📌 ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নারেন্দ্র মোদির সরকার নতুন দিল্লীকে লকডাউনে রূপান্তর করেছে। ককরোচ জান্তা পার্টির নেতা আবহিজেত দীপক এবং অন্যান্য নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৩০ মিলিয়ন ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী আন্দোলন করছে
ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লীতে সকালে নিরাপত্তা বাহিনীকে ঘিরে থাকা অবস্থায় কননট প্লেসের মতো ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় এলাকাগুলোতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে আন্দোলনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। জেন-জেড আন্দোলন ও ককরোচ জান্তা পার্টি এই প্রতিবাদকে সমর্থন করে নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে পদত্যাগের দাবি তুলেছে। তারা ১৩০ মিলিয়ন ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে, যা ভারতের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩০,০০০ নিরাপত্তা বাহিনী** নতুন দিল্লীতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, প্রতিবাদকারীদের আন্দোলন বন্ধ করার জন্য।
- 📌 **ককরোচ জান্তা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা আবহিজেত দীপক** এবং নেতা সৌরব দাস ও অশুতোষ রাঙ্কা **মুম্বাই থেকে নতুন দিল্লীর বিমানবন্দরে অবতরণের পরই গ্রেপ্তার** করা হয়।
- 📌 **৫০টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ** এবং **সারা দেশের হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে বাস-ট্রেন থেকে নেমে আসার পর গ্রেপ্তার** করা হয়েছে।
- 📌 **ইন্টারনেট শাটডাউন** এবং **সকল ট্রেন বন্ধ** করা হয়েছে নতুন দিল্লীতে।
- 📌 **জেন-জেড নেতা নেহা বোরা** মোদি সরকারকে ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়ের মতো আচরণ করার অভিযোগ করেছেন।
- 📌 **স্ট্রিট সুইপার সন্তোষ কুমার (২৯)** বলেছেন, “মোদি, তোমার শাসনের সমাপ্তি হয়েছে। ২০২৯ সালের নির্বাচন পর্যন্ত তুমি আর থাকবে না।”
- 📌 **৫৭ বছর বয়সী শিবা আব্দি** বলেছেন, “এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমরা কখনো দেখিনি। সরকার কেন এইভাবে নাগরিকদের ভয় দেখাচ্ছে?”
📰 বিস্তারিত
ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নতুন দিল্লীতে সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি বেড়েছে। কননট প্লেসের মতো কেন্দ্রীয় এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীকে ঘিরে থাকা অবস্থায় প্রতিবাদকারীদের আন্দোলন বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। ককরোচ জান্তা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা আবহিজেত দীপক এবং নেতা সৌরব দাস ও অশুতোষ রাঙ্কা মুম্বাই থেকে নতুন দিল্লীর বিমানবন্দরে অবতরণের পরই গ্রেপ্তার করা হয়। তারা প্রতিবাদ বন্ধ করার জন্য সরকারের চাপে পড়েছেন।
সরকারের এই জোরালো প্রতিক্রিয়ায় নতুন দিল্লীতে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সকালে নতুন দিল্লীর সকল ট্রেন বন্ধ করা হয়েছে, ৫০টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে সারা দেশ থেকে নতুন দিল্লীতে আসার পথে থাকা ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বাস-ট্রেন থেকে নেমে আসার পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেকেরকে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে তাদের নিজস্ব শহরে বাড়িতে বন্দী রাখা হয়েছে।
ককরোচ আন্দোলনের নেতারা বলেছেন, হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা বলছেন, “এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ১৯৭৫ সালের ইন্দিরা গান্ধীর ‘এমার্জেন্সি’-এর মতো। নারেন্দ্র মোদি এখনও ‘এমার্জেন্সি’-কে আনুষ্ঠানিক করেছে।” আবহিজেত দীপক একবার একবার টুইটে লিখেছিলেন, “এই ভয় দেখানো কাজটি কাজ করবে না, মোদি। এই দেশের যুবকরা আর তোমার ভয় পায় না।”
জেন-জেড আন্দোলনের নেতা নেহা বোরা মোদি সরকারকে ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়ের মতো আচরণ করার অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, “এই সরকার ব্রিটিশ শাসকদের মতো আচরণ করছে। কিন্তু আমরা তাদের মতো ভয় পাব না।”
"নারেন্দ্র মোদি just made EMERGENCY official, এই ভয় দেখানো কাজটি কাজ করবে না, মোদি। এই দেশের যুবকরা আর তোমার ভয় পায় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নতুন দিল্লী, ভারত (কননট প্লেস, জান্তার মন্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবহিজেত দীপক (ককরোচ জান্তা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা), নেহা বোরা (জেন-জেড নেতা), সন্তোষ কুমার (স্ট্রিট সুইপার), শিবা আব্দি (৫৭ বছর বয়সী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০,০০০ নিরাপত্তা বাহিনী, ১৩০ মিলিয়ন ভোটার, ৫০টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী গ্রেপ্তার, ৫৭ বছর বয়সী শিবা আব্দি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!