📌 ভারতে সাবান, শ্যাম্পু ও টুথপেস্টের প্যাকেটে নিরামিষ বা আমিষ উৎসের চিহ্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী নিরামিষ পণ্যের জন্য সবুজ ডট, আমিষ পণ্যের জন্য লাল বা বাদামি ডট ব্যবহার করতে হবে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে
ভারতে ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্য যেমন সাবান, শ্যাম্পু ও টুথপেস্টের প্যাকেটে নিরামিষ বা আমিষ উৎসের চিহ্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নিরামিষ উৎসের পণ্যের প্যাকেটে ‘সবুজ’ রঙের ডট এবং আমিষ উৎসের পণ্যের প্যাকেটে ‘লাল’ বা ‘বাদামি’ রঙের ডট ব্যবহার করতে হবে। এই চিহ্ন প্যাকেটের সামনের অংশের উপরের দিকে রাখতে হবে। ফলে ভোক্তারা সহজেই পণ্যটি নিরামিষ বা আমিষ উৎসের তা বুঝতে পারবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে সাবান, শ্যাম্পু ও টুথপেস্টের প্যাকেটে নিরামিষ-আমিষ চিহ্ন বাধ্যতামূলক
- 📌 নিরামিষ পণ্যের জন্য ‘সবুজ’ ডট, আমিষ পণ্যের জন্য ‘লাল’ বা ‘বাদামি’ ডট ব্যবহার করতে হবে
- 📌 প্যাকেটে পণ্যের উৎপাদন তারিখ, মেয়াদ শেষের তারিখ, ব্যাচ নম্বর ও উৎপাদন লাইসেন্স নম্বর (M+নম্বর) উল্লেখ করতে হবে
- 📌 পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) এবং উপাদান তালিকা (১ শতাংশের বেশি উপাদান ক্রমে) উল্লেখ করতে হবে
- 📌 ৩০ গ্রামের কম ওজনের কঠিন পণ্য ও ৬০ মিলিলিটার কম তরল পণ্যের জন্য পূর্ণাঙ্গ উপাদান তালিকা লিখার নিয়ম প্রযোজ্য নয়
📰 বিস্তারিত
ভারতের ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০১১ সালের ‘লিগ্যাল মেট্রোলজি (প্যাকেজড কমোডিটিজ) রুলস’ সংশোধন করে এই নতুন নিয়ম প্রবর্তন করেছে। ২০২৬ সালের ‘লিগ্যাল মেট্রোলজি (প্যাকেজড কমোডিটিজ) ফোর্থ অ্যামেন্ডমেন্ট রুলস’-এ এই পরিবর্তন আনানো হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) থেকে এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে। তবে এই ধারণাটি পুরনো নয় — ২০১৪ সাল থেকে ভারতের আইনে নিরামিষ ও আমিষ উৎসের চিহ্ন দেওয়ার বিধান ছিল। তবে এবার তা ‘লিগ্যাল মেট্রোলজি’ বিধিমালার ৬ (৪ এ) (ডি) ধারায় স্থানান্তরিত হয়েছে এবং আগের ৬ (৮) ধারা বাতিল করা হয়েছে।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লি হাইকোর্টে এই নিয়মের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আদালত নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে স্পষ্ট নির্দেশনা দিতে বলেছিল। এছাড়া, প্রসাধনী পণ্যের প্যাকেটে আরও তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক, যেমন: পণ্যের সরকারি নাম, উৎপাদনকারী কারখানার নাম ও ঠিকানা, আমদানি করা পণ্যের ক্ষেত্রে আমদানিকারক বা অনুমোদিত এজেন্টের নাম ও ঠিকানা, পণ্যের পরিমাণ ওজন বা আয়তন (মেট্রিক এককে), ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন লাইসেন্স নম্বর (M+নম্বর), পণ্যের উৎপাদন ও মেয়াদ শেষের তারিখ (মাস ও বছর উল্লেখ করে), সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি), নিরাপদ ব্যবহারের নিয়ম, সতর্কতা এবং উপাদান তালিকা (১ শতাংশের বেশি উপাদান ক্রমে)।
উপাদান তালিকায় ১ শতাংশের বেশি উপাদানগুলো ওজন বা আয়তনের ভিত্তিতে বেশি থেকে কম ক্রমে উল্লেখ করতে হবে। আর ১ শতাংশ বা তার কম উপাদানগুলো যেকোনো ক্রমে লেখা যেতে পারে। তবে খুব ছোট প্যাকেটের ক্ষেত্রে (৩০ গ্রামের কম ওজনের কঠিন পণ্য ও ৬০ মিলিলিটার কম তরল পণ্য) পূর্ণাঙ্গ উপাদান তালিকা লিখার নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
"ভারতে প্রসাধনী ও ব্যবহার্য পণ্যের প্যাকেটে শুধু নিরামিষ বা আমিষ উৎসের চিহ্নই নয়, আরও বেশ কিছু তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক। এ ক্ষেত্রে ২০২০ সালের ‘কসমেটিকস রুলস’ এবং ‘লিগ্যাল মেট্রোলজি (প্যাকেজড কমোডিটিজ) রুলস’ অনুসরণ করতে হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত (দিল্লি হাইকোর্টের মামলা, কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভোক্তারা (পণ্য ব্যবহারকারীরা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (নতুন নিয়ম কার্যকর), ৩০ গ্রাম ও ৬০ মিলিলিটার (ছোট প্যাকেটের জন্য উপাদান তালিকা ছাড়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!