📌 গাজায় সশস্ত্র বিরতির ঘোষণার পর থেকে প্রতি ৯০ মিনিটে একজন ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হচ্ছেন। এক বছরে ১,৪৫৪ জন নিহত ও ৫,০০০-এরও বেশি আহত হয়েছে, যার মধ্যে ৩২০ জন শিশু। সহায়তা সংস্থা ইসলামিক রিলিফ বলছে, বাস্তবে বিরতি নেই এবং ফিলিস্তিনিদের বসতি ও জনবহুল এলাকায় লক্ষ্য করে হামলা চলছে।
গাজায় সশস্ত্র বিরতির ঘোষণার পর থেকে প্রতি ৯০ মিনিটে একজন ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হচ্ছেন। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সহায়তা সংস্থা ইসলামিক রিলিফের তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে গাজায় অন্তত ১,৪৫৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫,০০০-এরও বেশি আহত হয়েছে। এর মধ্যে ৩২০ জন নিহত শিশু, যা প্রায় প্রতিদিন এক জন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিরতির পর থেকে ১,৪৭১ জন নিহত এবং ৫,১৮৯ জন আহত হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় চারজন নিহত ও ২৮ জন আহত হয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, অক্টোবর ২০২৩ সাল থেকে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৭৪,২৫৪ জন নিহত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজায় সশস্ত্র বিরতির ঘোষণার পর প্রতি ৯০ মিনিটে একজন ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হচ্ছেন — ইসলামিক রিলিফের তথ্য অনুযায়ী
- 📌 এক বছরে গাজায় ১,৪৫৪ জন নিহত ও ৫,০০০-এরও বেশি আহত, যার মধ্যে ৩২০ জন শিশু
- 📌 ইসরায়েলের 'ইয়েলো লাইন' এলাকায় ৬৫% ফিলিস্তিনি বসতি থেকে বিতাড়িত, বাকি ৩৫% এলাকায় ২১ লাখেরও বেশি মানুষ জমা হয়েছে
- 📌 গাজার ৮২% ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংসপ্রাপ্ত, স্বাস্থ্য সেবার অর্ধেক বন্ধ, ২০,০০০-এরও বেশি গুরুতর রোগী চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত
- 📌 ইসরায়েল শরণার্থী শিবির ও জনবহুল এলাকায় লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে, ফলে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) ইসরায়েলি বাহিনী গাজার ডের আল-বালাহের দক্ষিণ-পূর্ব এলাকায় একজন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। অন্যদিকে, খান ইউনিসের কেন্দ্রীয় এলাকায় একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে, জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা। পাশাপাশি, অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইয়ামুন এলাকায় ইসরায়েলি অভিযানে ১৩ বছর বয়সী একটি শিশুকে পায়ে গুলি করা হয়েছে, জানিয়েছে ফিলিস্তিনি লাল চাঁদ সমিতি।
ইসলামিক রিলিফের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল 'ইয়েলো লাইন' নামক এলাকাকে ব্যবহার করে গাজার ৬৫% এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করেছে। এতে গাজার প্রায় ২১ লাখ লোক বাকি ৩৫% এলাকায় জমা হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ইসরায়েল শরণার্থী শিবির ও জনবহুল এলাকায় লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে, ফলে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
ইসলামিক রিলিফের একটি সহায়তা কর্মী (নাম প্রকাশ করা হয়নি) বলেছেন, “বাস্তবে বিরতি নেই। তারা শরণার্থী শিবির ও জনবহুল এলাকায় লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তাই এখনও অনেক ভয় রয়েছে।” সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ইসরায়েল শরণার্থী শিবির, আশ্রয়স্থল, চিকিৎসা সরঞ্জাম, জ্বালানি এবং চিকিৎসা সরবরাহ ব্লক করে রেখেছে। গাজার ৮২% ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংসপ্রাপ্ত, স্বাস্থ্য সেবার অর্ধেক বন্ধ এবং ২০,০০০-এরও বেশি গুরুতর রোগী চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
"বাস্তবে বিরতি নেই। তারা শরণার্থী শিবির ও জনবহুল এলাকায় লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তাই এখনও অনেক ভয় রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা (ডের আল-বালাহ, খান ইউনিস), পশ্চিম তীর (ইয়ামুন)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ইসলামিক রিলিফের সহায়তা কর্মী (নাম প্রকাশ করা হয়নি), ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ফিলিস্তিনি লাল চাঁদ সমিতি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১,৪৫৪ জন নিহত, ৫,০০০+ আহত, ৩২০ শিশু নিহত, ৭৪,২৫৪ জন মোট নিহত (অক্টোবর ২০২৩ থেকে), ২১ লাখ লোক জমা, ৮২% ভবন ক্ষতিগ্রস্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!