📌 যুক্তরাষ্ট্রের সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ও মার্কিন-ইরানি আলোচনার আশায় বিশ্ববাজারে সোনার দাম ০.৬% বেড়ে প্রতি আউন্স ৪৩০৩.১৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে সপ্তাহে সোনার দাম ১.৭% পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। মার্কিন ডলারের হ্রাস ও উৎসব মৌসুমের আগে ভারতে সোনার চাহিদা বেড়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা বৃদ্ধি ও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক সুদহার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা বিশ্ববাজারে সোনার দামে প্রভাব ফেলেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪৩০৩.১৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে সপ্তাহে সোনার দাম সামগ্রিকভাবে ১.৭ শতাংশ পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৬% বেড়ে প্রতি আউন্স ৪৩০৩.১৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু সপ্তাহে ১.৭% পতন হয়েছে
- 📌 মার্কিন গোল্ড ফিউচার ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪৩৩৯ ডলারে স্থির হয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা আলোচনা চলছে, যা তেলের দামে হ্রাস এনে সোনার বাজারকে কিছুটা স্থিতিশীল করেছে
- 📌 ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা (৭১% অক্টোবরে, ৯৫% ডিসেম্বরে) বিনিয়োগকারীদের সোনা ধরে রাখার সুযোগ-ব্যয় বাড়িয়েছে
- 📌 ভারতে উৎসব মৌসুমের আগে সোনার চাহিদা সামান্য বেড়েছে, আর মার্কিন ডলারের ০.৩ শতাংশ হ্রাস সোনা ক্রয় সহজ করেছে
- 📌 অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতে সিলভার ১.৪% বেড়ে ৬৪.৮২ ডলার, প্ল্যাটিনাম ১.৭% বেড়ে ১৭৭৭.৩৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু প্যালাডিয়াম ০.৪% কমে ১২৬৯.৭৭ ডলারে নেমেছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা বৃদ্ধি ও ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক সুদহার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা বিশ্ববাজারে সোনার দামে প্রভাব ফেলেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪৩০৩.১৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে সপ্তাহে সোনার দাম সামগ্রিকভাবে ১.৭ শতাংশ পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। মার্কিন গোল্ড ফিউচার ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪৩৩৯ ডলারে স্থির হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা আলোচনা চলছে, যা তেলের দামে হ্রাস এনে সোনার বাজারকে কিছুটা স্থিতিশীল করেছে। ট্রেডইউ ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবোরাস বলেছেন, মার্কিন ফেডের সুদহার বৃদ্ধি ও বন্ডের মুনাফা বাড়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের কাছে সোনা ধরে রাখার সুযোগ-ব্যয় বেড়ে গেছে। ফলে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে পতন এড়ানো সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, দীর্ঘ তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো গত সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার ০.২৫ ভাগ বৃদ্ধি করেছিল। শিকাগো মার্চেন্টাইল এক্সচেঞ্জের ‘ফেডওয়াচ’ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেডারদের ধারণা আগামী অক্টোবরে সুদের হার আরও এক দফা বাড়ার সম্ভাবনা ৭১ শতাংশ ও ডিসেম্বরের মধ্যে তা বাড়ার সম্ভাবনা ৯৫ শতাংশ।
বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী ঘাটতির আশঙ্কা থাকলে তা বিনিয়োগকারীদের পুনরায় সোনার মতো নির্ভরযোগ্য ভৌত সম্পদের দিকে ফিরিয়ে আনতে পারে। এদিকে, আগামী উৎসবের মৌসুম সামনে রেখে দাম কিছুটা কমায় চলতি সপ্তাহে পার্শ্ববর্তী ভারতে সোনার চাহিদা সামান্য বেড়েছে। একই সময়ে মার্কিন ডলারের সূচক ০.৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, ফলে অন্যান্য মুদ্রার ধারণকারীদের কাছে ডলার-মূল্যায়িত সোনা ক্রয় সহজলভ্য হয়েছে।
"ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে সমঝোতার আশা জেগে ওঠায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা নিম্নমুখী হয়েছে, যা আজকের দিনে সোনার বাজারকে কিছুটা স্থিতিশীলতা এনে দিয়েছে। তবে মার্কিন ফেড কর্তৃক সুদের হার বৃদ্ধি ও বন্ডের মুনাফা বাড়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের কাছে সুদমুক্ত সম্পদ হিসেবে সোনা ধরে রাখার সুযোগ-ব্যয় বেড়ে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, নিউ ইয়র্ক, ভারতে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিকোস জাবোরাস (ট্রেডইউ ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩০৩.১৯ ডলার (স্পট গোল্ডের দাম), ১.৭% (সপ্তাহে পতন), ৭১% (অক্টোবরে সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা), ৯৫% (ডিসেম্বরে সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!