📌 ইরানের সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত আরামকোর একটি কারখানায় ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। হুথির সামরিক মুখপাত্রের মতে, আক্রমণে আগুন ধরে গেছে এবং সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো পক্ষ থেকে নিশ্চিত তথ্য পায়নি। সৌদি-নেতৃত্বাধীন লীগ বলেছে, তারা হুথি শক্তিশালী করার জন্য ৯৭টি সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে
ইরানের সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত আরামকো কারখানায় ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। এই আক্রমণে আগুন ধরে গেছে বলে হুথির সামরিক মুখপাত্র Yahya Saree’র দাবি। সৌদি কর্তৃপক্ষ বা আরামকো কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেনি, তবে রিয়াদে কারখানার কাছাকাছি ধোঁয়া ও আগুন দেখা গিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত আরামকো কারখানায় ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।
- 📌 হুথির সামরিক মুখপাত্র Yahya Saree’র মতে, আক্রমণটি “সুনির্দিষ্ট ও সরাসরি” ছিল এবং “আগুন ধরে গেছে” কারখানায়।
- 📌 সৌদি কর্তৃপক্ষ বা আরামকো কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেনি, তবে রিয়াদে কারখানার কাছাকাছি আগুন ও ধোঁয়া দেখা গিয়েছে।
- 📌 সৌদি-নেতৃত্বাধীন লীগ বলেছে, তারা হুথি শক্তিশালী করার জন্য ৯৭টি সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে, যার ফলে “অত্যন্ত ২৬০ হুথি যুদ্ধবন্দী” নিহত ও “৪৪টি সামরিক যানবাহন” ধ্বংস বা অক্ষম হয়েছে।
- 📌 আগের মাসে হুথিরা সৌদি আরবের পশ্চিম উপকূলের ইয়ানবু বন্দরে আরামকোর কারখানায় হামলা চালিয়েছিল, কিন্তু সৌদি কর্তৃপক্ষ বলেছিল, তারা ছয়টি ব্যালিস্টিক মিসাইল আটকিয়েছে এবং কোনো ক্ষতি হয়নি।
- 📌 এই যুদ্ধের পরিস্থিতি তীব্র হয়েছে, কারণ ২০২২ সালের একটি দুর্বল শান্তি চুক্তি জুলাই মাসে ভেঙে গিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইরানের সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত আরামকোর একটি কারখানায় ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। হুথির সামরিক মুখপাত্র Yahya Saree’র মতে, এই আক্রমণে কারখানায় আগুন ধরে গেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ বা আরামকো কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেনি, তবে রিয়াদে কারখানার কাছাকাছি আগুন ও ধোঁয়া দেখা গিয়েছে।
সৌদি-নেতৃত্বাধীন লীগ বলেছে, তারা হুথি শক্তিশালী করার জন্য ৯৭টি সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় “অত্যন্ত ২৬০ হুথি যুদ্ধবন্দী” নিহত ও “৪৪টি সামরিক যানবাহন” ধ্বংস বা অক্ষম হয়েছে। এই হামলাগুলো টোর আল-বাহা ফ্রন্ট ও তাইজ অক্ষের হুথি শক্তিশালী করার জন্য করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
আগের মাসে হুথিরা সৌদি আরবের পশ্চিম উপকূলের ইয়ানবু বন্দরে আরামকোর কারখানায় হামলা চালিয়েছিল। সৌদি কর্তৃপক্ষ বলেছিল, তারা ছয়টি ব্যালিস্টিক মিসাইল আটকিয়েছে এবং কোনো ক্ষতি হয়নি। এই যুদ্ধের পরিস্থিতি তীব্র হয়েছে, কারণ ২০২২ সালের একটি দুর্বল শান্তি চুক্তি জুলাই মাসে ভেঙে গিয়েছে।
"আমরা ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন দিয়ে একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছি, যা আরামকোকে লক্ষ্য করেছে। এই আক্রমণটি সুনির্দিষ্ট ও সরাসরি ছিল এবং আগুন ধরে গেছে কারখানায়।"
এই যুদ্ধের পরিস্থিতি তীব্র হয়েছে, কারণ ২০২২ সালের একটি দুর্বল শান্তি চুক্তি জুলাই মাসে ভেঙে গিয়েছে। মধ্যসেপ্টেম্বরে হুথিরা মোচা বন্দর শহর এবং বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইটের গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলো দখল করে নিয়েছিল, যা বৈশ্বিক তেল পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট। যুদ্ধের কারণে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ইয়েমেনে যুদ্ধ শুরু হয় ২০১৪ সালে যখন হুথিরা সানায় দখল করে নেয় এবং ইয়েমেনি সরকারকে আদেনে পলায়ন করতে বাধ্য করে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রিয়াদ, সৌদি আরব (আরামকো কারখানা), ইয়ানবু বন্দর, মোচা বন্দর, মক্কা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: Yahya Saree (হুথি সামরিক মুখপাত্র), Colonel Majed Abdullah al-Nazili (ইয়েমেনের স্বীকৃত সরকারের মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৭টি সুনির্দিষ্ট হামলা, ২৬০ হুথি যুদ্ধবন্দী, ৪৪টি সামরিক যানবাহন ধ্বংস/অক্ষম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!