📌 ইসরায়েলের সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী গাদি আইজেনকটের জীবন ও কর্মজীবনের ১০টি উল্লেখযোগ্য তথ্য জানা গেছে। মরক্কান অভিবাসী পরিবারের সন্তান হিসেবে বেড়ে ওঠা আইজেনকট ইসরায়েলের প্রথম মিজরাহি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। গাজা যুদ্ধে তার পরিবারও ভয়াবহ ক্ষতির শিকার হয়েছে
ইসরায়েলের রাজনীতিতে বেনজামিন নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আলোচিত হচ্ছেন সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকট। নেতানিয়াহুর পদত্যাগের পর তিনি পরবর্তী সরকার গঠনের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আগ্রহী। বিশ্ববাসীর প্রশ্ন: নেতানিয়াহুর চেয়ে কি আইজেনকট পৃথিবীর জন্য কম ক্ষতিকর হবে? তার জীবন ও কর্মজীবনের ১০টি উল্লেখযোগ্য তথ্য জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মরক্কান অভিবাসী পরিবারের সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬০ সালের ১৯ মে ইসরায়েলের তিবেরিয়াসে গাদি আইজেনকট। তাঁর বাবা-মা মরক্কো থেকে ইসরায়েলে অভিবাসী হিসেবে এসেছিলেন।
- 📌 লোহিত সাগরের তীরের শহর আইলাততে বেড়ে ওঠেন তিনি। বাবা তামার খনিতে কাজ করতেন, মা ছিলেন গৃহিণী।
- 📌 পড়াশোনায় যন্ত্র ও নৌবিদ্যার ঝোঁক ছিল। তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও হাইফা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি ওয়ার কলেজেও পড়াশোনা করেছেন।
- 📌 সামরিক জীবনে পরিচিতি পান প্রথম লেবানন যুদ্ধে। ১৯৮৪ সালে বিয়ে করেন হানার সাথে। তাদের পাঁচ সন্তান, দুই ছেলে ও তিন মেয়ে।
- 📌 গাজা যুদ্ধে নিহত হন ছেলে ও ভাতিজা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ২৫ বছর বয়সী ছেলে গাল আইজেনকট যুদ্ধে মারা যান। এর কিছুদিন পর দুই ভাতিজাও প্রাণ হারান।
- 📌 নেতানিয়াহুর বিপরীতে সাধারণ ব্যক্তিত্ব। দামি স্যুটের বদলে কালো টি-শার্ট ও জিনস পরিধান করেন।
- 📌 সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে কঠোর হলেও ব্যক্তিগত জীবনে ঘরোয়া। অবসর সময়ে নাতি-নাতনিদের সঙ্গে সময় কাটান। বর্তমানে হার্জলিয়ায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন।
- 📌 পদবি ভুলে গিয়েছিল সরকারি নথিতে। আদি পদবি ছিল আজেনকট, কিন্তু মরক্কো থেকে আসার সময় পদবি লিখতে ভুল করে আইজেনকট হয়ে যায়।
- 📌 ইসরায়েলের প্রথম মিজরাহি সেনাপ্রধান হিসেবে ২০১৫-২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- 📌 রাজনৈতিক দলের নাম রাখেন ‘ইয়াশার’। হিব্রু ভাষায় এর অর্থ ‘সোজাসাপটা’ বা ‘সত্যনিষ্ঠ’।
📰 বিস্তারিত
গাদি আইজেনকটের জীবন ও কর্মজীবন ইসরায়েলের সামরিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করেছে। মরক্কান অভিবাসী পরিবারের সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণকারী তিনি ইসরায়েলের প্রথম মিজরাহি ইহুদি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বাবা-মা মরক্কো থেকে ইসরায়েলে অভিবাসী হিসেবে আসার পর, সরকারি নথিতে পদবি লিখতে এক কর্মচারী ভুল করে ‘আজেনকট’ পরিবর্তে ‘আইজেনকট’ লিখে ফেলেন। এই ভুলই পরে তাঁর পরিবারের স্থায়ী পদবি হয়ে যায়।
আইজেনকটের সামরিক জীবন শুরু হয় লোহিত সাগরের তীরের শহর আইলাত থেকে। বাবা তামার খনিতে কাজ করতেন, মা ছিলেন গৃহিণী। পড়াশোনায় যন্ত্র ও নৌবিদ্যার প্রতি তার ঝোঁক ছিল। তিনি তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও হাইফা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি ওয়ার কলেজেও কৌশলগত বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন।
সামরিক জীবনে তিনি প্রথম লেবানন যুদ্ধে পরিচিতি পান। ১৯৮৪ সালে তিনি হানার সাথে বিয়ে করেন। তাদের পাঁচ সন্তান, দুই ছেলে ও তিন মেয়ে। গাজা যুদ্ধের সময় তাঁর পরিবারও ভয়াবহ ক্ষতির শিকার হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তাঁর ২৫ বছর বয়সী ছেলে গাল আইজেনকট যুদ্ধে নিহত হন। এর কিছুদিন পর তাঁর দুই ভাতিজাও প্রাণ হারান।
"নেতানিয়াহুর পরিশীলিত জনপরিচয়ের বিপরীতে আইজেনকটকে দেখা যায় সাধারণ ব্যক্তিত্বের। দামি স্যুটের বদলে কালো টি-শার্ট ও জিনস পরিধান করে তিনি বেশি স্বচ্ছন্দ হন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তিবেরিয়াস (ইসরায়েল), লোহিত সাগরের তীরের শহর আইলাত, হার্জলিয়া (ইসরায়েল), মরক্কো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গাদি আইজেনকট, বেনজামিন নেতানিয়াহু, হানা আইজেনকট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৬০ (জন্মবছর), ১৯ (মে), ২৫ (ছেলের বয়স), ১০ (তথ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!