঞানেশ কুমার, জন ব্রিটাস, জয়রাম রমেশ, অভিজিৎ দিপ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ জন এমপি, ৯ ঘণ্টা, ৭ অক্টোবর, ৮ অক্টোবর, ১০-২০ অক্টোবর, ২৫ অক্টোবর-২৫ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!