📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চিত নীতিতে ক্ষুব্ধ ভারত: জয়শঙ্কর প্রকাশ্যে সমালোচনা ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চিত নীতিতে ক্ষুব্ধ ভারত: জয়শঙ্কর প্রকাশ্যে সমালোচনা ট্রাম্প প্রশাসন

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদেশিক নীতির অনিশ্চয়তা ও স্বার্থপরতা নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন। বাণিজ্য শুল্ক, সন্ত্রাসবাদের বিষয় ও পাকিস্তানের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ভারতের ক্ষোভ বাড়ছে

যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির অনিশ্চয়তা ও স্বার্থপরতার কারণে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রকাশ্যে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। নিউইয়র্কে এশিয়া সোসাইটির একটি অনুষ্ঠানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে উদাসীনতা, বাণিজ্য শুল্কের অপারগতা এবং পাকিস্তানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠতার সমালোচনা করেছেন। ভারতের এই প্রকাশ্য অবস্থান সাধারণত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যে নীরব সমস্যা সমাধানের প্রথা ভঙ্গ করেছে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জয়শঙ্কর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে ভারতের উদ্বেগকে যথাযথ মূল্যায়ন করছে না, যা দশক ধরে ভারতকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে
  • 📌 ট্রাম্প প্রশাসনের ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আইন ভারতের বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করেছে, যা ২০২৫ সালে ১৪৯.১ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্যের পেছনে বড় বাধা সৃষ্টি করেছে
  • 📌 পাকিস্তানের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতা ও কাশ্মীর বিষয়ে ভারতের দ্বিপাক্ষিক অবস্থানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের উদাসীনতা ভারতের বিরক্তির কারণ
  • 📌 এইচ-১বি ভিসা ফি বৃদ্ধি ও নীতি ভারতের নির্বাচনকালীন জনগণের ক্ষোভের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে
  • 📌 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অভ্যন্তরীণ বিরোধীদের চাপে থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদেশিক নীতির অনিশ্চয়তা ও স্বার্থপরতার কারণে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রকাশ্যে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে ভারতের উদ্বেগকে যথাযথ মূল্যায়ন করছে না। দশক ধরে ভারত পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়ে আসছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তা যথাযথভাবে বোঝার চেষ্টাও করছে না।

বাণিজ্য সম্পর্কেও ভারতের ক্ষোভ বাড়ছে। ২০২৫ সালে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১৪৯.১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছলেও, ট্রাম্প প্রশাসনের রুশ তেল ক্রেতা দেশগুলোর ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আইন ভারতের বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করেছে। জয়শঙ্কর বলেন, দেশগুলোর এতটা আত্মকেন্দ্রিক হওয়া উচিত নয় যে তারা এমন সিদ্ধান্ত নেবে যা অন্যদের জীবন কঠিন করে তোলে।

কাশ্মীর বিষয়ে ভারতের দ্বিপাক্ষিক অবস্থান ও পাকিস্তানের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতা ভারতের বিরক্তির আরেকটি কারণ। গত বছর কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার পর ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি মধ্যস্থতার দাবি ভারত নেয়নি, কারণ তারা কাশ্মীরকে পুরোপুরি দ্বিপাক্ষিক বিষয় মনে করে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অভ্যন্তরীণ বিরোধীদের চাপে থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন। সামনেই ভারতের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য নির্বাচন থাকায় জনগণের ক্ষোভের বিষয়টি মাথায় রেখে মোদি সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভারত এখন মূলত ট্রাম্পের মেয়াদ শেষের অপেক্ষায় আছে, কারণ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রথা ও রীতিনীতিকে তার প্রশাসন খুব একটা সম্মান করে না।

"দেশগুলোর এতটা আত্মকেন্দ্রিক হওয়া উচিত নয় যে, তারা এমন সিদ্ধান্ত নেবে যা অন্যদের জীবন কঠিন করে তোলে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (এশিয়া সোসাইটি অনুষ্ঠান), দিল্লি (ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্যালয়)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস জয়শঙ্কর (ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী), নরেন্দ্র মোদি (ভারতের প্রধানমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪৯.১ বিলিয়ন ডলার (২০২৫ সালের ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য), ১০০ শতাংশ (শুল্ক আরোপের হার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖