📌 ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রেজিনগর আসনের উপনির্বাচনে পুলিশের সহায়তায় ভোট লুটের অভিযোগে হুমায়ুন কবীর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন। তিনি কান্নায় ভেঙে ক্ষমা চান এবং রাজনীতিতে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। বিজেপির সজল ঘোষ অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে পুলিশের সহায়তায় ভোট লুটের অভিযোগ তুলে আম আদমি পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার অনুষ্ঠিত ভোট চলাকালীন প্রশাসনের ভূমিকার প্রতিবাদে পুলিশ তাঁকে প্রায় ১২ ঘণ্টা থানায় আটক রাখে। মুক্তি পেয়ে সাংবাদিকদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি এবং ভোটারদের কাছে ক্ষমা চান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হুমায়ুন কবীর রেজিনগর আসনের উপনির্বাচনে পুলিশের সহায়তায় ভোট লুটের অভিযোগ তুলে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন
- 📌 পুলিশ তাঁকে ১২ ঘণ্টা থানায় আটক রাখার পর মুক্তি পেয়ে সাংবাদিকদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন
- 📌 তিনি গোলাম নবী আজাদকে প্রার্থী করে নিজের আসন ছেড়ে দিয়েছিলেন
- 📌 গত বছর বেলডাঙায় ৩০০ কোটি রুপি ব্যয়ে বাবরি মসজিদের আদলে মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন
- 📌 বিজেপির নেতা সজল ঘোষ অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেন এবং হুমায়ুন কবীরের পূর্বের রাজনীতি ছাড়ার নাটককে উল্লেখ করেন
📰 বিস্তারিত
রেজিনগর আসনের উপনির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে হুমায়ুন কবীরের অভিযোগের প্রতিবাদে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না দিয়ে পুলিশ নিজেই ভোট লুটে সহায়তা করেছে। এই অভিযোগের প্রতিবাদে তিনি রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন।
হুমায়ুন কবীরের এই অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় বিজেপির নেতা সজল ঘোষ বলেন, ভোট কারচুপির অভিযোগ মিথ্যা এবং হুমায়ুন কবীরের পূর্বে বহুবার রাজনীতি ছাড়ার নাটক করেছেন। তিনি হুমায়ুন কবীরের এই ঘোষণাকে বিভ্রান্তিকর বলে আখ্যায়িত করেন।
মনে রাখতে হবে, গত বছর হুমায়ুন কবীর বেলডাঙায় ৩০০ কোটি রুপি ব্যয়ে বাবরি মসজিদের আদলে মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা তৎকালীন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল।
"আমি সাধারণ মানুষকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না দিয়ে পুলিশ নিজেই ভোট লুটে সহায়তা করেছে। আমি অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রেজিনগর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুমায়ুন কবীর, সজল ঘোষ, গোলাম নবী আজাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ ঘণ্টা, ৩০০ কোটি রুপি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!