📌 এথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী ঘোষণা করেছে, টিগ্রে জনগণের মুক্তি ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) এর ২৭২ সৈনিক নর্থ ওয়োলো অঞ্চলে প্রতিক্রিয়া হিসেবে নিহত হয়েছেন। এছাড়াও ২৬০ জন আহত ও বেশ কয়েকজন বন্দী হয়েছেন। টিপিএলএফ সহ সাতটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী মিলে গঠিত জোট এথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদের সরকারকে উৎখাতের লক্ষ্যে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে
এথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী ঘোষণা করেছে, টিগ্রে জনগণের মুক্তি ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) এর ২৭২ সৈনিক নর্থ ওয়োলো অঞ্চলে প্রতিক্রিয়া হিসেবে নিহত হয়েছেন। এছাড়াও ২৬০ জন আহত ও বেশ কয়েকজন বন্দী হয়েছেন। এথিওপিয়ান ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টিপিএলএফ এবং তাদের জোটের সৈনিকরা নর্থ ওয়োলো অঞ্চলে আক্রমণ করে, যার ফলে সরকারি বাহিনী প্রতিক্রিয়া হিসেবে জোরদার পদক্ষেপ নেয়। এই অঞ্চলটি টিগ্রে রাজ্যের সাথে সীমান্তবর্তী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৭২ টিপিএলএফ সৈনিক নিহত**: এথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী ঘোষণা করেছে, নর্থ ওয়োলো অঞ্চলে টিপিএলএফের ২৭২ সৈনিক নিহত হয়েছে।
- 📌 **২৬০ জন আহত ও বেশ কয়েকজন বন্দী**: এছাড়াও ২৬০ জন আহত এবং বেশ কয়েকজন বন্দী হয়েছেন।
- 📌 **সরকারের প্রতিক্রিয়া**: সরকারি বাহিনী বলেছে, তাদের প্রতিক্রিয়া হিসেবে টিপিএলএফের সৈনিকদের উপর "ভীষণ ক্ষতি" হয়েছে।
- 📌 **টিপিএলএফ জোটের গঠন**: টিপিএলএফ সহ সাতটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী মিলে গঠিত জোট "ইথিওপিয়ান পিপলস ফোর্সেস অ্যালায়েন্স ফর সার্ভাইভাল" (ইপিএফএএস) গঠন করেছে, যারা প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদের সরকারকে উৎখাতের লক্ষ্যে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে।
- 📌 **এয়ারপোর্ট বন্ধ**: টিপিএলএফের সৈনিকরা লালিবেলা এয়ারপোর্টসহ তিনটি স্থানীয় এয়ারপোর্ট দখল করেছে, যার ফলে উড়ান বন্ধ হয়ে গেছে।
- 📌 **টিপিএলএফের সক্রিয়তা**: টিপিএলএফের সহ-সভাপতি অ্যামানুয়েল আসেফা বলেছেন, "এখন আমরা পুরোপুরি যুদ্ধের অবস্থানে আছি"।
- 📌 **আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া**: এথিওপিয়ার রাষ্ট্রপতি তায়ে আতস্কে-সেলাসি আমদে বলেছেন, এই সংঘাতের পেছনে "বিনাশ ও অশান্তির শক্তি" এবং "আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ" রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
এথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী বলেছে, টিপিএলএফ এবং তাদের জোটের সৈনিকরা নর্থ ওয়োলো অঞ্চলে আক্রমণ করে, যার ফলে সরকারি বাহিনী প্রতিক্রিয়া হিসেবে জোরদার পদক্ষেপ নেয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "সরকারি বাহিনী প্রতিক্রিয়া হিসেবে টিপিএলএফের সৈনিকদের উপর ভীষণ ক্ষতি করেছে"। এই অঞ্চলটি টিগ্রে রাজ্যের সাথে সীমান্তবর্তী এবং এখানে টিপিএলএফের সাথে স্থানীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সৈনিকরা একত্রিত হয়ে যুদ্ধ করছে।
টিপিএলএফ সহ সাতটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী মিলে গঠিত জোট "ইথিওপিয়ান পিপলস ফোর্সেস অ্যালায়েন্স ফর সার্ভাইভাল" (ইপিএফএএস) গঠন করেছে। এই জোটে রয়েছে অ্যামাহারা ফানো ন্যাশনাল মুভমেন্ট, ওরোমো লিবারেশন আর্মি, সোমালি, আফার এবং বেনিশাঙ্গুল-গুমুজ রাজ্যের স্থানীয় গোষ্ঠী। এই জোটের লক্ষ্য হল প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদের সরকারকে উৎখাত করা।
টিপিএলএফের সহ-সভাপতি অ্যামানুয়েল আসেফা এএফপি সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, "এখন আমরা পুরোপুরি যুদ্ধের অবস্থানে আছি"। তিনি আরও বলেছেন, টিগ্রে সৈনিকরা আফার এবং অ্যামাহারা অঞ্চলে স্থানীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সাথে যৌথভাবে যুদ্ধ করছে। এই জোটের গঠন প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গড়ে উঠেছে, যেখানে বিভিন্ন ইতিহাস ও অভিযোগের সাথে জড়িত গোষ্ঠী একত্রিত হয়েছে।
এই সংঘাতের ফলে এয়ারপোর্ট বন্ধ হয়ে গেছে। টিপিএলএফের সৈনিকরা লালিবেলা এয়ারপোর্টসহ তিনটি স্থানীয় এয়ারপোর্ট দখল করেছে, যার ফলে উড়ান বন্ধ হয়ে গেছে। লালিবেলা একটি ইউনেস্কো তালিকাভুক্ত স্থান, যা তার মধ্যযুগীয় শিলা খোদাই করা গির্জার জন্য পরিচিত। এএফপি সংবাদ সংস্থা থেকে জানা গেছে, লালিবেলায় লড়াই চলছে, যার ফলে এয়ারপোর্ট বন্ধ হয়ে গেছে।
এথিওপিয়ার রাষ্ট্রপতি তায়ে আতস্কে-সেলাসি আমদে ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে ভাষণ দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, এই সংঘাতের পেছনে "বিনাশ ও অশান্তির শক্তি" এবং "আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ" রয়েছে। তিনি বলেছেন, এথিওপিয়া তার প্রতিবেশীদের সাথে "অত্যন্ত সাবধানতা" বজায় রেখেছে এবং অগ্রগতি করেছে।
"সরকারি বাহিনী প্রতিক্রিয়া হিসেবে টিপিএলএফের সৈনিকদের উপর ভীষণ ক্ষতি করেছে"
"এখন আমরা পুরোপুরি যুদ্ধের অবস্থানে আছি"
"বিনাশ ও অশান্তির শক্তি এবং আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিপক্ষের হস্তক্ষেপ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নর্থ ওয়োলো, এথিওপিয়া; লালিবেলা এয়ারপোর্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবিয় আহমেদ (প্রধানমন্ত্রী), অ্যামানুয়েল আসেফা (টিপিএলএফ সহ-সভাপতি), তায়ে আতস্কে-সেলাসি আমদে (রাষ্ট্রপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭২ টিপিএলএফ সৈনিক নিহত, ২৬০ আহত, ৩টি এয়ারপোর্ট দখল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!