📌 ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সরকারি সেবার মান খারাপ হওয়ার প্রতিবাদে সাড়ে ৮ লাখ মানুষের বিক্ষোভে প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে সংঘর্ষ, লুটপাট ও ভবনে আগুন লাগায়। পুলিশ ১২০০ জনকে গ্রেফতার করে, ১৫০ জন পুলিশ আহত হয়। শিক্ষার্থী আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়ে দেশটিতে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।
ফ্রান্সের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভে সাড়ে ৮ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ১২০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার এবং ভবনে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু জানিয়েছেন, এই অস্থিরতায় ১৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সরকারি সেবার মান খারাপ হওয়ার প্রতিবাদে সাড়ে ৫ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৮ লাখ মানুষের বিক্ষোভে প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে সংঘর্ষ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
- 📌 পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ১২০০ জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করা হয়।
- 📌 প্যারিসের কেন্দ্রস্থলে দাঙ্গায় ভবনে আগুন লাগায়, লিমোজ শহরের টাউন হলের ছাদ ধসে পড়ে।
- 📌 দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সাঁ-এতিয়েনে বিস্ফোরণে এক তরুণের হাত উড়ে যায়।
- 📌 শিক্ষার্থী আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়ে দেশটিতে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে দাঙ্গার পরিস্থিতি তৈরি হয়। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দেশজুড়ে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ রাস্তায় নামে। তবে শ্রমিকদের অধিকার ও দাবি আদায়ে কাজ করা সংগঠন সিজিটি ইউনিয়ন জানায়, তাদের ধারণা অনুযায়ী এই দিনে প্রায় ৮ লাখ মানুষ বিক্ষোভ করেছে। প্যারিসে সন্ধ্যা পর্যন্ত দাঙ্গা পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের বড় ধরনের সংঘর্ষে পরিণত হয়। পুলিশ ভিড়ের ওপর কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে।
বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছু গোষ্ঠী শান্তিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করলেও, দিনের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে কিছু গোষ্ঠী রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে দেয় এবং যানবাহন পুড়িয়ে ফেলে। শহরের কেন্দ্রস্থলে ‘প্লাস দে লা রিপাবলিক’ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতেও লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশকে একটি জনসমাবেশের দিকে ধেয়ে যেতে এবং লাঠি দিয়ে বেশ কয়েকজনকে আঘাত করতে দেখা যায়।
লিমোজ শহরে টাউন হলের বড় অগ্নিকাণ্ডে ভবনটির ছাদের একাংশ ধসে পড়ে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সাঁ-এতিয়েনে একটি ছোট বিস্ফোরণে এক তরুণের হাত উড়ে যায়। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, কিছু বিদ্বেষপরায়ণ ব্যক্তি দমকলকর্মীদের নিরাপদে আগুন নেভানোর কাজে বাধা দেয়।
"এটি আমাদের হৃদয় ভেঙে দিয়েছে, কারণ এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সুপরিচিত একটি ঐতিহাসিক ভবন।"
লিমোজ শহরের টাউন হলের মেয়র গ্রেগরি ডুসেট বিবিসিকে বলেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্সের প্যারিস, লিমোজ, সাঁ-এতিয়েন, গ্রেনোবল, লিল, মার্সেই, রেন, তুলুজ, অঁজের
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু, লিমোজ শহরের মেয়র গ্রেগরি ডুসেট, সাঁ-এতিয়েনের মেয়র রেজি জুয়ানিকো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০০ জন গ্রেফতার, ১৫০ জন পুলিশ আহত, ৫ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৮ লাখ বিক্ষোভকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!