📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইংল্যান্ড-ওয়েলসে আইনজীবী হিসেবে কাজের নিশ্চয়তা ছাড়া আবেদন বন্ধ: বিএসবির নতুন নিয়ম

ইংল্যান্ড-ওয়েলসে আইনজীবী হিসেবে কাজের নিশ্চয়তা ছাড়া আবেদন বন্ধ: বিএসবির নতুন নিয়ম

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ব্যারিস্টার হিসেবে স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে বার স্ট্যান্ডার্ডস বোর্ড (বিএসবি)। এখন শুধুমাত্র বাস্তবে আইন পেশায় কাজের নিশ্চয়তা থাকা আইনজীবীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশ থেকে আগের বছরে ৫৮৬টি আবেদন আসে, যার অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান থেকে

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ব্যারিস্টার হিসেবে কাজের নিশ্চয়তা ছাড়া বিদেশি আইনজীবীদের আবেদন গ্রহণে নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বার স্ট্যান্ডার্ডস বোর্ড (বিএসবি)। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সংস্থাটি ঘোষণা দিয়েছে, এখন থেকে শুধুমাত্র বাস্তবে আইন পেশায় কাজ করার নিশ্চয়তা থাকা আইনজীবীদের কাছ থেকে ট্রান্সফারিং কোয়ালিফায়েড ল ইয়ার (টিকিউএল) হিসেবে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে আগের বছরের বিপুলসংখ্যক আবেদনের জটিলতা, যেখানে অনেকেই শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে আইন পেশায় কাজ করেননি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিএসবি ঘোষণা করেছে, এখন থেকে শুধুমাত্র বাস্তবে আইন পেশায় কাজের নিশ্চয়তা থাকা আইনজীবীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে।
  • 📌 গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিএসবির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৯ সালের ১ জানুয়ারি আগে পিউপিলেজ বা চাকরির নিশ্চয়তা থাকা আইনজীবীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে।
  • 📌 ২০২৩–২৪ সালে মোট ৫৮৬টি টিকিউএল আবেদন আসে, যার অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান থেকে।
  • 📌 ২০২১–২২ সালে ৩২৫টি আবেদন আসে, যা ২০২৪–২৫ সালে ৬৩৪টিতে বেড়েছে — প্রায় দ্বিগুণ।
  • 📌 ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনলাইন পরীক্ষা স্থগিত করা হয় অসদুপায়ের অভিযোগের কারণে।

📰 বিস্তারিত

বিএসবির মহাপরিচালক ফিল গোল্ডিং বলেছেন, নতুন নিয়মের লক্ষ্য হলো বাস্তবে আইন পেশায় কাজ করার সম্ভাবনা থাকা আইনজীবীদেরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। এতে আবেদনের জট কমবে এবং নিরুৎসাহিত হবে এমন আইনজীবীদের যাঁদের বাস্তবে কাজের নিশ্চয়তা নেই। তবে, দক্ষতা থাকা এবং ইংল্যান্ড-ওয়েলসে আইন পেশায় কাজের সম্ভাবনা থাকা আইনজীবীদেরকে এই সিদ্ধান্তের আওতায় রাখা হবে না।

বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান থেকে আগের বছরে মোট ৫৮৬টি টিকিউএল আবেদন আসে, যা মোট আবেদনের অর্ধেকের বেশি। বিএসবির ২০২৩–২৪ রেগুলেটরি ডিসিশনস রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রতি মাসে গড়ে ৫০টির বেশি নতুন আবেদন আসত। তবে, বিএসবির কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে বিদেশি টিকিউএল আবেদনের বেশিরভাগই বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আসত। ২০২৩ সালের শেষ দিকে প্রায় ৬৫০টি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল।

২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এক বছরে ৭০০টির বেশি আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি। ২০২১–২২ সালে ৩২৫টি আবেদন আসে, যা ২০২৪–২৫ সালে ৬৩৪টিতে বেড়েছে — প্রায় দ্বিগুণ। সংবাদমাধ্যম লিগ্যাল ফিউচারসের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে বিএসবি ৯৫৭টি নতুন টিকিউএল আবেদন পেয়েছে।

"আগের বিধিমালার কারণে বিপুলসংখ্যক আবেদন এসেছে, যাঁদের অনেকেই শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে আইন পেশায় কাজ করবেন না। এতে আবেদনের বড় জট তৈরি হয়েছে।"

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনলাইন পরীক্ষা স্থগিত করার কারণ ছিল অসদুপায়ের অভিযোগ। ২০২৩ সালের এপ্রিলে বিএসবি ঘোষণা দেয়, পরীক্ষায় অসদুপায়ের তদন্তের জন্য বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে বার প্রশিক্ষণের অনলাইন পরীক্ষা স্থগিত করা হবে। পরের মাসে (মে) বিএসবি সিদ্ধান্ত নেয়, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে বিশ্বের কোনো দেশেই বার প্রশিক্ষণের পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া যাবে না। পরীক্ষার নিরাপত্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইংল্যান্ড ও ওয়েলস, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিল গোল্ডিং (বিএসবি মহাপরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৮৬ (মোট টিকিউএল আবেদন), ৫০ (মাসিক আবেদন), ৬৫০ (অপেক্ষায় থাকা আবেদন), ৭০০ (নিষ্পত্তি করা আবেদন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖