📌 এল নিনোর কারণে খরা, যুদ্ধের প্রভাব ও পরিবহন বিঘ্নের কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি বছরের শেষ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মিসরে রুটির দাম ২৫% বেড়েছে, ভারতের চিনি ও ইন্দোনেশিয়ার চালের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২২% দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে ছাড়িয়ে গেছে
বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা জাগিয়ে তুলেছে এল নিনোর কারণে খরার আশঙ্কা, যুদ্ধের প্রভাব ও নৌপথে পরিবহন বিঘ্ন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, চলতি বছরের শেষ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত খাদ্যপণ্যের দামে চাপ অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর দরিদ্র জনগোষ্ঠী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মিসরে ভর্তুকিবিহীন রুটির দাম জুলাইয়ের তুলনায় ২৫% বেড়েছে** — খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির একটি স্পষ্ট উদাহরণ।
- 📌 **ভারতে চিনির উৎপাদন কমে যাওয়ায় দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে** — বিশ্ববাজারে চিনি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করছে।
- 📌 **ইন্দোনেশিয়ায় চালের দাম ইতোমধ্যে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে** — এশিয়ার প্রধান রপ্তানিকারক দেশগুলোর চালের দাম ১০ থেকে ১৩ শতাংশ বেড়েছে।
- 📌 **২০২৬ সালে গমের দাম ৩০% এর বেশি বেড়েছে** — কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে শস্য পরিবহনে হামলা ও হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি ও সার সরবরাহে বিঘ্নের কারণে।
- 📌 **বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১৫০টি দেশের মধ্যে ২২% দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে ছাড়িয়ে গেছে** — যা গত বছরের তুলনায় ৮% বৃদ্ধি।
- 📌 **জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) খাদ্যমূল্য সূচক বেড়ে ১৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে** — যা ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ।
📰 বিস্তারিত
বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ১৫০টি দেশের মধ্যে ২২ শতাংশ দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে ছাড়িয়ে গেছে। আগের প্রান্তিকে এ হার ছিল মাত্র ১৪ শতাংশ। এফএও-এর খাদ্যমূল্য সূচক বেড়ে ১৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এল নিনোর কারণে খরার আশঙ্কা, যুদ্ধের প্রভাব ও নৌপথে পরিবহন বিঘ্নের কারণে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে।
কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে শস্য পরিবহনে হামলা, লোহিত সাগরে নিরাপত্তাঝুঁকি এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি ও সার সরবরাহে বিঘ্ন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ও স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়নের কারণে ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৭ সাল পর্যন্ত খাদ্যপণ্যের দামে চাপ অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
"বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ১৫০টি দেশের মধ্যে ২২ শতাংশ দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে ছাড়িয়ে গেছে। আগের প্রান্তিকে এ হার ছিল ১৪ শতাংশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী (ভারত, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, এশিয়া, কৃষ্ণসাগর, লোহিত সাগর, হরমুজ প্রণালি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিশেষজ্ঞরা, ভোক্তাদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫%, ১৫০টি, ২২%, ১৪%, ১৩৬ পয়েন্ট, ৩০%, ১০-১৩%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!