📌 ২৫ অক্টোবর রোববার ভোরে ইউরোপের অধিকাংশ দেশে ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে এক ঘণ্টা করা হবে। ২০১৯ সালে বাতিলের প্রস্তাব পাস হলেও সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হওয়ায় এই প্রথা অব্যাহত রয়েছে
২৫ অক্টোবর রোববার ভোরে ইউরোপের অধিকাংশ দেশে স্থানীয় সময় রাত ৩টার পরিবর্তে ২টায় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দেওয়া হবে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে মানুষ এক ঘণ্টা বেশি ঘুমানোর সুযোগ পাবেন এবং সকালে আগে আলো ফুটবে। এই বছরে দ্বিতীয়বারের মতো এই পরিবর্তন ঘটছে, যা ইউরোপে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত একটি প্রথা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোরে ইউরোপের অধিকাংশ দেশে ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে ২টা করা হবে — রাত ৩টার পরিবর্তে ২টায় সেট করা হবে
- 📌 ২০১৯ সালে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে বছরে দুবার ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের প্রথা বাতিলের প্রস্তাব ৪১০-১৯২ ভোটে পাশ হলেও সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হওয়ায় বাস্তবায়িত হয়নি
- 📌 ২০১৮ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৮৪ শতাংশ এই ব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছিলেন
- 📌 জ্বালানি সাশ্রয়ী ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও ১৯৭৬ সালে ফ্রান্সে এবং ১৯৮০ সালে পশ্চিম জার্মানির মতো দেশগুলোতে গ্রীষ্মকালীন সময় চালু করা হয়েছিল
- 📌 যুক্তরাজ্য ও পর্তুগালের মতো কিছু দেশেও এই দিনে ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন করা হবে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে দিবালোক সাশ্রয়ী সময় শেষ হবে ১ নভেম্বর
- 📌 মরক্কো, থাইল্যান্ড, জাপান, আর্জেন্টিনা ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশে মৌসুমি সময় পরিবর্তনের এই ব্যবস্থা নেই
📰 বিস্তারিত
ইউরোপে বছরে দুবার ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের প্রথা ২০১৯ সালে বাতিলের প্রস্তাব পাস হলেও বাস্তবায়িত হয়নি। ২০২১ সাল থেকে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সদস্যদেশগুলোর মধ্যে স্থায়ীভাবে গ্রীষ্মকালীন সময় রাখা বা শীতকালীন সময় চালু রাখার বিষয়ে ঐকমত্য না হওয়ায় প্রস্তাবটি আটকে যায়। মূল বিরোধের জায়গা হলো, স্থায়ীভাবে কোনো সময়ব্যবস্থা কার্যকর হলে পরিবহন, বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়।
২০১৮ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক জনমত জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৮৪ শতাংশ এই ব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছিলেন। এরপর ২০১৯ সালে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে বছরে দুবার ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের প্রথা বাতিলের প্রস্তাব ৪১০-১৯২ ভোটে পাশ হয়। তবে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হওয়ায় এই প্রথা অব্যাহত রয়েছে।
১৯৭৬ সালে তেলসংকটের পর ফ্রান্সে গ্রীষ্মকালীন সময় চালু করা হয়েছিল। পরে ১৯৮০ সালে পশ্চিম জার্মানিসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশও সময়ের সমন্বয় করতে একই ব্যবস্থা গ্রহণ করে। তবে বর্তমানে এই ব্যবস্থার জ্বালানি সাশ্রয়ী ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
২৫ অক্টোবর রোববার ভোরে ইউরোপের অধিকাংশ দেশে স্থানীয় সময় রাত ৩টার পরিবর্তে ২টায় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দেওয়া হবে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে মানুষ এক ঘণ্টা বেশি ঘুমানোর সুযোগ পাবেন এবং সকালে আগে আলো ফুটবে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য ও পর্তুগালেও একই দিনে ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন করা হবে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে দিবালোক সাশ্রয়ী সময় শেষ হবে ১ নভেম্বর।
"বছরে দুবার সময় পরিবর্তনের এই প্রথা ইউরোপজুড়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচিত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপের অধিকাংশ দেশ (যুক্তরাজ্য, পর্তুগাল, ফ্রান্স, জার্মানি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউরোপীয় ইউনিয়নের জরিপ অংশগ্রহণকারীরা (৮৪ শতাংশ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর (রোববার), ৩টা (টার), ২টা (ঘড়ির সময়), ৮৪ শতাংশ (জরিপে সমর্থন), ৪১০-১৯২ (ভোটে প্রস্তাব পাস), ১ নভেম্বর (যুক্তরাষ্ট্রে সময় পরিবর্তন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!