📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০৪৯ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের বৃদ্ধ জনসংখ্যার দেশে পরিণত হলে অর্থনীতিতে কী ধরনের চাপ পড়বে?

২০৪৯ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের বৃদ্ধ জনসংখ্যার দেশে পরিণত হলে অর্থনীতিতে কী ধরনের চাপ পড়বে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মুডিজের গবেষণা অনুযায়ী, ভারত ২০৪৯ সালের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম বৃদ্ধ জনসংখ্যার দেশে পরিণত হবে। জন্মহার কমে গেলে শ্রমজোগানের ঘাটতি, উৎপাদনক্ষমতা হ্রাস এবং পেনশন-স্বাস্থ্য খরচ বাড়বে। নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের 'উন্নত ভারত' বাস্তবায়নের পথে এই জনসংখ্যা পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে

মুডিজের গবেষণা প্রকাশ করেছে যে, ভারত ২০৪৯ সালের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম প্রধান ‘বৃদ্ধ মানুষের’ দেশে পরিণত হবে। এই তথ্য ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য একটি চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের ‘উন্নত ভারত’ বাস্তবায়নের পথে এই জনসংখ্যা পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মুডিজের গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৪৯ সালের মধ্যে ভারত ‘বৃদ্ধ মানুষের’ দেশে পরিণত হবে এবং ২০৬৫ সালের মধ্যে ‘অতি বয়স্কদের’ দেশে পরিণত হবে।
  • 📌 ভারতের বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে দ্রুত — মাত্র ১৬ বছরেই ‘অতি বয়স্ক’ দেশে পরিণত হবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের লাগবে ১৯ বছর এবং ইন্দোনেশিয়ার ২৯ বছর।
  • 📌 জন্মহার কমে গেলে শ্রমজোগানের ঘাটতি, উৎপাদনক্ষমতা হ্রাস এবং পেনশন, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার খরচ বাড়বে।
  • 📌 ভারতের বর্তমান জন্মহার ১.৯ শতাংশ, যা আরও কমে ১.৬ শতাংশে নেমে যেতে পারে।
  • 📌 ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের হার ভারতের জনসংখ্যার ২৯ শতাংশে পৌঁছবে, যেখানে জাপান ইতিমধ্যে এই হার পৌঁছেছে।

📰 বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সিকি শতকের দিনে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ‘উই উইল ডু ইট’ — ভারত বিশ্বের তৃতীয় অর্থনীতিতে পরিণত হবে। কিন্তু মুডিজের গবেষণা এই স্বপ্নের পথে একটি বড় বাধা দেখিয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৪৯ সালের মধ্যে ভারত পৃথিবীর অন্যতম প্রধান ‘বৃদ্ধ মানুষের’ দেশে পরিণত হবে। আর ২০৬৫ সালের মধ্যে ভারত ‘অতি বয়স্কদের’ দেশে পরিণত হবে।

বয়স্ক জনসংখ্যার বৃদ্ধি অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে? মুডিজের গবেষণায় বলা হয়েছে, কর্মক্ষম মানুষের অনুপাত কমলে শ্রমের জোগান ও উৎপাদনক্ষমতায় চাপ বাড়বে। পরিবারের সদস্য ও তরুণ উপভোক্তার সংখ্যা কমলে আবাসন, গাড়ি, শিক্ষাসহ সার্বিক চাহিদা কমে যাবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সুবিধা আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হয়ে উঠেছিল, কিন্তু জন্মহার কমে গেলে তা দুর্বল হয়ে যাবে।

মুডিজের শঙ্কা, উন্নত দেশগুলোর তুলনায় ভারত তুলনামূলক কম আয়ের দেশ থাকতে থাকতেই বয়স্ক মানুষের দেশে পরিণত হবে। উৎপাদনের হার কমবে অথচ পেনশন, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার খরচ বেড়ে যাবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধ মানুষের দেশ জাপান, যেখানে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সের মানুষের হার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৯ শতাংশ। ইউরোপের প্রবীণ মানুষের দেশ হলো ইতালি, যেখানে এই হার ২৪ শতাংশ। পর্তুগাল, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, গ্রিস ও স্পেনের মতো দেশগুলোর মধ্যে এই হার ২১ থেকে ২৩ শতাংশ। এসব দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে গেছে, কিন্তু তারা ধনী হওয়ার পরেই এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। অথচ ভারত ধনী হওয়ার আগেই বয়স্ক জনসংখ্যার হার বৃদ্ধির ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

"বয়স্ক জনসংখ্যার বৃদ্ধি অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করবে। কর্মক্ষম মানুষের অনুপাত কমলে উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পাবে এবং পেনশন ও স্বাস্থ্য খরচ বাড়বে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ (ইতালি, পর্তুগাল, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, গ্রিস, স্পেন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নরেন্দ্র মোদি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০৪৯ (বছর), ২০৬৫ (বছর), ১৬ (বছর), ১৯ (বছর), ২৯ (শতাংশ), ২৪ (শতাংশ), ১.৯ (জন্মহার), ১.৬ (জন্মহার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖