📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজা যুদ্ধের শরণার্থী শিশুদের জন্য মিসরের উপকূলীয় শহরে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র ফিলিস্তিনি স্কুলের গল্প

গাজা যুদ্ধের শরণার্থী শিশুদের জন্য মিসরের উপকূলীয় শহরে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র ফিলিস্তিনি স্কুলের গল্প

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজা যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত শিশুদের জন্য মিসরের উত্তর সিনাই এল-আরিশে ফিলিস্তিনি শিক্ষক হাদিল জুরোব প্রতিষ্ঠা করেছেন একমাত্র বিনামূল্যের স্কুল। বর্তমানে ৪০০ শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করছে, যেখানে শুরুতে মাত্র ১৫০ জন ছিল

গাজা যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হাজারো ফিলিস্তিনি শিশুর জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছেন মিসরের একটি ফিলিস্তিনি শিক্ষক। মিসরের উত্তর সিনাই অঞ্চলের উপকূলীয় শহর এল-আরিশে গাজার সীমান্ত থেকে ৪৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্কুলটি বর্তমানে গাজা যুদ্ধের শরণার্থী শিশুদের একমাত্র শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিসরের উত্তর সিনাই এল-আরিশে গাজা যুদ্ধের শরণার্থী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একমাত্র ফিলিস্তিনি স্কুল
  • 📌 বর্তমানে স্কুলে ৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে, যেখানে শুরুতে মাত্র ১৫০ জন ছিল
  • 📌 শিক্ষক হাদিল জুরোব নিজেও গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত, তিনি ২০২৩ সালের অক্টোবরে পরিবারের সাথে মিসরে আসেন
  • 📌 স্কুলের খরচ বহন করছে মিসর এল খেইর ফাউন্ডেশন, যা মিসরের বৃহত্তম দাতব্য সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি
  • 📌 এল-আরিশ শহরটি গাজা থেকে ত্রাণ ও চিকিৎসা সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে

📰 বিস্তারিত

গাজা যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হাজারো ফিলিস্তিনি শিশুর জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছেন মিসরের একটি ফিলিস্তিনি শিক্ষক। মিসরের উত্তর সিনাই অঞ্চলের উপকূলীয় শহর এল-আরিশে গাজার সীমান্ত থেকে ৪৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্কুলটি বর্তমানে গাজা যুদ্ধের শরণার্থী শিশুদের একমাত্র শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।

ফিলিস্তিনি শিক্ষক হাদিল জুরোব নিজেও গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত। তিনি ২০২৩ সালের অক্টোবরে পরিবারের সাথে মিসরে আসেন। জুরোব বলেন, ‘তারা মিসরে পালিয়ে এসে এখানে এমন অবস্থায় পড়েছিল, যেখানে তাদের কোনো স্কুল বা শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল না। তাই আমি তাদের জন্য একটি শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিই।’

শুরুতে জুরোব একটি ভাড়া করা ভবনে অল্পসংখ্যক শিশুকে পড়ানো শুরু করেন। পরে উদ্যোগটি বড় হয়ে একটি বিনামূল্যের স্কুলে পরিণত হয়। বর্তমানে স্কুলে ৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে, যেখানে শুরুতে মাত্র ১৫০ জন ছিল। স্কুলের খরচ বহন করছে মিসর এল খেইর ফাউন্ডেশন, যা মিসরের বৃহত্তম দাতব্য সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি।

এল-আরিশ শহরটি গাজা থেকে ত্রাণ ও চিকিৎসা সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। এই শহরটি গাজার সীমান্ত থেকে ৪৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যেখানে ধুলোময় রাস্তা ও বেশিরভাগ ভবনই নিচু। উত্তর সিনাই একটি প্রত্যন্ত ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা অঞ্চল, যেখানে মিসরের ২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ইসলামপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বহু বছর ধরে নিরাপত্তা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

"তারা মিসরে পালিয়ে এসে এখানে এমন অবস্থায় পড়েছিল, যেখানে তাদের কোনো স্কুল বা শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল না। তাই আমি তাদের জন্য একটি শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিসর, উত্তর সিনাই, এল-আরিশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাদিল জুরোব (ফিলিস্তিনি শিক্ষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ শিক্ষার্থী (বর্তমান), ১৫০ শিক্ষার্থী (প্রথম বছর), ৪৪ কিলোমিটার (গাজা থেকে দূরত্ব)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖