📌 ২৫ অক্টোবর রাত ৩টায় ইউরোপের অধিকাংশ দেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হবে। এই পরিবর্তনটি ২০১৯ সালে বাতিলের সিদ্ধান্তের পরেও বাস্তবায়িত হয়নি। ৮৪% ইউরোপীয়রা এই প্রথা বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছিলেন, কিন্তু সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হওয়ায় বর্তমানে এখনো বছরে দুবার সময় পরিবর্তন করতে হচ্ছে
২৫ অক্টোবর রোববার রাত ৩টায় ইউরোপের অধিকাংশ দেশে স্থানীয় সময়ের ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে ২টা করা হবে। এই পরিবর্তনের ফলে ইউরোপের অধিকাংশ মানুষ এক ঘণ্টা বেশি ঘুমানোর সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে সকালে আগে আলো ফুটবে এবং সন্ধ্যা আগেই নামবে। এই বছরে দ্বিতীয়বারের মতো এই পরিবর্তন ঘটছে, যদিও ২০১৯ সাল থেকে এই প্রথা বাতিলের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ অক্টোবর রাত ৩টায় ইউরোপের অধিকাংশ দেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হবে, ফলে স্থানীয় সময় রাত ২টায় হবে
- 📌 ৮৪ শতাংশ ইউরোপীয় ২০১৮ সালের জরিপে বছরে দুবার সময় পরিবর্তনের প্রথা বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছিলেন
- 📌 ২০১৯ সালে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ৪১০-১৯২ ভোটে প্রস্তাব পাশ হলেও সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হওয়ায় বাস্তবায়িত হয়নি
- 📌 যুক্তরাজ্য ও পর্তুগাল একই দিনে ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন করবে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে পরিবর্তন হবে ১ নভেম্বর
- 📌 মরক্কো, থাইল্যান্ড, জাপান, আর্জেন্টিনা ও দক্ষিণ আফ্রিকা এই ধরনের মৌসুমি সময় পরিবর্তনের প্রথা অনুসরণ করে না
📰 বিস্তারিত
২০১৯ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বছরে দুবার ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের প্রথা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে স্থায়ীভাবে গ্রীষ্মকালীন সময় রাখা বা শীতকালীন সময় চালু রাখার বিষয়ে ঐকমত্য না হওয়ায় প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হয়নি। মূলত পরিবহন, বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা ছিল এই প্রথা বাতিলের প্রধান বাধা। করোনাভাইরাস মহামারি এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের কারণে বিষয়টি রাজনৈতিক অগ্রাধিকার তালিকায় পিছিয়ে পড়ে।
১৯৭৬ সালে ফ্রান্সে প্রথম গ্রীষ্মকালীন সময় চালু করা হয়েছিল। পরে ১৯৮০ সালে পশ্চিম জার্মানিসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশও এই ব্যবস্থা গ্রহণ করে। তবে বর্তমানে এই ব্যবস্থার জ্বালানি সাশ্রয়ী ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইউরোপের অধিকাংশ দেশে গ্রীষ্মকালীন সময় শেষ হলেও যুক্তরাজ্য ও পর্তুগালেও একই দিনে পরিবর্তন করা হবে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে দিবালোক সাশ্রয়ী সময় শেষ হবে ১ নভেম্বর।
২০১৮ সালের ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক জনমত জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৮৪ শতাংশ এই ব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছিলেন। এরপর ২০১৯ সালে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে বছরে দুবার ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের প্রথা বাতিলের প্রস্তাব ৪১০-১৯২ ভোটে পাশ হয়। তবে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হওয়ায় প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হয়নি।
"বিভিন্ন দেশে ভিন্ন সময়ব্যবস্থা কার্যকর হলে পরিবহন, বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হতে পারে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপের অধিকাংশ দেশ (যুক্তরাজ্য, পর্তুগাল, ফ্রান্স, জার্মানি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশের অধিবাসীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর, ৩ টা, ২ টা, ৮৪ শতাংশ, ৪১০ ভোট, ১৯২ ভোট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!