📌 হজ এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) দাবি করেছে, সৌদি সরকার হজ কার্যক্রম শেষে তাদের আইবিএএন-এ থাকা ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল আটকে দিয়েছে। চিকিৎসা ব্যয়ের নামে এই অর্থ দাবি করা অবৈধ বলে জানিয়েছে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার
সৌদি আরবে হজ কার্যক্রম শেষে বাংলাদেশের হজ এজেন্সিগুলোর আইবিএএন-এ আটকে থাকা ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এই অর্থ আটকে দিয়েছে বলে দাবি করেছে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার। তিনি বলেছেন, চিকিৎসা ব্যয়ের নামে এই অর্থ দাবি করা হচ্ছে, যা হজ চুক্তির বাইরে এবং অবৈধ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল আটকে পড়েছে হজ এজেন্সিগুলোর আইবিএএন-এ সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের কর্তৃক।
- 📌 চিকিৎসা ব্যয়ের নামে দাবি করা হচ্ছে এই অর্থ, যা হজ চুক্তিতে উল্লেখ নেই বলে দাবি করেছে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার।
- 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনে হাবের নেতারা এই দাবি জানান। সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ারসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
- 📌 বাংলাদেশ সরকার ও হাবের কোনো পূর্বের চুক্তিতে এই অর্থের দাবি ছিল না বলে জানান ফরিদ আহমেদ মজুমদার।
- 📌 হজযাত্রীদের চিকিৎসা ব্যয়ে এই অর্থ দাবি করা হবে না বলে দাবি করেছেন হাবের মহাসচিব।
📰 বিস্তারিত
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি হোটেলে হজ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এই সম্মেলনে বলেন, ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এজেন্সিগুলোর আইবিএএন হিসাবে থাকা অর্থ দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়ায় সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় প্রায় ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল আটকে দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, চিকিৎসা ব্যয়ের নামে এই অর্থ দাবি করা হয়েছে, যা আগে থেকে কোনো চুক্তিতে উল্লেখ করা ছিল না।
ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, এই বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তিনি সৌদি সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে আটকে থাকা অর্থ দ্রুত ছাড় করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কোনো হজযাত্রী এই অর্থ পরিশোধ করবেন না। সরকারের উদ্যোগে বিষয়টির সমাধান না হলে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আপৎকালীন তহবিল থেকে অর্থ পরিশোধের দাবি জানান তিনি।
হাবের মহাসচিবের ভাষ্য, হজযাত্রীরা এই অর্থ পরিশোধ করবেন না এবং এজেন্সিগুলোর পক্ষেও এত বড় অঙ্কের অর্থ বহন করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এই অর্থ আটকে রাখা হজ চুক্তির বাইরে এবং অবৈধ।
"২০২৬ সালের হজ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এজেন্সিগুলোর আইবিএএন হিসাবে থাকা অর্থ দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়ায় সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় প্রায় ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল আটকে দিয়েছে। চিকিৎসা ব্যয়ের নামে এই অর্থ দাবি করা হয়েছে, যা আগে থেকে কোনো চুক্তিতে উল্লেখ করা ছিল না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরব (হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়), বাংলাদেশ (নয়াপল্টন, রাজধানী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরিদ আহমেদ মজুমদার (হাবের মহাসচিব), সৈয়দ গোলাম সরওয়ার (হাবের সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল, ২৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!