📌 ইথিওপিয়া ও এরিট্রিয়া একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অভিযোগ উঠিয়ে দিয়েছে। ইথিওপিয়ার বৈদেশিক মন্ত্রী একটি পত্রে এরিট্রিয়াকে ‘সমগ্র আক্রমণ’ করার অভিযোগ তুলেছেন, আর এরিট্রিয়া বলেছে, ইথিওপিয়া তাদের বিরুদ্ধে ‘অপ্রতিরোধ্য যুদ্ধ’ শুরু করেছে।
ইথিওপিয়া ও এরিট্রিয়া একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অভিযোগ উঠিয়ে দিয়েছে। ইথিওপিয়ার বৈদেশিক মন্ত্রী গেডিয়ন তিমোথিওস একটি পত্রে এরিট্রিয়াকে ‘সমগ্র আক্রমণ’ করার অভিযোগ তুলেছেন, যেখানে বলা হয়েছে, এরিট্রিয়া ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলের কিছু অংশ আক্রমণ করেছে। অন্যদিকে, এরিট্রিয়ার তথ্যমন্ত্রী ইয়েমানে গেব্রেমেস্কেল বলেছেন, ইথিওপিয়া তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে তাদের বিরুদ্ধে অপ্রতিরোধ্য যুদ্ধ শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইথিওপিয়া এরিট্রিয়াকে ‘সমগ্র আক্রমণ’ করার অভিযোগ তুলেছে এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পত্র পাঠিয়েছে।
- 📌 এরিট্রিয়া বলেছে, ইথিওপিয়া তাদের বিরুদ্ধে ‘অপ্রতিরোধ্য যুদ্ধ’ শুরু করেছে এবং তাদের সমুদ্রপথে প্রবেশাধিকার দাবি করে আসছে।
- 📌 ইথিওপিয়ার সৈন্যরা তিগ্রাই অঞ্চলের রাজধানী মেকেলে দখল করেছে এবং রেবেলদের শিরে ও আদিগ্রাত শহর থেকে বিতাড়িত করেছে।
- 📌 এরিট্রিয়ার সৈন্যরা আদিগ্রাত শহরে উপস্থিত ছিল, কিন্তু ইথিওপিয়ার ড্রোন হামলায় তারা আঘাতভোগ করেছে।
- 📌 দু’দেশের মধ্যে ২০২৩ সাল থেকে সম্পর্ক খারাপ হয়ে পড়েছে, বিশেষত ইথিওপিয়া সমুদ্রপথে প্রবেশাধিকার চাইতে শুরু করার পর।
📰 বিস্তারিত
ইথিওপিয়ার বৈদেশিক মন্ত্রী গেডিয়ন তিমোথিওস একটি পত্রে বলেছেন, “ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলের কিছু অংশের উপর এরিট্রিয়ার সমগ্র আক্রমণ একটি জনসাধারণের রেকর্ডের বিষয় হয়ে উঠেছে।” তিনি বলেছেন, এরিট্রিয়ার সৈন্যরা ৬০ কিলোমিটার (৩৭ মাইল) পর্যন্ত তিগ্রাই অঞ্চলে প্রবেশ করেছে এবং তাদের প্রত্যাহার দাবি করেছেন। এই পত্রটি ফ্রান্সের বৈদেশিক মন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোকে পাঠানো হয়েছিল।
এরিট্রিয়ার তথ্যমন্ত্রী ইয়েমানে গেব্রেমেস্কেল এক্স প্ল্যাটফর্মে বলেছেন, “ইথিওপিয়ার সরকার তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে এরিট্রিয়ার বিরুদ্ধে অপ্রতিরোধ্য যুদ্ধ শুরু করেছে।” তিনি বলেছেন, ইথিওপিয়া ২০২৩ সালে সমুদ্রপথে প্রবেশাধিকার পেতে চায় এবং এর জন্য এরিট্রিয়ার সমুদ্রবন্দর আসাব দখল করতে চায়।
ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনী এই সপ্তাহে তিগ্রাই লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ)কে পরাজিত করেছে এবং তিগ্রাই অঞ্চলের রাজধানী মেকেলে দখল করেছে। সাক্ষীগণ বলেছেন, রেবেলরা শিরে ও আদিগ্রাত শহর থেকে বিতাড়িত হয়েছে। এরিট্রিয়ার সৈন্যরা আদিগ্রাত শহরে উপস্থিত ছিল, কিন্তু ইথিওপিয়ার ড্রোন হামলায় তারা আঘাতভোগ করেছে।
দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হয়ে পড়েছে, বিশেষত ইথিওপিয়া সমুদ্রপথে প্রবেশাধিকার চাইতে শুরু করার পর। ইথিওপিয়া ১৯৯৩ সালে এরিট্রিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে তাদের মধ্যে উত্তেজনা ছিল। ১৯৯৮ সালে তাদের মধ্যে সীমান্ত যুদ্ধ হয়েছিল। ২০১৮ সালে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ ক্ষমতায় আসার পর কিছুটা সম্পর্ক উন্নতি হয়েছিল, কিন্তু ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিগ্রাই যুদ্ধে এরিট্রিয়া ইথিওপিয়ার সাথে লড়াই করেছিল। তবে শান্তিচুক্তিতে এরিট্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল না, যা তাদের সম্পর্ক আরও খারাপ করেছে।
"ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলের কিছু অংশের উপর এরিট্রিয়ার সমগ্র আক্রমণ একটি জনসাধারণের রেকর্ডের বিষয় হয়ে উঠেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইথিওপিয়া (তিগ্রাই অঞ্চল), এরিট্রিয়া (আসমারা)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: গেডিয়ন তিমোথিওস (ইথিওপিয়ার বৈদেশিক মন্ত্রী), ইয়েমানে গেব্রেমেস্কেল (এরিট্রিয়ার তথ্যমন্ত্রী), আবি আহমেদ (ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ কিলোমিটার (৩৭ মাইল), ১০ জন এরিট্রিয়ার ডিপ্লোম্যাট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!