📌 গ্রিস ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সহযোগিতা চাইছে ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে। লিবিয়া ও মিসর হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ক্রিট দ্বীপে অভিবাসীদের আগমন বৃদ্ধির কারণে ঢাকার সহযোগিতা বাড়াতে চায় এথেন্স
গ্রিস ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চাইছে ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে। বিশেষ করে লিবিয়া ও মিসর হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ক্রিট দ্বীপে অভিবাসীদের প্রবেশ বন্ধে ঢাকার সহযোগিতা বাড়াতে চায় গ্রিস। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিট দ্বীপে এক হাজারাধিক অভিবাসী পৌঁছেছে, যার মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদেরও উল্লেখযোগ্য অংশ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গ্রিস ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সহযোগিতা চাইছে ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে
- 📌 ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত গ্রিসে অভিবাসীদের মোট আগমন ৬২ হাজার থেকে কমে ৪২ হাজারে নেমেছে
- 📌 লিবিয়ায় পাঁচ লাখের বেশি শরণার্থী ও অভিবাসী অবস্থান করছেন, যাদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদেরও উল্লেখযোগ্য অংশ রয়েছে
- 📌 বাংলাদেশি নাগরিকরা উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে মিসরের কায়রো এবং লিবিয়ার বেনগাজি ও ত্রিপোলি হয়ে ইউরোপে যাতায়াত করছেন
- 📌 অভিবাসীদের পরিচয় শনাক্তকরণ এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে চার্টার ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও গ্রিসের মধ্যে সমন্বয় চলছে
- 📌 ক্রিট দ্বীপটি গ্রিসে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে আলোচিত, তবে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা না পাওয়ায় সমুদ্রপথ নিয়ন্ত্রণ জটিল
📰 বিস্তারিত
গ্রিক সংবাদমাধ্যম কাথিমেরিনির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে ক্রিট দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের ইয়ারাপেত্রা এলাকায় এক হাজারাধিক অভিবাসী অবতরণ করেছেন। এ ঘটনায় উত্তর আফ্রিকা থেকে ক্রিটে আসার সমুদ্রপথ নিয়ে গ্রিক কর্তৃপক্ষের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে লিবিয়া থেকে ক্রিটে পৌঁছানোর রুটটি এখনো গ্রিসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়।
২০২৫ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত গ্রিসে অভিবাসীদের মোট আগমন প্রায় ৬২ হাজার থেকে কমে ৪২ হাজারে নেমেছে। তবে লিবিয়া থেকে ক্রিটে পৌঁছানোর রুটটি এখনো গ্রিসের জন্য উদ্বেগের বিষয়। লিবিয়ায় পাঁচ লাখের বেশি শরণার্থী ও অভিবাসী অবস্থান করছেন, যার মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদেরও উল্লেখযোগ্য অংশ রয়েছে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের উত্তর আফ্রিকায় যাওয়ার যাত্রাপথ নিয়ন্ত্রণে ঢাকার সহযোগিতা চাইছে গ্রিস ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে মিসরের কায়রো এবং লিবিয়ার বেনগাজি ও ত্রিপোলি হয়ে যাতায়াতের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে গ্রিক কর্তৃপক্ষের। এছাড়াও অভিবাসীদের পরিচয় শনাক্তকরণ এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে চার্টার ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও গ্রিসের মধ্যে সমন্বয় চলছে।
গ্রিক কর্তৃপক্ষের বিবেচনায়, কিছু বাংলাদেশি নাগরিক আকাশপথে লিবিয়ায় পৌঁছে সেখান থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। এ পরিস্থিতিতে অনিয়মিত অভিবাসন মোকাবিলায় বাংলাদেশ, উপসাগরীয় দেশ ও উত্তর আফ্রিকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে চায় গ্রিস ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
"উত্তর আফ্রিকা থেকে সমুদ্রপথে অভিবাসীদের আগমনের কারণে ক্রিট দ্বীপটি গ্রিসে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না পাওয়ায় সমুদ্রপথে যাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও অনিয়মিত প্রবেশ ঠেকানোর প্রচেষ্টা জটিল হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ক্রিট দ্বীপ (গ্রিস), লিবিয়া, মিসর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্রিস ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০০+ অভিবাসী (ক্রিট দ্বীপে), ৬২ হাজার → ৪২ হাজার (গ্রিসে অভিবাসী আগমন), ৫ লাখ+ শরণার্থী (লিবিয়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!