📌 ফ্রান্সে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শ্রমিকের যৌথ বিক্ষোভে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে। প্যারিস-মার্শেইয়ে সহিংসতা বৃদ্ধি পেলেও আগের তুলনায় কম সহিংসতা দেখা গেছে। সরকারের তথ্য অনুযায়ী ৮৯১টি স্কুল বন্ধ, ২ লাখ ৫০ হাজার বিক্ষোভকারী অংশ নিয়েছেন
ফ্রান্সে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শ্রমিকের যৌথ বিক্ষোভে পুলিশের কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেশজুড়ে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভের মাধ্যমে তাদের দাবি তুলে ধরেছেন। প্যারিসের প্লাস দে লা রিপুব্লিক থেকে শত শত শিক্ষার্থী মিছিল বের করে স্কুলের জন্য অর্থ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশের ‘দমনমূলক আচরণ’ কমানোরও তারা দাবি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্সে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শ্রমিকের যৌথ বিক্ষোভে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে প্যারিস-মার্শেইয়ে।
- 📌 সরকারের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ২১৫ জন শিক্ষার্থী, ৮৫ জন স্কুলকর্মী ও ৭১৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
- 📌 ৮৯১টি হাই-স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে — মোট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ।
- 📌 শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলোর দাবি, বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার। সরকারের তথ্য অনুযায়ী ২ লাখ ৫০ হাজার।
- 📌 মঙ্গলবার ১ হাজার ৮শ'টি উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা প্রবেশপথ অবরোধ করে ‘অ্যাক্ট থ্রি’ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু অভিযোগ করেছেন, কট্টর-বামপন্থি দল ফ্রান্স আনবোড ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি’ করার চেষ্টা করছে।
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে। এতে হাই-স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তাদের অভিভাবক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা। পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ছুড়া এবং জলকামান ব্যবহারের প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা শহরের বিভিন্ন সড়কে মিছিল বের করেছেন। প্যারিসের প্লাস দে লা রিপুব্লিক থেকে শত শত শিক্ষার্থী মিছিল বের করে স্কুলের জন্য অর্থ ও সুযোগ-সুবিধা বরাদ্দ এবং পুলিশের ‘দমনমূলক আচরণ’ কমানোর দাবি জানিয়েছেন।
লিওনে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। প্যারিস-মার্শেইয়ে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়লে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছেন। মার্শেইয়ের এক শিক্ষার্থী আলিসা বলেছেন, ‘আমাদের বেশিরভাগই সহিংস নই। আমরা রাস্তায় নেমেছি, কারণ আমাদের স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্কুলগুলোর অবস্থা ভেঙে পড়ছে।’ তার বন্ধু সাশা বলেছেন, ‘ভালো পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত আমরা এভাবেই চালিয়ে যাব।’
শিক্ষা মন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে বলেছেন, ‘চরম সহিংসতাপ্রবণ কিছু গোষ্ঠী’ উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তিনি স্কুল অবরোধের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু কট্টর-বামপন্থি দল ফ্রান্স আনবোডকে আগামী সাত মাসের মধ্যে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার’ অভিযোগ করেছেন।
"আমাদের স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্কুলগুলোর অবস্থা ভেঙে পড়ছে। ভালো পদক্ষেপ নেওয়া না পর্যন্ত আমরা এভাবেই চালিয়ে যাব।"
"চরম সহিংসতাপ্রবণ কিছু গোষ্ঠী’ উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্স (প্যারিস, লিওন, মার্শেই, রেনে)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলিসা (শিক্ষার্থী), সাশা (শিক্ষার্থী), সেবাস্তিয়েন লেকর্নু (প্রধানমন্ত্রী), এদুয়ার জেফ্রে (শিক্ষা মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১৫ জন শিক্ষার্থী আহত, ৮৫ জন স্কুলকর্মী আহত, ৭১৫ জন পুলিশ আহত, ৮৯১টি স্কুল বন্ধ, ২ লাখ ৫০ হাজার বিক্ষোভকারী (সরকারের তথ্য), ৪ লাখ ৫০ হাজার বিক্ষোভকারী (শিক্ষার্থীদের দাবি), ১ হাজার ৮শ'টি স্কুল অবরোধ করা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!