📌 ভারতের দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভে সিজেপি নেতাকর্মীদের আটক করে পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে বিক্ষোভস্থল নির্ধারণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলগুলো
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভে সিজেপি (ককরোচ জনতা পার্টি) নেতাকর্মীদের আটক করে পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভস্থলে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসসহ নেতাকর্মীদের আটক করে পুলিশ
- 📌 সিজেপি ও বিরোধী দলগুলো সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে বিক্ষোভস্থল নির্ধারণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে
- 📌 রামলীলা ময়দানকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার কারণে আদালতে আপত্তি
- 📌 নতুন বিক্ষোভস্থলগুলোর মধ্যে দুটিতে ময়লার স্তূপের কারণে সমাবেশের উপযুক্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দল
- 📌 কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বাসভবনে বৈঠক করে আন্দোলনকে বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে যাওয়ার কৌশল নির্ধারণ
📰 বিস্তারিত
দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সিজেপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড টপকে বিক্ষোভস্থলে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের আটক করে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়, যেখানে দেখা যায় আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসসহ নেতাকর্মীরা ভারতের জাতীয় পতাকা হাতে ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন। কিছুক্ষণ পরই পুলিশ তাদের আটক করে হেফাজতে নেয়।
সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে সিজেপি ও বিরোধী দলগুলো যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছে। তারা দাবি করে, আদালত আগে যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভের উপযুক্ত স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। তবে বিকল্প বিক্ষোভস্থল হিসেবে নির্ধারিত রামলীলা ময়দানকে উপযুক্ত নয় বলে উল্লেখ করে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছে। নতুন বিক্ষোভস্থলগুলোর মধ্যে দুটিতে ময়লার স্তূপের কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাবেশের উপযুক্ততা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে তারা।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ভারতে সাধারণ মানুষ যেকোনো বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন। তবে যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের দাবি নিয়ে আন্দোলন জোরালো হয়েছে।
"ভারতে সাধারণ মানুষ যেকোনো বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন।"
আন্দোলনকে বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে যাওয়ার জন্য কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বাসভবনে বৈঠক হয়। বৈঠকে অংশ নেয় ইন্ডিয়া জোটের নেতা, সংসদ সদস্য, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও ছাত্র সংগঠনের নেতারা। বৈঠক শেষে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। দিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস, অভিজিৎ দীপ, রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, জ্ঞানেশ কুমার, নরেন্দ্র মোদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (নতুন বিক্ষোভস্থল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!