📌 গাজা যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ৭৫ জনের শব্দাবশেষ উদ্ধার পাওয়ার পর তাদের শোকসভার আয়োজন করা হয়। এদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন নিরীহ নারী ও শিশু যারা বাড়িতে থাকাকালীন লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলেন। গাজার সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, এখনওও ৮০০০-এরও বেশি শব্দাবশেষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছে
গাজা যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ৭৫ জনের শব্দাবশেষ উদ্ধার পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে শেখ রাদওয়ান কবরস্থানে তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন নিরীহ নারী ও শিশু যারা বাড়িতে থাকাকালীন লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলেন। আল জাজীরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই শোকসভার আয়োজন করা হয় গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে। শত শত পরিবার ও বন্ধু-বান্ধব তাদের শেষ পথে অনুসরণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজার ডারাজ এলাকার ধ্বংসস্তূপ থেকে ৭৫ জনের শব্দাবশেষ উদ্ধার পাওয়ার পর তাদের শোকসভার আয়োজন করা হয় শেখ রাদওয়ান কবরস্থানে
- 📌 উদ্ধারকৃত শব্দাবশেষের অধিকাংশই ছিল নারী ও শিশুদের যারা বাড়িতে থাকাকালীন লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলেন
- 📌 গাজার সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, এখনওও ৮০০০-এরও বেশি শব্দাবশেষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছে
- 📌 গাজায় ২০০,০০০-এরও বেশি ভবন ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, যার মধ্যে অনেকটাই বোমা হামলায় ধ্বংস হয়েছে
- 📌 গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন বছরে ৭৪,৪৭৫ জনেরও বেশি প্যালেস্টাইনির মৃত্যু হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই ৭৫ জনের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন ডারাজ এলাকার বাসিন্দা। আল জাজীরার প্রতিনিধি নূর খালেদের তথ্য অনুযায়ী, এই শব্দাবশেষের অধিকাংশই ছিল নারী ও শিশুদের যারা বাড়িতে থাকাকালীন লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলেন। শব্দাবশেষের মধ্যে ছিল শরীরের কিছু অংশ এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তি, যা প্যালেস্টাইনীয় পতাকা দিয়ে আবৃত ছিল।
গাজার সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল-মাজদালাউই বলেছেন, এই শব্দাবশেষগুলি সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, এই বাড়িগুলি যুদ্ধের প্রাথমিক মাসগুলিতে বোমা হামলায় ধ্বংস হয়েছিল এবং এতে প্রায় ২০টি প্যালেস্টাইনীয় পরিবারের সদস্য নিহত হয়েছিল, যার মধ্যে অনেকেই ছিল বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি যারা এই বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, শব্দাবশেষ উদ্ধার করার প্রচেষ্টায় যন্ত্রপাতির অভাবে এবং ভারী যন্ত্রপাতির অভাবের কারণে ব্যাপক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সিভিল ডিফেন্সের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্ধার কার্যক্রম জুলাই মাসে শুরু হয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে নভেম্বর ২০২৫ সালে ৩৩৩ জনের শব্দাবশেষ এবং ৫৫৯ জনের শব্দাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছিল।
"যারা তাদের বাড়িতে থাকাকালীন লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা, ডারাজ এলাকা, শেখ রাদওয়ান কবরস্থান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূর খালেদ (আল জাজীরা প্রতিনিধি), আব্দুল্লাহ আল-মাজদালাউই (গাজার সিভিল ডিফেন্স পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ জন শব্দাবশেষ, ৮০০০-এরও বেশি আটকে থাকা শব্দাবশেষ, ২০০,০০০-এরও বেশি ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন, ৭৪,৪৭৫ জন মৃত্যু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!