📌 ভারতের একটি আদালত ‘কোকরোচ’ জান্তা পার্টির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরব দাসের গ্রেফতারকালীন মেয়াদ ২ দিন বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে নবদিল্লিতে নতুন করে হাজারো মানুষ জড়ো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে এই যুব নেতারা
ভারতের একটি আদালত ‘কোকরোচ’ জান্তা পার্টির (সিজিপি) দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরব দাসের গ্রেফতারকালীন মেয়াদ ২ দিন বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নবদিল্লিতে শুক্রবার নতুন করে হাজারো মানুষ জড়ো হয়েছে। এই পদক্ষেপকে সিজিপির আইনি প্রধান রত্না সিংহ ‘আদালতের অপমান’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের আদালত ‘কোকরোচ’ জান্তা পার্টির (সিজিপি) নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরব দাসের গ্রেফতারকালীন মেয়াদ ২ দিন বাড়িয়ে দিয়েছে — মোট ৫ দিনের মেয়াদে এখন ৭ দিনের কারাদণ্ড কার্যকর হবে।
- 📌 এই দুই নেতা ও আরো ১৪ জন প্রতিবাদী ২ সপ্তাহ আগে নিষিদ্ধ প্রতিবাদ স্থান জান্তর মন্ত্র থেকে বাধা পার করে প্রবেশ করার পর গ্রেফতার হন।
- 📌 নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে সিজিপি — তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার গ্যানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন।
- 📌 নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, ১৩০ কোটি ভোটার তালিকায় ২৮ কোটি মৃত ব্যক্তির, ৬৩ কোটি স্থানান্তরিত ব্যক্তির ও ৩০ কোটি অপহৃত ব্যক্তির তথ্য ছিল।
- 📌 সিজিপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজেত দীপক ও অন্যান্য নেতাদেরও শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়।
- 📌 সিজিপি ও সমর্থকদের আগামী বছর শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিট-ইন আন্দোলন করেছিল।
📰 বিস্তারিত
ভারতের নবদিল্লির একটি আদালত শনিবার ‘কোকরোচ’ জান্তা পার্টির (সিজিপি) দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরব দাসের গ্রেফতারকালীন মেয়াদ ২ দিন বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে নবদিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকায় শুক্রবার হাজারো মানুষ জড়ো হয়েছিল। সিজিপি ও সমর্থকরা তাদের মুক্তির দাবিতে নতুন করে প্রতিবাদ শুরু করেছেন।
রাঙ্কা ও দাসের গ্রেফতারকালীন মেয়াদ আগে ৫ দিন ছিল। আদালত তাদের গ্রেফতারকালীন মেয়াদ বাড়িয়ে ৭ দিন করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সিজিপির আইনি প্রধান রত্না সিংহ বলেছেন, “এটি আদালতের প্রতি একটি সম্পূর্ণ অপমান। আমরা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।”
সিজিপি ও বিরোধী দলগুলো এই মাসে দৈনিক প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার গ্যানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন। নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, ১৩০ কোটি ভোটার তালিকায় ২৮ কোটি মৃত ব্যক্তির, ৬৩ কোটি স্থানান্তরিত ব্যক্তির ও ৩০ কোটি অপহৃত ব্যক্তির তথ্য ছিল। তারা আরও বলেছে, ভুলভাবে মুছে ফেলা ভোটাররা আবার ভোটার তালিকায় নাম দিতে পারবেন।
বিরোধী দলগুলো দাবি করেছে, এই ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)কে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সিজিপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজেত দীপক ও অন্যান্য নেতাদেরও শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়। তারা নবদিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকায় প্রতিবাদে অংশ নিতে গিয়ে গ্রেফতার হন।
"এটি আদালতের প্রতি একটি সম্পূর্ণ অপমান। আমরা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নবদিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরব দাস, রত্না সিংহ, অভিজেত দীপক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার গ্যানেশ কুমার, শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দিন (গ্রেফতারকালীন মেয়াদ), ১৩০ কোটি (ভোটার তালিকায় নাম), ২৮ কোটি (মৃত ব্যক্তি), ৬৩ কোটি (স্থানান্তরিত ব্যক্তি), ৩০ কোটি (অপহৃত ব্যক্তি), ১৪ জন (গ্রেফতারকৃত প্রতিবাদী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!