📌 কানাডায় শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনার সরকারের সাজানো মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তার স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বাতিল হয়েছে। নিজেকে 'স্ট্যাটাসবিহীন ভাসমান ব্যক্তি' বলে বর্ণনা করেছেন তিনি
কানাডার টরন্টোতে শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তিনি দাবি করেছেন, শেখ হাসিনার সরকারের আমলে সাজানো মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তার স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। নিজেকে 'স্ট্যাটাসবিহীন ভাসমান ব্যক্তি' বলে বর্ণনা করেছেন তিনি, যিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম অমুসলিম প্রধান বিচারপতি ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কানাডায় শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, যিনি নিজেকে 'স্ট্যাটাসবিহীন ভাসমান ব্যক্তি' বলে বর্ণনা করেছেন
- 📌 শেখ হাসিনার সরকারের আমলে সাজানো মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তার স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (পিআর) বাতিল হয়েছে
- 📌 তার স্ত্রীর কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি রয়েছে, কিন্তু নিজের পিআর অনুমোদিত হলেও পুলিশ প্রতিবেদন না পাওয়ায় কার্ড ইস্যু হয়নি
- 📌 ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি, যিনি ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদ পূরণের আগেই পদত্যাগ করেন
📰 বিস্তারিত
সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (বিচারপতি এস কে সিনহা নামে পরিচিত) বর্তমানে কানাডার টরন্টোতে ছোট মেয়ের সঙ্গে বসবাস করছেন। তিনি জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে সাজানো মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। তার দাবি, এই মামলার কারণে তার কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (পিআর) বাতিল হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমি তো শরণার্থী হিসেবে আছি এখন। কারণ হলো শেখ হাসিনার সরকার আমাকে একটা কনভিকশন দিয়েছিল, একটা সাজানো মামলায়। যার পরিপ্রেক্ষিতে আমি স্ট্যাটাসবিহীন ভাসমান লোক হিসেবে আছি।’
বিচারপতি সিনহা জানান, তার স্ত্রীর কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা পিআর হয়েছে। কিন্তু তার নিজের পিআর অনুমোদিত হলেও পুলিশ প্রতিবেদন না পাওয়ায় কার্ড ইস্যু হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমি কানাডায় স্ট্যাটাসবিহীন একেবারে ভাসমান ব্যক্তি’।
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম অমুসলিম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি তিনি শপথ নেন। তিনি বাংলাদেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার চাকরির মেয়াদ ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি পদত্যাগ করেন।
"আমি তো রিফিউজি হিসেবেই আছি এখন। কারণ হলো শেখ হাসিনার সরকার আমাকে একটা কনভিকশন দিয়েছিল, একটা সাজানো মামলায়। যার পরিপ্রেক্ষিতে আমি স্ট্যাটাসবিহীন একেবারে ভাসমান লোক হিসেবে আছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টরন্টো, কানাডা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (বিচারপতি এস কে সিনহা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৫ (শপথ গ্রহণ), ২১ (তম প্রধান বিচারপতি), ১৭ (জানুয়ারি), ৩১ (জানুয়ারি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!