📌 ভারতে নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ চলছে। জেন-জির সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নেতাদের আটক ও সরকারের দমনপীড়নের প্রতিবাদে ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার। ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার স্মৃতি ফিরে এসেছে
ভারতে নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে তীব্র বিক্ষোভ চলছে। জেন-জির সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নেতাদের আটক ও সরকারের জরুরি অবস্থার মতো দমনপীড়নের প্রতিবাদে আন্দোলনকারীরা রাজপথে নেমেছে। বিক্ষোভের সময় পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকসহ বেশ কয়েকজন নেতা। সরকারের দমনপীড়ন তীব্র হওয়ার মুখে বিক্ষোভকারীরা বারবার রাজপথে ফিরে আসার প্রতিজ্ঞা দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে** দিল্লিতে বিক্ষোভ চলছে, সিজেপি নির্বাচন সংস্কারের দাবি তুলেছে
- 📌 **৩০ হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী** দিল্লিকে দুর্গে পরিণত করেছে, ইন্টারনেট বন্ধ ও ট্রেন-মেট্রো বন্ধের নির্দেশ
- 📌 **সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকসহ ৩ জন** বিমানবন্দরে অবতরণের পরই পুলিশের হাতে আটক হন
- 📌 **১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার স্মৃতি ফিরে এসেছে** — ইন্দিরা গান্ধীর মতো মোদি সরকারও নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করছেন
- 📌 **বিক্ষোভকারীরা বলছেন**, "মোদি ২০২৯ সাল পর্যন্ত টিকবেন না, তার স্বৈরাচার শেষ হয়েছে"
📰 বিস্তারিত
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে শনিবার সকালে নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। জেন-জির সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নেতারা ভোটার তালিকা সংশোধনের মাধ্যমে ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। তারা তালিকা বাতিল ও ব্যাপক নির্বাচনী সংস্কারের দাবি তুলেছেন। পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকসহ দলের নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।
সরকারের দমনপীড়ন তীব্র হওয়ার মুখে দিল্লির মধ্যাঞ্চল থমথমে হয়ে আছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রায় ৩০ হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ করে শহরকে দুর্গে পরিণত করেছে। শুক্রবার থেকে নয়াদিল্লিগামী সব ট্রেন বাতিল করা হয়, ৫০টিরও বেশি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয় এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যোগ না দিতে সতর্ক করা হয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে নয়াদিল্লিগামী বাস ও ট্রেন থেকে শিক্ষার্থীদের টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে আটক করা হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার স্মৃতি ফিরিয়ে আনছেন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করেছিলেন, সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ আরোপ করেছিলেন এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক এক্স প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে জরুরি অবস্থা চালু করেছেন। মোদি, এই ভয় দেখিয়ে কাজ হবে না। এ দেশের তরুণ সমাজ আপনাকে আর ভয় পায় না।’
কনাট প্লেসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী সন্তোষ কুমার (২৯) বলেছেন, ‘আপনি কীভাবে এই বাচ্চাদের আটকাবেন? ১০ জনকে আটক করলে আরও ৫০ জন আসছে। স্বৈরাচারী মোদির সময় শেষ; তিনি ২০২৯ সাল পর্যন্তও টিকবেন না।’ বামপন্থী ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভানেত্রী নেহা বোরা মোদি সরকারকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক বাহিনীর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি সাধারণ জনগণকে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
"নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে জরুরি অবস্থা চালু করেছেন। মোদি, এই ভয় দেখিয়ে কাজ হবে না। এ দেশের তরুণ সমাজ আপনাকে আর ভয় পায় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (মধ্য নয়াদিল্লি), মুম্বাই বিমানবন্দর, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নরেন্দ্র মোদি, অভিজিৎ দীপক, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, সন্তোষ কুমার, নেহা বোরা, শিবা আবদি, সমীর এরশাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কোটি (ভোটার), ৩০ হাজার (পুলিশ), ৫০টি (মেট্রো স্টেশন), ২৯ (বয়স), ১০ জন (আটক), ৫০ জন (আসছে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!