📌 ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির আন্দোলনে দিল্লি ত্রাসে ডুবে গেছে। বিজেপি সরকার নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার পর ১০০০-এরও বেশি আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে। জুলাই মাসের শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগের ঘটনার স্মৃতি এবারও রাজনীতিকে উত্তাল করছে
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিজেপি সরকারের মধ্যে ‘প্যানিক অ্যাটাক’-এর মতো উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে এবং ১০০০-এরও বেশি আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে। জুলাই মাসের শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগের ঘটনার স্মৃতি এবারও রাজনীতিকে উত্তাল করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয়: ৪০ হাজারেরও বেশি পুলিশ, আরএএফ ও সিএপিএফ সদস্য মোতায়েন করে পুরো শহরকে দুর্গে পরিণত করা হয়েছে।
- 📌 সিজেপির নেতা ও সমর্থকদের আটক: মমতা বন্দোপাধ্যায়, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, ধ্রুব রাঠী, রত্না সিংসহ ৬০০+ জন আগের রাতে আটক করা হয়। শনিবার সহস্রাধিক আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়।
- 📌 মেট্রো স্টেশন বন্ধ ও চলাচল সীমিত: কেন্দ্রীয় দিল্লির ৪৬ থেকে ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ-প্রস্থান বন্ধ করা হয়েছে।
- 📌 সিজেপির নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ: জুলাই মাসের শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগের ঘটনার পর এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি।
📰 বিস্তারিত
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-এর ডাকে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে ভারতের রাজনীতি। বিজেপি সরকারের মধ্যে স্পষ্ট উদ্বেগের ছাপ দেখা গেছে। আন্দোলনকারীদের জমায়েত রুখতে দিল্লি পুলিশ সমাবেশের কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেয়নি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) যন্তর মন্তরে এই বিক্ষোভের পূর্বঘোষণা থাকলেও পুলিশের নজরদারি ছিল অত্যন্ত তীব্র। আন্দোলনকারীদের জমায়েত রুখতে পুলিশ দিল্লি পুলিশ, আরএএফ এবং সিএপিএফের ৪০ হাজারেরও বেশি সদস্য মোতায়েন করেছে। কাঁটাতার ও স্পাইক স্ট্রিপ বসিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ব্যারিকেড গড়ে তোলা হয়েছে।
সিজেপির এই আন্দোলনের মুখে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউ বাসস্ট্যান্ডের কাছে সিইসির পদত্যাগের দাবিতে ধর্নায় বসার পর আটক করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার বিক্ষোভের শুরুতেই দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পরপরই প্লেন থেকে নামার সময় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়।
সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে যন্তর মন্তরের দিকে পদযাত্রা শুরুর প্রাক্কালে সিজেপির লিগ্যাল টিম প্রধান রত্না সিং এবং তার সহযাত্রী আইনজীবীদেরও পথ আটকে আটক করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গতরাত থেকেই শহরজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় চালায় পুলিশ। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আগের রাতে প্রায় ৬০০ জনকে আটকের পর শনিবার সহস্রাধিক আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়। তাদের রাখার জন্য ছত্রশাল স্টেডিয়াম ও যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্সসহ একাধিক ভেন্যুকে অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টারে রূপান্তর করা হয়েছে।
"সিজেপির এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন শাসকদলের এমন ‘প্যানিক অ্যাটাক’ বা বাড়তি সতর্কতার পেছনে রয়েছে জুলাই মাসের এক তিক্ত অভিজ্ঞতা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (ভারত), যন্তর মন্তর, সাউথ অ্যাভিনিউ বাসস্ট্যান্ড, দিল্লি বিমানবন্দর, সুপ্রিম কোর্ট চত্বর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্ঞানেশ কুমার (সিইসি), নরেন্দ্র মোদি, মমতা বন্দোপাধ্যায়, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, ধ্রুব রাঠী, রত্না সিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ হাজার পুলিশ সদস্য, ৬০০+ আগের রাতে আটক, ১০০০+ শনিবার আটক, ৪৬-৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!