📌 ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু বুধবার শ্রমিক সংগঠনদের সাথে বৈঠক করবেন বিক্ষোভের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে। আগামী শনিবার বিক্ষোভের জন্য পুলিশ মোতায়েন ও কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে। ইউরোজোনের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে সংঘর্ষের পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে
ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু বুধবার (২১ অক্টোবর) শ্রমিক সংগঠনগুলোর সাথে বৈঠক করবেন বিক্ষোভের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করতে। ইউরোজোনের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে গত সপ্তাহের সংঘর্ষের পর নতুন বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এই বিক্ষোভের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে পাঁচটি শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী লেকর্নু
- 📌 বিক্ষোভের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে
- 📌 আগামী শনিবার জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলন ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভের আয়োজন করছে
- 📌 ৫ নভেম্বর আরেকটি বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি
- 📌 প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে আংশিক কারফিউ জারি করা হয়েছে, প্রয়োজন হলে মঙ্গলবার নতুন করে কারফিউ ঘোষণা করা হবে
- 📌 গত সপ্তাহে সংঘর্ষে পেট্রোল বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে
- 📌 লিমুজ শহরের ঐতিহাসিক টাউন হল পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জার্মানিসহ বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে
- 📌 প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফায় কট্টর ডানপন্থী প্রার্থী মেরিন ল্য পেনের পছন্দের তালিকায় ব্যবধান রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু বুধবার (২১ অক্টোবর) পাঁচটি শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করবেন। বৈঠকে বিক্ষোভের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হবে। লেকর্নু জানিয়েছেন, কেউ কেউ বিক্ষোভকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।
গত সপ্তাহের সংঘর্ষের পর ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী নতুন বিক্ষোভের জন্য পুলিশ মোতায়েন ও কারফিউ ঘোষণা করেছেন। আগামী শনিবার জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলন ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভের আয়োজন করছে। এছাড়া শ্রমিক সংগঠনগুলো আগামী ৫ নভেম্বর আরেকটি বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
গত সপ্তাহে সংঘর্ষের পর যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জার্মানিসহ বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে। সংসদে ক্ষুব্ধ আইনপ্রণেতাদের মুখোমুখি হয়ে লেকর্নু স্বীকার করেছেন, নিরাপত্তাব্যবস্থা প্রত্যাশা পূরণ করেনি। তিনি নতুন দফার বিক্ষোভের আগে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
লেকর্নু বলেছেন, ‘আগামী শনিবার বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হবে’। ফরাসি কর্তৃপক্ষ সোমবার প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে আংশিক কারফিউ জারির ঘোষণা দিয়েছেন। প্রয়োজন হলে মঙ্গলবার নতুন করে কারফিউ জারি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টা থেকে প্যারিসের মধ্য-পূর্বাঞ্চলের রিপাবলিক স্কয়ার ও কেন্দ্রস্থলের লে আল শপিং এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি ভবনগুলোর কাছাকাছি শঁজেলিজে সড়ক ও রেলস্টেশনগুলোতে জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
গত সপ্তাহান্তে বিক্ষোভকারীরা সরকারি ভবন ও দোকানে আগুন দেয়ার পর প্যারিস পুলিশ সাময়িকভাবে পেট্রোল বা গ্যাসভর্তি ক্যান ও বোতল বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। লিমুজ শহরের ঐতিহাসিক টাউন হল পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অতি-বামপন্থীদের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহ করা এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই ঘটনা সহিংসতার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
"আগামী শনিবার বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হবে।" — প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্স (প্যারিস, লিমুজ, ফ্রান্সের বিভিন্ন শহর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর, মেরিন ল্য পেন, জ্যঁ-লুক মেলঁশোঁ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ অক্টোবর, ৫ নভেম্বর, ৯টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!