📌 যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এমপি পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে লন্ডনের হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস আসনের প্রতিনিধিত্ব করার পর তিনি রাজনীতি থেকে সরে আসছেন বলে জানান
যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও লেবার পার্টির সাবেক নেতা কিয়ার স্টারমার এমপি পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি লন্ডনের হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস আসনের এমপি পদ ত্যাগের কথা জানান। স্টারমার তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, গ্রীষ্মকালীন সময়ে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার সুযোগ পেয়েছেন এবং এখন দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার উপযুক্ত সময় বলে মনে হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এমপি পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন
- 📌 লন্ডনের হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস আসনের এমপি হিসেবে দীর্ঘ ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেন তিনি
- 📌 পদত্যাগের পর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ে আরও মনোযোগ দেবেন বলে জানান
- 📌 রাজনীতি থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হলেও পার্লামেন্ট সদস্য পদ ত্যাগ করছেন স্টারমার
- 📌 নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ও লেবার সরকারকে পূর্ণ সমর্থন জানান তিনি
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে আলোচিত ব্যক্তিত্ব কিয়ার স্টারমার এমপি পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। ফেসবুকে প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস আসনের প্রতিনিধিত্ব করা তাঁর জন্য সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয় ছিল। স্টারমার বলেন, গ্রীষ্মকালীন সময়ে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার সুযোগ পেয়েছেন এবং এখন দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার উপযুক্ত সময় বলে মনে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এমপি পদ ত্যাগ করলেও রাজনীতি থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হচ্ছেন না। আগামী দিনে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও প্রযুক্তির মতো বিষয়ে কাজ করতে চান বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে নারী ও কন্যাশিশুদের ওপর সহিংসতা মোকাবিলায় দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসা কাজ অব্যাহত রাখবেন বলেও জানান স্টারমার।
পেশায় আইনজীবী স্টারমার রাজনীতিতে নাম লেখানোর আগে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ডিরেক্টর অব পাবলিক প্রসিকিউশনস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল লেবার পার্টির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং দলকে পুনর্গঠন করে ২০২৪ সালের ৪ জুলাইয়ের নির্বাচনে জয়লাভ করান। পরদিন ৫ জুলাই তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
"আমার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়ে অর্থনীতি স্থিতিশীল করা, সরকারি সেবায় বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং শিশু দারিদ্র্য কমানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিয়ার স্টারমার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর, ৪ জুলাই, ৫ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!