📌 ইরান-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী ডিজেল সরবরাহে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম গ্যালনপ্রতি ৬ ডলারের উপরে উঠেছে, যা এক বছর আগের তুলনায় ৭৬% বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৭ সাল পর্যন্ত সরবরাহ সংকটের চাপ থাকতে পারে এবং ডিজেলের দামে আরো বৃদ্ধি হতে পারে
বিশ্বব্যাপী ডিজেল সংকটের কারণে জ্বালানির দাম রেকর্ড পর্যায়ে উঠেছে এবং এই সংকটের প্রভাব ২০২৭ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ইরান-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়া থেকে ডিজেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানির ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং কৃষি, পরিবহন ও উৎপাদন খাতের ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম গ্যালনপ্রতি ৬ ডলারের উপরে উঠেছে, যা ২১ সেপ্টেম্বর ৬.৫১ ডলারে পৌঁছেছে — এক বছর আগের তুলনায় ৭৬% বেশি
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ১১ সেপ্টেম্বর ডিজেলের মজুদ সর্বনিম্ন ১০৭.৯ মিলিয়ন ব্যারেলে নেমে গেছে, যা ১৯৮২ সাল থেকে রেকর্ড করা সর্বনিম্ন পর্যায়
- 📌 বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিক পর্যন্ত ডিজেল সরবরাহ সংকটের চাপ থাকতে পারে
- 📌 ইরান ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়া থেকে ডিজেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে
- 📌 ডিজেলের দামে বৃদ্ধির কারণে কৃষি, পরিবহন ও উৎপাদন খাতের ব্যয় বাড়ছে, যা শেষ পর্যন্ত খাদ্য ও পণ্য দামেও প্রভাব ফেলতে পারে
📰 বিস্তারিত
ইরান ও ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়া থেকে ডিজেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এই সংকটের ফলে বিশ্বব্যাপী ডিজেলের দাম রেকর্ড পর্যায়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম গ্যালনপ্রতি ৬ ডলারের উপরে উঠেছে, যা ২১ সেপ্টেম্বর জাতীয় গড় দাম ৬.৫১ ডলারে পৌঁছেছে। এক বছর আগের তুলনায় এটি প্রায় ৭৬ শতাংশ বেশি।
ডিজেলের দামে এই বৃদ্ধির কারণে কৃষক, ট্রাকচালকসহ ডিজেলনির্ভর ব্যবসার ব্যয় বাড়ছে। পরিবহন ব্যয় বাড়ায় এর প্রভাব পণ্য সরবরাহ, উৎপাদন ও ভোক্তা পর্যায়ের দামেও পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকটের প্রভাব ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিক পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (EIA) পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষভাগ এবং ২০২৭ সালের বেশিরভাগ সময়ও ডিজেলের মজুদ পাঁচ বছরের গড়ের নিচে থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ১১ সেপ্টেম্বর ডিজেলের মজুদ সর্বনিম্ন ১০৭.৯ মিলিয়ন ব্যারেলে নেমে গেছে, যা ১৯৮২ সাল থেকে রেকর্ড করা সর্বনিম্ন পর্যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিশোধনাগার ও জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থায় ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক সরবরাহ ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে। চীনের বাড়তি ডিজেল রপ্তানি ও উচ্চ পরিশোধন মুনাফা কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে ইরান বা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আরও অবনতি কিংবা বড় কোনো পরিশোধনাগার বন্ধ হয়ে গেলে জ্বালানির দাম আবারও বাড়তে পারে।
"ডিজেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানির ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই সংকটের প্রভাব ২০২৭ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য, রাশিয়া, ইউক্রেন, উত্তর আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বাজার বিশ্লেষকরা (নাম উল্লেখ করা হয়নি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬.৫১ ডলার (ডিজেলের গ্যালনপ্রতি দাম), ৭৬% (বৃদ্ধি), ১০৭.৯ মিলিয়ন ব্যারেল (ডিজেলের মজুদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!