📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতের নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিতর্ক: প্রধান বিচারপতি বিবেচনার জন্য পাঠানো মামলা

ভারতের নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিতর্ক: প্রধান বিচারপতি বিবেচনার জন্য পাঠানো মামলা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের নিয়োগপদ্ধতি নিয়ে সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্ন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা পাঠানো হয়েছে প্রধান বিচারপতির কাছে। বিরোধীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ না করলে দেশব্যাপী আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন। বিচারপতি দীপংকর দত্ত ক্রিকেটের আম্পায়ার তুলনা দিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতার প্রশ্ন তুলেছেন

ভারতের নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের নিয়োগসংক্রান্ত সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্ন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে মামলা পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে দুই বিচারপতি একমত হতে না পারায় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর বিবেচনার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার পেয়েছেন। গত বুধবার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি গত ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন। এই প্রতিবেদন দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে এবং বিরোধীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুপ্রিম কোর্টে মামলা পাঠানো: নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের নিয়োগপদ্ধতি নিয়ে সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্ন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর বিবেচনার জন্য মামলা পাঠানো হয়েছে।
  • 📌 ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ দাবি: ককরোচ জনতা পার্টি জ্ঞানেশ কুমারকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে বলেছে, না হলে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করবে।
  • 📌 বিরোধীরা জোরালো প্রতিবাদ: জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধীরা দাবি করছেন, ভোটার তালিকার সংশোধন (এসআইআর) নামে অনাচার সৃষ্টি হয়েছে এবং নির্বাচন বাতিলের দাবি উঠেছে।
  • 📌 বিচারপতি দীপংকর দত্তের উদাহরণ: বিচারপতি দীপংকর দত্ত ক্রিকেটের আম্পায়ার তুলনা দিয়ে বলেছেন, যদি ব্যাটিং দল আম্পায়ারকে নিয়োগ দেয়, তাহলে সন্দেহ থাকবে যে আম্পায়ার নিরপেক্ষ নয়।
  • 📌 সাবেক কমিশনারদের সতর্কবার্তা: তিন সাবেক মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (এস ওয়াই কুরেশি, অশোক লাভাসা ও ও পি রাওয়াত) বলেছেন, কমিশনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।

📰 বিস্তারিত

ভারতের নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের নিয়োগপদ্ধতি নিয়ে সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্ন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে বিচারপতি দীপংকর দত্ত ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তরকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার দিয়েছেন। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানা গেছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি বারবার আপত্তি জানিয়েছেন। এই প্রতিবেদন দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে এবং বিরোধীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন।

ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সময় দেওয়া হয়েছে। পদত্যাগ না করলে তারা দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু করবে। দাবি উঠেছে, ভোটার তালিকার সংশোধন (এসআইআর) নামে বিভিন্ন রাজ্যে অনাচার সৃষ্টি হয়েছে এবং এই জন্য জ্ঞানেশ কুমারকে শাস্তি দেওয়ারও দাবি করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যে রাজ্যগুলোতে নির্বাচন হয়েছে, তাদের নির্বাচন বাতিল করার দাবিও জোরালো হয়ে উঠেছে।

বিচারপতি দীপংকর দত্ত ক্রিকেটের আম্পায়ার তুলনা দিয়ে বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা যথেষ্ট নয়, বরং কমিশনকে বাস্তবিক নিরপেক্ষতা প্রদর্শন করতে হবে। তিনি বলেছেন, ধরুন ক্রিকেট খেলায় যারা ব্যাট করবে, তাদেরই যদি আম্পায়ারকে নিয়োগ দেয়া হয়, তাহলে সন্দেহ থাকবে যে আম্পায়ার নিরপেক্ষ নয়। নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের নিয়োগপদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয় ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে। সেই বছর সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের কনস্টিটিউশন বেঞ্চ রায় দিয়েছিলেন যে, নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য আইন তৈরি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করবে তিন সদস্যের কমিটি। সেই কমিটিতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। কিন্তু ২০২৩ সালে সরকার আইন পাস করে প্রধান বিচারপতিকে কমিটির থেকে বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করে।

বর্তমানে যে তিনজন নির্বাচন কমিশনার রয়েছেন, তাদের সবাই মোদি সরকারের মনোনীত। এই নিয়োগের সময় বিরোধী নেতা হিসেবে প্রথমে কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী এবং পরে রাহুল গান্ধী আপত্তি জানিয়েছিলেন, কিন্তু তা উপেক্ষিত হয়েছিল। এই আইনের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়। সেই মামলা গত বুধবার প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়।

"ব্যাটিং দল যদি আম্পায়ারকে নিয়োগ দেয়, তাহলে সন্দেহ থাকবে যে আম্পায়ার নিরপেক্ষ নয়। নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের নিয়োগপদ্ধতি নিয়ে এই বিতর্কের ভিত্তি রয়েছে। কারণ, জ্ঞানেশ কুমারের আচরণ নিয়ে অন্য দুই কমিশনার বারবার প্রশ্ন তুলেছেন।"

সাবেক মুখ্য নির্বাচন কমিশনারদের মতামতও গুরুত্বপূর্ণ। তিনজন সাবেক কমিশনার (এস ওয়াই কুরেশি, অশোক লাভাসা ও ও পি রাওয়াত) বলেছেন, কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে দুই কমিশনার যেসব প্রশ্ন তুলেছেন তা গুরুত্বপূর্ণ। তারা বলেছেন, কমিশনের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। তারা দাবি করেছেন, কমিশনের মধ্যে মতবিরোধ থাকলে এবং তা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ক্ষুণ্ন করলে বিষয়টি গুরুতর। তারা বলেছেন, কমিশনকে প্রকাশ্যে এই সব বিষয় স্পষ্ট করতে হবে। কারণ, স্বচ্ছতা হলো নির্বাচন কমিশনের শক্তি ও সম্পদ।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্ঞানেশ কুমার, সুখবীর সিং সান্ধু, বিবেক যোশি, বিচারপতি দীপংকর দত্ত, সাবেক কমিশনার এস ওয়াই কুরেশি, অশোক লাভাসা, ও পি রাওয়াত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ মাস, ১৪ বার, ৪৮ ঘণ্টা, ৫ সদস্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖