📌 ভারতের দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পতাকা মিছিলের নেতা নেহা বোরা ও অভিজিৎকে পুলিশ আটক করেছে। ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গে ৭০ লাখ ভোটারকে নির্বাচনের আগে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পতাকা মিছিলের নেতা নেহা বোরাকে পুলিশ আটক করেছে। এই ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। দিল্লি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে ছাত্রনেত্রী নেহা বোরাকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পদত্যাগের দাবিতে আটক: নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নেহা বোরাকে দিল্লি পুলিশ আটক করেছে।
- 📌 পতাকা মিছিলের নেতা: নেহা বোরা হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে সমর্থকদের সঙ্গে সেন্ট্রাল পার্কের দিকে এগোচ্ছিলেন, তখনই পুলিশ তাদের গতিরোধ করে।
- 📌 অভিজিৎের পর আটক: ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
- 📌 গ্রেপ্তার ও রিমান্ড: ১৩ অক্টোবর অভিজিৎ ও সৌরভ দাসকে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়াতে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় এবং রিমান্ডে নেওয়া হয়।
- 📌 ভোট কারচুপির অভিযোগ: সিজেপি দাবি করে, নরেন্দ্র মোদি সরকার নির্বাচনে ভোট কারচুপির আশ্রয় নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৭০ লাখ ভোটারকে নির্বাচনের আগে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা মিছিলের নেতা নেহা বোরাকে পুলিশ আটক করেছে। দ্য হিন্দু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নেহা বোরা হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে মান্দি হাউজ সার্কেল এলাকা থেকে সমর্থকদের সঙ্গে মিছিল নিয়ে সেন্ট্রাল পার্কের দিকে এগোচ্ছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই পুলিশ তাদের গতিরোধ করে তাকে হেফাজতে নেয়।
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎকে আগেই দিল্লি পুলিশ আটক করেছে। অভিযোগ, এই পতাকা মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল ককরোচ পার্টির দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে। ১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়াতে গেলে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে রিমান্ডে নেওয়া হয়।
সিজেপি দাবি করে, নরেন্দ্র মোদি সরকার নির্বাচনে ভোট কারচুপির আশ্রয় নিয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রায় ৭০ লাখ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন শেষ হওয়ার মাত্র কিছুদিন পর আবার তাদের নাম তালিকায় ফিরিয়ে আনা হয়। এই ঘটনাকে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবির মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
"নরেন্দ্র মোদি সরকারকে নির্বাচনে বাড়তি সুবিধা দিতে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ভোট কারচুপির আশ্রয় নিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নেহা বোরা, জ্ঞানেশ কুমার, অভিজিৎ, নরেন্দ্র মোদি, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ লাখ (ভোটার), ১৩ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!