📌 জার্মানির ইতিহাসে একটি অদ্ভুত ঘটনা নতুন মোড় নিচ্ছে। ১৯৩১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মিউনিখে হিটলারের সৎভাগনি অ্যাঞ্জেলা রাউবালের মৃত্যুতে নতুন নথি প্রকাশের পর প্রশ্ন উঠেছে: তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন কি হিটলার তাঁকে হত্যা করেছিলেন? ইতিহাসবিদদের নতুন তথ্য এ ঘটনায় নতুন আলো ফেলছে
জার্মানির ইতিহাসে একটি অদ্ভুত ঘটনার নতুন মোড় নিচ্ছে। ১৯৩১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মিউনিখে হিটলারের সৎভাগনি অ্যাঞ্জেলা রাউবালের মৃত্যুতে নতুন নথি প্রকাশের পর প্রশ্ন উঠেছে: তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন কি হিটলার তাঁকে হত্যা করেছিলেন? ইতিহাসবিদদের নতুন তথ্য এ ঘটনায় নতুন আলো ফেলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৩১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মিউনিখে হিটলারের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে অ্যাঞ্জেলা রাউবালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, কিন্তু সরকারি নথিতে তারিখ ছিল ১৯ সেপ্টেম্বর
- 📌 ইতিহাসবিদ হ্যারল্ড স্যান্ডনারের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মৃত্যু নিবন্ধনে লেখা ছিল ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০:১৫ — যা হিটলারের নুরেমবার্গ যাত্রার আগের দিন
- 📌 অ্যাঞ্জেলা ছিলেন হিটলারের সৎভাগনি, যাকে তিনি নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং সম্ভবত যৌন সম্পর্কও ছিল
- 📌 পুলিশের কর্মচারী জর্জ উইন্টার দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকলে দেখেন মেঝেতে রক্তাক্ত মরদেহ
- 📌 ৯৫ বছর পর নতুন নথি প্রকাশের পর ইতিহাসবিদরা মনে করছেন, হিটলার সম্ভবত নিজের সৎভাগনিকে হত্যা করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
১৯৩১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মিউনিখের একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে অ্যাঞ্জেলা রাউবালের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। মেয়েটি বয়স ২৩ বছর। বুকে গুলি লেগে মারা গিয়েছিলেন তিনি। পুলিশের তদন্তে বলা হয়েছিল, অ্যাঞ্জেলা আত্মহত্যা করেছিলেন। কিন্তু ভুক্তভোগীর পরিচয় শুনলে ঘটনাটি আর সাধারণ মনে হয় না। অ্যাঞ্জেলা ছিলেন জার্মানির নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারের সৎভাগনি। হিটলারের সৎবোন অ্যাঞ্জেলা ফ্রান্সিসকা জোয়ান্নার বড় মেয়ে ছিলেন তিনি। অ্যাডলফ হিটলার ও অ্যাঞ্জেলা হিটলারের বাবা একজন, মা ভিন্ন। অ্যাঞ্জেলা রাউবাল ছিলেন হিটলারের খুবই ঘনিষ্ঠ।
হিটলার তখন জার্মানিতে পরিচিতি পেতে শুরু করেছিলেন, কিন্তু ক্ষমতার কেন্দ্রে যেতে পারেননি। ইতিহাসবিদদের মতে, হিটলার ভাগনির প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। অ্যাঞ্জেলার প্রতি হিটলারের আচরণ ক্রমেই ‘অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমূলক ও অধিকারবোধপূর্ণ’ হয়ে উঠেছিল। আবার অনেকে মনে করেন, মামা ও ভাগনির এই সম্পর্কে ‘যৌনতা’ ছিল। তবে এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।
সাম্প্রতিককালে ইতিহাসবিদ হ্যারল্ড স্যান্ডনার নতুন নথি উদ্ধার করেছেন। মিউনিখের সরকারি মৃত্যু নিবন্ধনের নথিতে দেখা যায়, অ্যাঞ্জেলার মৃত্যু হয়েছিল ১৯৩১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০:১৫ মিনিটে। এছাড়াও আর্কাইভে পাওয়া দুটি মৃত্যুসংবাদও এই তথ্য সাক্ষ্য দিচ্ছে। যদি এই তথ্য সত্য হয়, তাহলে এত দিন মানুষ যেটা জানত, তারও প্রায় বিপরীত প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।
"মিউনিখের সরকারি মৃত্যু নিবন্ধনের নথিতে সময়টি স্পষ্ট উল্লেখ আছে: ১৯৩১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর, সকাল ১০টা ১৫ মিনিট।"
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে হিটলার মিউনিখ ছেড়ে নুরেমবার্গের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। আর অ্যাঞ্জেলার মরদেহ পাওয়া গিয়েছিল ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে। কিন্তু নতুন নথি থেকে জানা যায়, মৃত্যু হয়েছিল ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে। এতে প্রশ্ন উঠেছে, হিটলার কি নিজের সৎভাগনিকে হত্যা করেছিলেন?
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিউনিখ, জার্মানি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডলফ হিটলার, অ্যাঞ্জেলা রাউবাল, জর্জ উইন্টার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৫ বছর, ১৯৩১, ২৩ বছর, ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১০:১৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!