📌 ইথিওপিয়ার সরকারী বাহিনী তিগ্রায়ের রাজধানী মেকেলে দখল করেছে। বিদ্রোহী দল তিগ্রায় পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছে যে তারা মেকেলে থেকে তাত্ক্ষণিকভাবে পিছু হটেছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ বাড়ছে।
ইথিওপিয়ার সরকারী বাহিনী তিগ্রায় অঞ্চলের রাজধানী মেকেলে দখল করেছে। বিদ্রোহী দল তিগ্রায় পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছে যে তারা মেকেলে থেকে "তাত্ক্ষণিকভাবে পিছু হটেছে" এবং "অন্য কোনো স্থানে থেকে কাজ চালিয়ে যাবে"। এই ঘোষণা সোমবার রাতে দেওয়া হয়। একই দিন সন্ধ্যায় ইথিওপিয়ার ফেডারেল সেনাবাহিনী এবং সরকারের সমর্থিত লোকেরা মেকেলের প্রধান বিমানবন্দর দখল করে নেয়। টিপিএলএফের নিকটবর্তী একটি দলের তথ্য অনুযায়ী, তাদের সমর্থিত "তিগ্রায় পিস ফোর্সেস" মেকেলের কেন্দ্রীয় অংশে প্রবেশ করে এবং পরে ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনী তাদের অনুসরণ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মেকেলে দখল**: ইথিওপিয়ার সরকারী বাহিনী তিগ্রায়ের রাজধানী মেকেলে দখল করেছে।
- 📌 **টিপিএলএফ পিছু হটে**: বিদ্রোহী দল টিপিএলএফ ঘোষণা করেছে, তারা মেকেলে থেকে "তাত্ক্ষণিকভাবে পিছু হটেছে" এবং অন্য স্থানে থেকে কাজ চালিয়ে যাবে।
- 📌 **বিমানবন্দর দখল**: সরকারী বাহিনী মেকেলের প্রধান বিমানবন্দর দখল করেছে।
- 📌 **হুমকি বাড়ছে**: এই ঘটনায় ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান এবং মিশরকে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সমর্থন দিতে অভিযোগ করা হয়েছে।
- 📌 **আন্তর্জাতিক উদ্বেগ**: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়াকে সতর্ক করেছে যে তাদের মধ্যে উত্তেজনা অঞ্চলটিকে প্রভাবিত করতে পারে।
📰 বিস্তারিত
২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইথিওপিয়ায় নতুন যুদ্ধ শুরু হয় যখন সাতটি সশস্ত্র ও রাজনৈতিক দল একটি জোট গঠন করে প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে। এই ঘটনাটি ২০২২ সালের একটি শান্তিচুক্তির পতনকে অনুসরণ করে, যা ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় সরকার এবং তিগ্রায়ের বাহিনীর মধ্যে একটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়। এই নতুন সংঘাতের ফলে অঞ্চলটিতে আরও বিস্তৃত যুদ্ধের ভয় দেখা দিয়েছে। ইথিওপিয়া ইরিত্রিয়া, সুদান এবং মিশরকে বিদ্রোহী জোটের সমর্থন দিতে অভিযোগ করেছে। খার্তুম ও কায়রো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ইরিত্রিয়া, যা ২০২০-২০২২ সালের যুদ্ধে ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনীর সাথে লড়াই করেছিল, ইথিওপিয়ার সাথে সম্পর্ক ভেঙ্গে দেয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সতর্কবার্তা জারি করে বলেছে যে, ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার মধ্যে উত্তেজনা অঞ্চলটিকে প্রভাবিত করতে পারে। তারা উভয় দেশকে তাদের প্রতিবেশীদের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডীয় অখণ্ডতাকে সম্মান করার এবং আলোচনার পথে ফিরে আসার আহ্বান জানায়।
টিপিএলএফ ১৯৭০-এর দশকে ইথিওপিয়ার সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলনের সূচনা করে। পরে এটি একটি জোটের প্রধান শক্তি হয়ে ওঠে, যা প্রায় তিন দশক ধরে ইথিওপিয়া শাসন করে। ২০১৮ সালে আবি আহমেদ ক্ষমতায় আসার পর থেকে টিপিএলএফের সাথে তার সরকারের সম্পর্ক ক্রমশ খারাপ হয়ে পড়ে। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে যুদ্ধ শুরু হয়, যা হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু, লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য করে এবং তিগ্রায়কে বিশ্বের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
"তিগ্রায় পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছে, 'আমরা মেকেলে থেকে তাত্ক্ষণিকভাবে পিছু হটেছি এবং অন্য কোনো স্থানে থেকে কাজ চালিয়ে যাবো।'
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেকেলে, তিগ্রায়, ইথিওপিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ, তিগ্রায় পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ সেপ্টেম্বর (যুদ্ধ শুরু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!