📌 ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে দেশব্যাপী প্রতিবাদে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ১৬৬ জন গ্রেফতার হয়। প্রতিবাদকারীরা দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে, যেখানে স্কুলের অবস্থা খারাপের কারণে উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা সড়কে নেমেছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমাক্রোনের আহ্বান সত্ত্বেও সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।
ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে সোমবার (১৭ অক্টোবর) দেশব্যাপী প্রতিবাদে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ১৬৬ জন গ্রেফতার হয়। প্রতিবাদকারীরা মূলত দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে, যেখানে উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা স্কুলের খারাপ অবস্থার কারণে সড়কে নেমেছে। পুলিশের সাথে সংঘর্ষে প্যারিসের প্লেস ডি লা রেপাবলিক এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় হাজির হয়ে তারা গ্যাসের গোলা ছুঁড়ে প্রতিবাদকারীদের পিছনে ধাক্কা দেয়। মাস্ক এবং কপোলে লুকিয়ে থাকা প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই পদক্ষেপে দশকোটি মানুষেরও বেশি অংশগ্রহণকারী প্রতিবাদে ৩২,৮০০ জনেরও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্সের ১৪০টি প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী ৩২,৮০০ জনেরও বেশি, যার মধ্যে ১৬৬ জন গ্রেফতার হয়েছে
- 📌 প্যারিসের প্লেস ডি লা রেপাবলিকে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে গ্যাসের গোলা ব্যবহৃত হয়
- 📌 মার্সেলের শহর হল এবং লিওনের পর্যটন অফিসে আগুন লাগানো হয়
- 📌 উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা স্কুলের অবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, যার মধ্যে একটি ১৫ বছর বয়সী মেয়ে হাত হারিয়েছে
- 📌 ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমাক্রোনের আহ্বান সত্ত্বেও প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার মধ্যদিন পর্যন্ত দেশব্যাপী ১৪০টি প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবাদকারীদের মধ্যে অনেকেই পেট্রোল, খাদ্য এবং অন্যান্য দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন। প্যারিসের প্লেস ডি লা রেপাবলিকে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে গ্যাসের গোলা ব্যবহৃত হয়। প্রতিবাদকারীদের মধ্যে অনেকেই কপোলে লুকিয়ে ছিল। মার্সেলের শহর হল এবং লিওনের পর্যটন অফিসে আগুন লাগানো হয়।
উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা স্কুলের অবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, যার মধ্যে একটি ১৫ বছর বয়সী মেয়ে হাত হারিয়েছে। এই ঘটনাগুলো সত্ত্বেও, অনেক প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ ছিল, যেখানে ইউনিয়ন, শিক্ষক এবং সাধারণ নাগরিকরা সড়কে নেমে এসেছেন। ফ্রান্সের ‘জল্ট ভেস্ট’ প্রতিবাদকারীরা (২০১৮ সালে জীবনযাপনের খরচের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী) এই প্রতিবাদে যোগ দেবার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমাক্রোন সোমবার সকালে প্রতিবাদের আগে ব্রুসেলসে বলেছিলেন, “প্রতিবাদ এবং নিজের মত প্রকাশের একটি সংবিধানগত অধিকার রয়েছে। কিন্তু এই অধিকারের সাথে সম্মান করার প্রয়োজন রয়েছে। মানুষের প্রতি, সম্পত্তির প্রতি এবং অবশ্যই অবমাননা বা ধ্বংস করার মতো কোনো প্রতিশ্রুতি নেই।”
"জল্ট ভেস্ট"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্সের প্যারিস, মার্সেল, লিওন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমাক্রোন, প্রতিবাদকারীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২,৮০০ জন প্রতিবাদকারী, ১৬৬ জন গ্রেফতার, ১৪০টি প্রতিবাদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!