📌 ডিজেলের দামের দ্রুত বৃদ্ধির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো শুক্রবার জরুরি বৈঠকে মিলবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রফতানি নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা উঠিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু ইউরোপের অর্থনৈতিক চাপ কমাতে ফ্রান্স ও জার্মানিকে তাদের কৌশলগত মজুত খুলতে চাপ দিচ্ছেন। ইরানবিরোধী যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে সঙ্কট সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেছে
ডিজেলের দামের দ্রুত বৃদ্ধির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলো শুক্রবার (২ অক্টোবর) জরুরি বৈঠকে মিলবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের কৌশলগত জ্বালানি মজুত থেকে ডিজেল বাজারে ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে চাপ সৃষ্টি করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে সঙ্কট সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেছে, যা ইউরোপের অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ অক্টোবর জরুরি বৈঠকে মিলবে ইইউ সদস্য দেশগুলো ডিজেল দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রফতানি নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা উঠিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু ইউরোপের অর্থনৈতিক চাপ কমাতে চাপ দিচ্ছেন।
- 📌 মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের কৌশলগত মজুত থেকে ডিজেল অবিলম্বে বাজারে ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
- 📌 ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নিকোলা ফোরিসিয়ের বলেছেন, ফ্রান্স ‘ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান’ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমঝোতা না হয় তাহলে অন্য দেশগুলোর সাথে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের গড় দাম ৭০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে প্রতি গ্যালন ৬ দশমিক ৩৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইইউ সদস্য দেশগুলো ডিজেলের দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য শুক্রবার (২ অক্টোবর) জরুরি বৈঠকে মিলবে। ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বৈঠকটি দিনের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে সঙ্কট সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেছে, যা ইউরোপের অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রফতানি নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন, কিন্তু ইউরোপীয় কমিশনের বাণিজ্যবিষয়ক প্রধান মারোস সেফকোভিচ বলেছেন, এমন সিদ্ধান্ত ইউরোপের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ওপর খুবই গুরুতর প্রভাব পড়বে।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের সাথে আলোচনা হয়নি, তবে আটলান্টিকের দুই পাড়ের অংশীদাররা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেছেন, ‘আমাদের ইউরোপীয় অংশীদারদের বিদ্যমান প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন দ্রুত করতে হবে এবং চলমান সরবরাহ বিঘ্ন মোকাবেলায় অতিরিক্ত জ্বালানি অবিলম্বে বাজারে সরবরাহ করতে হবে’।
ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নিকোলা ফোরিসিয়ের বলেছেন, ‘আমি ভাবতেই পারি না যে ডিজেল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে’। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ উভয় অঞ্চলের জন্য ডিজেলের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, ‘দুই পক্ষই সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে’। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গত ১৮ সেপ্টেম্বর জি৭ নেতাদের নিয়ে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক ডাকবেন, যেখানে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে।
"ইউরোপের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ওপর খুবই গুরুতর প্রভাব পড়বে" — মারোস সেফকোভিচ, ইউরোপীয় কমিশনের বাণিজ্যবিষয়ক প্রধান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপীয় ইউনিয়ন সদস্য দেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মারোস সেফকোভিচ, নিকোলা ফোরিসিয়ের, স্কট বেসেন্ট, জেমিসন গ্রিয়ারের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ অক্টোবর (বৈঠকের তারিখ), ৭০ শতাংশ (ডিজেল দামের বৃদ্ধি), ৬.৩৯ ডলার (ডিজেলের গড় দাম প্রতি গ্যালন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!