📌 ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) দেশব্যাপী ১৩ কোটি ভোটারের নাম ফেরত তালিকাভুক্তির জন্য বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। ২০টি রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া ভোটারদের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের দু’জন কমিশনার ১০ মাসে ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন এই প্রক্রিয়ায়
ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) দেশব্যাপী বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া ১৩ কোটি ভোটারের নাম ফেরত তালিকাভুক্তির জন্য তৎপর হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সচিবের পক্ষ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর লিখিত চিঠি পাঠানো হয় এবং বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তা (সিইও)দের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের নির্বাচন কমিশন ১৩ কোটি ভোটারের নাম ফেরত তালিকাভুক্তির জন্য বিশেষ অভিযান শুরু করেছে
- 📌 ২০টি রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া ভোটারদের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 কমিশনের দু’জন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন
- 📌 ফরম-৬-এর নতুন প্রশ্ন (১৮ বছর বয়সী ভোটারদের বাবা-মা ভোটার তালিকায় ছিলেন কিনা) বাদ দেওয়া হয়েছে
- 📌 সিইওদের রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তা নিতে বলা হয়েছে বাড়ি বাড়ি ভোটারদের খোঁজ নিতে
📰 বিস্তারিত
ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) দেশব্যাপী বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া ১৩ কোটি ভোটারের নাম ফেরত তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নিচ্ছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২৯ সেপ্টেম্বর লিখিত চিঠি পাঠানো হয় এবং বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তা (সিইও)দের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়া নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে কমিশন।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে যে, ভোটার তালিকায় কার নাম থাকবে আর কার নাম বাদ যাবে, তা নিয়ে কমিশনের ভেতরেই প্রশ্ন উঠছিল। নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী তাঁদের অজান্তে কমিশনের নামে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তে ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন। এর মধ্যে ছিল ‘ফরম–৬’-এ আনা পরিবর্তন এবং ‘ইসিআইনেট’-এর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা। এসআইআর চলাকালীন এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভোটার তালিকা তৈরি হয়েছিল এবং বর্তমানে সমস্ত ভোটার তালিকা এই সফটওয়্যারেই রয়েছে।
২৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের সচিবের পক্ষ থেকে সব সিইও-দের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, যেসব রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে, সেখানে বাদ পড়ে যাওয়া এবং নতুন/প্রথমবারের মতো যোগ্য ভোটারদের ধারাবাহিক হালনাগাদ প্রক্রিয়ার অধীনে নাম তোলার জন্য মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তা (সিইও), জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা (ডিইও) এবং ইআরও-দের মাধ্যমে একটি বিশেষ অভিযান চালাতে হবে। জুলাই মাসে ফরম ৬-এ যে অতিরিক্ত প্রশ্নটি যোগ করা হয়েছিল, এই নতুন অভিযানে সেটি আর থাকছে না। এতদিন অনলাইনে নতুন ভোটার আবেদন করতে গেলে প্রশ্ন করা হতো—সর্বশেষ এসআইআর-এর পর তারা বা তাদের বাবা-মা ভোটার তালিকায় ছিলেন কি না। এর উত্তর না দিয়ে ফরম জমা দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। ফলে যেসব ১৮ বছর বয়সী তরুণের বাবা-মায়ের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল, তাদের জন্য সত্যি উত্তর দিয়ে আবেদন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
"তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, বিশেষ করে যেসব ভোটার অন্য কোথাও স্থানান্তরিত হননি, ভুয়া ভোটার নন বা মারা যাননি, তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিতে হবে এবং তাদের ফরম ৬ পূরণ করিয়ে নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতের ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুখবীর সিং সান্ধু, বিবেক জোশী, মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তা (সিইও)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কোটি (বাদ পড়া ভোটার), ২০টি (রাজ্য), ১৪ বার (লিখিত আপত্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!