📌 ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হওয়ার পর হেবরনে ইসরায়েলি বাহিনী বড় অভিযান শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন, হামলাকারীদের বাসস্থান ধ্বংস করা হবে এবং পশ্চিম তীরে সম্পূর্ণ লকডাউন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে
ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলের হেবরন শহরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। শুক্রবার রাতে এই অভিযান ঘোষণা করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। তারা এই অভিযানকে ‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হেবরনে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত দুই ইসরায়েলি সেনার প্রতিশোধে ইসরায়েলি বাহিনী বড় অভিযান শুরু করেছে
- 📌 অভিযানের লক্ষ্য: সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংস ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন, হামলাকারীদের বাসস্থান ধ্বংস করা হবে
- 📌 পশ্চিম তীরে সম্পূর্ণ লকডাউনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, তবে নির্বাচনের সময় আগে থেকেই লকডাউন ছিল
- 📌 অভিযানে অংশ নিচ্ছে আইডিএফ, শিন বেত, সীমান্ত পুলিশ ও বেসামরিক প্রশাসন
- 📌 বাসিন্দারা তিনটি নির্দিষ্ট পথ দিয়ে বের হতে পারবেন, সন্দেহজনক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে
📰 বিস্তারিত
ফিলিস্তিনের ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে শুক্রবার রাতে ইসরায়েলি বাহিনী বড় অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযান শুরু হয় দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর। আইডিএফ জানিয়েছে, এই অভিযানের লক্ষ্য সন্ত্রাসী অবকাঠামো ও অস্ত্রশস্ত্র ধ্বংস করা এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা। তারা বলেছে, “সন্ত্রাসী অবকাঠামো ও অস্ত্রশস্ত্র খুঁজে রেব করে তা ধ্বংস করার লক্ষ্যে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় সুনির্দিষ্ট ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালানো হচ্ছে।”
অভিযানে অংশ নিচ্ছে আইডিএফ, শিন বেত, সীমান্ত পুলিশ ও বেসামরিক প্রশাসন। আইডিএফ আরও জানিয়েছে, অভিযানটি শুধু সেই এলাকাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে যেখানে সন্ত্রাসীরা কার্যক্রম চালিয়েছে। এই অভিযান কয়েকদিন ধরে চলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাসিন্দারা বের হওয়ার জন্য তিনটি নির্দিষ্ট পথ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে তল্লাশির সময় যেকেউ সন্দেহজনক আচরণ করলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।
শুক্রবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, হেবরন শহরে একটি তল্লাশি চৌকিতে দায়িত্বরত দুই ইসরায়েলি সেনাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুই ফিলিস্তিনি বন্দুকধারী। এই বন্দুকধারীদের বাড়ি শনাক্ত করে ধ্বংস অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। হেবরন শহর এবং এর কাছাকাছি ফিলিস্তিনি শহর ও গ্রামগুলোতে ‘লকডাউন’ জারি করা হয়েছে। বাহিনীটি আরও জানিয়েছে, গুলিবর্ষণের ঘটনার এলাকায় তারা এমন সব ‘অবৈধ কাঠামো’ ভেঙে ফেলেছে যেগুলো ‘নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে’।
"সন্ত্রাসী অবকাঠামো ও অস্ত্রশস্ত্র খুঁজে রেব করে তা ধ্বংস করার লক্ষ্যে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় সুনির্দিষ্ট ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালানো হচ্ছে।"
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, “যেখানে ওই বন্দুকধারী বাস করত ইসরায়েলে ওই পুরো এলাকাটি ধ্বংস করে দেবে। তিনি আরও জানান, তিনি পশ্চিম তীরজুড়ে সম্পূর্ণ লকডাউনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনের সময় সোম ও মঙ্গলবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে পশ্চিম তীরে আগে থেকেই লকডাউনের কথা রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হেবরন, ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীর
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (প্রধানমন্ত্রী), ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীরা, ইসরায়েলি সেনা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (নিহত ইসরায়েলি সেনা), ৩ (বের হওয়ার পথ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!