📌 বিশ্ববাজারে তেলের দাম মঙ্গলবার ১০৬.৭৭ ডলারে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত ৪৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে সরবরাহে অনিশ্চয়তা থাকায় দাম বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
বিশ্ববাজারে তেলের দাম মঙ্গলবার টানা দ্বিতীয় দিনে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১০৬.৭৭ ডলারে উঠেছে, যা ১.৪৯ ডলার বা ১.৪ শতাংশ বৃদ্ধি। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত ১৯৮২ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে, যা ৪৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে তেল সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা থাকায় দাম বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১০৬.৭৭ ডলারে উঠেছে, যা ১.৪৯ ডলার বা ১.৪ শতাংশ বৃদ্ধি
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত ২৮ কোটি ৩৮ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা ১৯৮২ সালের পর সর্বনিম্ন
- 📌 সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল রপ্তানি বেড়ে সেপ্টেম্বরে দৈনিক ১ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেল
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নতুন আলোচনার উদ্যোগ নিচ্ছে, কিন্তু হরমুজ প্রণালির অবস্থা অবনতির আশঙ্কা
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল বিক্রির বিধিনিষেধ শিথিল করার পরিকল্পনা করছে
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা। কেসিএম ট্রেডের প্রধান বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানি বাড়ছে, কিন্তু স্বাভাবিক পদ্ধতিতে আসছে না। জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তর করার মতো বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা ব্যয়বহুল এবং কার্যকর নয়। ফলে তেলের দাম কমছে না বরং বাড়ছে।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল রপ্তানি বাড়ার ফলে সেপ্টেম্বরে মোট রপ্তানি দৈনিক ১ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে, যা গত ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ। তবে হরমুজ প্রণালির অবস্থা অবনতির আশঙ্কা থাকায় তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নতুন আলোচনার উদ্যোগ নিচ্ছে, কিন্তু ইরানের কর্মকর্তারা হরমুজ প্রণালির অবস্থা অবনতির আগে সমঝোতা করার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত কমে ২৮ কোটি ৩৮ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা ১৯৮২ সালের পর সর্বনিম্ন। এই মজুত কমার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংকট মোকাবিলায় কৌশলগত মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়ার কারণে। এখন এই মজুত ভরতে বিশ্ববাজার থেকে তেল কিনতে শুরু করলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।
"উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানি বাড়ছে—বিষয়টি এখন কিছুটা স্পষ্ট। তবে বাড়তি সরবরাহের বড় অংশই এখনো স্বাভাবিক পদ্ধতিতে আসছে না। জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের মতো বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করতে হচ্ছে। এসব পদ্ধতি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল; এগুলোর কার্যকারিতাও কম। ফলে তেলের দাম কমছে না, বরং উল্টো বাড়ছে।" — টিম ওয়াটারার, কেসিএম ট্রেডের প্রধান বিশ্লেষক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্ববাজার, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য, হরমুজ প্রণালি, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টিম ওয়াটারার, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৬.৭৭ ডলার (ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম), ২৮ কোটি ৩৮ লাখ ব্যারেল (যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মজুত), ১ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেল (সেপ্টেম্বরে তেল রপ্তানি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!