📌 ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দুটি জনসংযোগ অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা ও ইস্তফা দাবির পর। উত্তর প্রদেশের মিরাট ও বারানসিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এই অনুষ্ঠান দুটি, যা নির্বাচন কমিশনের অনিয়মের অভিযোগের পর বাতিল করা হয়েছে
ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের দুটি জনসংযোগ অনুষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দেশজুড়ে বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা ও ইস্তফা দাবির পর। অনুষ্ঠান দুটির একটি হওয়ার কথা ছিল গত বৃহস্পতিবার উত্তর প্রদেশের মিরাটে, আর দ্বিতীয়টি ২৮ সেপ্টেম্বর উত্তর প্রদেশের বারানসিতে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের দুটি জনসংযোগ অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে বিরোধী দলের সমালোচনার পর।
- 📌 মিরাট ও বারানসিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এই অনুষ্ঠান দুটি, যা নির্বাচন কমিশনের অনিয়মের অভিযোগের পর বাতিল করা হয়েছে।
- 📌 কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বিরোধী নেতারা জ্ঞানেশের ইস্তফা দাবি করেছেন।
- 📌 ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দেওয়ার জন্য জ্ঞানেশকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।
- 📌 নির্বাচন কমিশন তরুণ ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'ইলেকটোরাল লিটারেসি ক্লাব' কর্মসূচি চালু করেছে।
📰 বিস্তারিত
ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সূত্র জানিয়েছে, এই দুটি অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার কারণ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অনিয়মের অভিযোগকে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অন্য দুই সদস্য সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি জ্ঞানেশ কুমারের কাজকর্ম নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ করেছেন। এই অভিযোগের পর পুরো ভারতে বিরোধী দলের নেতারা সিইসি জ্ঞানেশের ইস্তফা দাবি করেছেন। কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আরজেডির তেজস্বী যাদব ও শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরেরা সিইসি জ্ঞানেশের ইস্তফা দাবি করেছেন।
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা জ্ঞানেশকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দেওয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। দলের নেতা অভিজিৎ দিপ বলেছেন, অন্যথায় তারা দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু করবেন। এই সিদ্ধান্তের পর নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যাখ্যা দেননি, তবে সূত্র জানিয়েছে, আগেও নানা কারণে অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। তবে এই বার অনিয়মের অভিযোগের কারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিরোধী দলের নেতাদের দাবির পর নির্বাচন কমিশন তরুণ ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'ইলেকটোরাল লিটারেসি ক্লাব' (ইএলসি) কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো তরুণদের গণতন্ত্র, নির্বাচন, ভোটের অধিকার ও ইভিএম সম্পর্কে সচেতন করা। এই কর্মসূচির অধীনে ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের (জেন আলফা) এবং ১৮ থেকে ২১ বছর বয়সী তরুণদের (জেন জি) মধ্যে এই সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
উত্তর প্রদেশের মিরাট ও বারানসিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুটি অনুষ্ঠান। তবে এই অনুষ্ঠান দুটি স্থগিত রাখার পর নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যাখ্যা দেননি। পূর্বে উত্তরাখন্ড, হিমাচল প্রদেশ ও লাদাখে অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে।
"নানা কারণে অনুষ্ঠান বাতিল বা স্থগিত হয়। কখনো শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানস্থল বাতিল হয়, কখনো আবহাওয়ার কারণ দেখা দেয়।" — নির্বাচন কমিশনের সূত্র
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর প্রদেশের মিরাট ও বারানসি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিইসি জ্ঞানেশ কুমার, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সুখবীর সিং সান্ধু, বিবেক যোশি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর, ৪৮ ঘণ্টা, ১৪-১৭ বছর, ১৮-২১ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!