📌 গাজা পটভূমিতে ৩৬ বছর বয়সী হিবা মুস্বাহের স্তনক্যান্সারে আটটি কেমোথেরাপি সেশনের মধ্যেও তার অবস্থা ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে। যুদ্ধ ও ব্লকেডের কারণে চিকিৎসা সরবরাহে বাধা পড়ায় রোগীরা মৃত্যুর মুখে পড়ছেন
গাজা পটভূমির দের এল-বালাহে বসবাসকারী ৩৬ বছর বয়সী হিবা মুস্বাহের স্তনক্যান্সার চিকিৎসায় আটটি কেমোথেরাপি সেশনের মধ্যেও তার শারীরিক অবস্থা ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে। তিনি বলেছেন, ‘আমি আর আগের মতো আমার তিন সন্তানের যত্ন নিতে পারি না। আমার ছেলে এখন আমার একমাত্র সহায়তা’। তার স্বামী মোতাজের হৃদরোগের কারণে পরিবারের ভার আরও বাড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **হিবা মুস্বাহ** (৩৬) গাজার দের এল-বালাহের বাসিন্দা, যিনি ইতিমধ্যে **৭টি কেমোথেরাপি** পেয়েছেন এবং **৮ম সেশনের জন্য প্রস্তুত**। তার অবস্থা ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে কারণ **আন্তর্জাতিক চিকিৎসা পেতে অনুমতি না পাওয়ায়** তিনি গাজা থেকে বের হতে পারছেন না।
- 📌 **ইসরায়েলের যুদ্ধ ও ব্লকেড** কারণে **নাসের হাসপাতালে** (খান ইয়ুনিস) **২ মাসেরও বেশি সময় ধরে** স্তনক্যান্সার সার্জারি করা সম্ভব হয়নি। হিবা বলেছেন, “**ট্যাঙ্কের গুলিতে আঘাত পেয়ে** আমি মারা যেতে পারতাম, তাই আমি সার্জারি বিলম্বিত করেছি”।
- 📌 **কেমোথেরাপি ও চিকিৎসা সরবরাহে ৭ মাসের বিলম্ব** হয়েছিল কারণ **মেডিসিন ও সরঞ্জামের অভাব**। এছাড়া **রেডিওথেরাপি ও ডায়াগনস্টিক মেশিনের অভাবে** রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছেন না।
- 📌 **১৫০ শেকেল (প্রায় ৪৮ ডলার)** খরচে **স্বতন্ত্র হাসপাতালে সিটি স্ক্যান** করা সম্ভব, কিন্তু হিবা অর্থের অভাবে করতে পারছেন না। **৩ মাসেরও বেশি সময় ধরে** তিনি কোনো স্ক্যান পাননি।
- 📌 **গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়** জানায়, **যুদ্ধের আগে প্রতি বছর ৩৬০ জন নারী** স্তনক্যান্সারে আক্রান্ত হতেন। কিন্তু বর্তমানে **চিকিৎসা ব্যবস্থার ধ্বংস** এবং **ইসরায়েলের ব্লকেড** রোগীদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছে।
📰 বিস্তারিত
হিবা মুস্বাহের স্তনক্যান্সারের লক্ষণ **২০২৪ সালের জানুয়ারিতে** দেখা যায়। কিন্তু **ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে** তিনি প্রথমে চিকিৎসা নিতে অস্বীকার করেন। তার মা তাকে চাপ দিলে ডাক্তাররা ক্যান্সার নিশ্চিত করেন। তবে **সার্জারি করার জন্য ২ মাসেরও বেশি সময় লেগে যায়** — কারণ **নাসের হাসপাতালে ইসরায়েলি আক্রমণের কারণে** সার্জনরা কাজ করতে পারছিলেন না। তিনি বলেন, “**বোমা বর্ষণের সময়** আমি সার্জারি করতে পারিনি। শেষবার **ট্যাঙ্কের গুলিতে আঘাত পেয়ে** আমি মারা যেতে পারতাম, তাই আমি সার্জারি বিলম্বিত করেছি”।
কেমোথেরাপিও **৭ মাসেরও বেশি সময় ধরে** বিলম্বিত হয়েছিল কারণ **হাসপাতালে মেডিসিনের অভাব** ছিল। বর্তমানে তিনি **পিঠ, পা, কাঁধ, চোখে ব্যথা** অনুভব করছেন এবং **হাত-পায়ের ক্ষতি** হয়েছে। তিনি বলেন, “**আমি যদি আগে চিকিৎসা পেতাম, এত খারাপ অবস্থায় পড়তাম না**। কিন্তু **চিকিৎসা বিলম্বের কারণে** আমার অবস্থা আরো জটিল হয়েছে”।
হিবা **২ বছর ধরে** গাজা থেকে বের হয়ে **বিশেষ চিকিৎসা পেতে** চান, কিন্তু **ইসরায়েলের অনুমতি না পাওয়ায়** তিনি যেতে পারছেন না। তিনি বলেন, “**আমি চিকিৎসা নিতে চাই, সুস্থ হতে চাই**। আমি আগের মতোই ফিরে আসতে চাই”।
"আমি আর আগের মতো আমার তিন সন্তানের যত্ন নিতে পারি না। আমার ছেলে এখন আমার একমাত্র সহায়তা"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দের এল-বালাহ, গাজা পটভূমি
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: হিবা মুস্বাহ (৩৬), মোতাজ (হৃদরোগে আক্রান্ত), নাসের হাসপাতালের ডাক্তাররা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬০ (প্রতি বছর গাজায় স্তনক্যান্সার আক্রান্ত নারী), ৭ (কেমোথেরাপি সেশনের সংখ্যা), ১৫০ শেকেল (সিটি স্ক্যানের খরচ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!