📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হেবরনের শিশুদের স্বপ্নের ছবি: যুদ্ধের ভয় থেকে মুক্তি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা

হেবরনের শিশুদের স্বপ্নের ছবি: যুদ্ধের ভয় থেকে মুক্তি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফিলিস্তিনের হেবরন শহরে একটি শিল্প কেন্দ্রে শিশুরা ছবি আঁকতে আসে। তারা যুদ্ধের ভয় ও সহিংসতার মধ্যেও স্বাধীনতা ও স্বপ্নের কথা প্রকাশ করে। শিল্পী সারা আবু মাদির উদ্যোগে এই কেন্দ্রে প্রতি সপ্তাহে ৬০০ শিশু অংশ নেয়

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে একটি স্বতন্ত্র শিল্প কেন্দ্র শিশুদের মন থেকে ভয় ও সহিংসতার ছায়া দূর করতে সাহায্য করছে। এই কেন্দ্রের নাম ‘রোমমানা’ (ডালিম), যেখানে শিশুরা রং-তুলি দিয়ে তাদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও সামরিক চেকপয়েন্টের কারণে এলাকাটি শিশুদের জন্য একটি কঠিন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **হেবরনের ‘রোমমানা’ কেন্দ্রে** প্রতি সপ্তাহে **৬০০ শিশু** অংশ নেয়, তাদের আঁকা ছবি বাইরে পৌঁছেছে কানাডা ও মেক্সিকোর প্রদর্শনীতে
  • 📌 **১০ বছর বয়সী তালিয়া** পাখির মতো মুক্তি পাওয়ার স্বপ্নের ছবি আঁকেন, বলেন: ‘আমরা চাই যুদ্ধের ভয় মুছে যাক’
  • 📌 **১১ বছর বয়সী কারাম** বলেন, ইসরায়েলি বসতির কারণে তার নানার জমি দখল করা হয়েছে, সেখানে গেলে তাকে ধরে নিয়ে যায় সেনা
  • 📌 **শিল্পী সারা আবু মাদি** জানান, শিশুদের আঁকা ছবি তাদের মনে করিয়ে দেয় যে ‘তোমরা স্বপ্ন দেখতে পারো’
  • 📌 **ইসরায়েল ১৯৬৭ সাল থেকে** পশ্চিম তীর দখল করে রেখেছে, জাতিসংঘের মতে এসব বসতি অবৈধ

📰 বিস্তারিত

হেবরনের ওয়াদি আল-সামেন এলাকায় অবস্থিত ‘রোমমানা’ কেন্দ্রটি শিশুদের মনখুলে কথা বলতে উৎসাহিত করে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিযান বা সহিংসতার ঘটনা ঘটলে শিশুদের জিজ্ঞাসা করা হয়, তাদের কেমন লেগেছে। তাদের স্বপ্নের জীবন কেমন হতে চায়, সেটাও জানতে চাওয়া হয়। এরপর শিশুদের রং-তুলি দেওয়া হয়, এবং তারা আঁকা ছবির মাধ্যমে তাদের অভিজ্ঞতা ও আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে।

শিল্পী সারা আবু মাদি ২০২০ সালে এই কেন্দ্র শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘ছবি আঁকার মাধ্যমে শিশুরা তাদের ভয় ও অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে। আমরা তাদের মনে করিয়ে দেই যে তারা স্বাধীনভাবে স্বপ্ন দেখতে পারে।’ শিশুদের আঁকা একটি ছবিতে দেখা যায় তিনজন শিশু বিশাল ঘোড়ার পিঠে বসে ওড়ার আনন্দ নিচ্ছে, যা চেকপয়েন্টের বন্দিজীবন থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রতীক।

সারা আবু মাদির লক্ষ্য, এই কেন্দ্রের কাজের পরিধি আরও বাড়িয়ে এলাকার প্রায় **৩ হাজার শিশু**কে পৌঁছানো। ইতিমধ্যে কানাডায় শিশুদের এই ছবির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং মেক্সিকোতে আরেকটি প্রদর্শনী পরিকল্পনা চলছে।

"আমরা চাই যুদ্ধের ভয় মুছে যাক। স্বাধীনতা আসুক। আমরা যেন নিজেদের মতো করে মনের আনন্দে বাঁচতে পারি।" — **১০ বছর বয়সী তালিয়া সাবাহ**

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হেবরন শহর, পশ্চিম তীর, ফিলিস্তিন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিল্পী সারা আবু মাদি, তালিয়া সাবাহ (১০), কারাম সাবাহ (১১)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০ শিশু (প্রতি সপ্তাহ), ৩ হাজার (লক্ষ্য), ১৯৬৭ (ইসরায়েল দখল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖