📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এল নিনোর শক্তিশালী প্রভাব: বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বেড়েছে

এল নিনোর শক্তিশালী প্রভাব: বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বেড়েছে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রশান্ত মহাসাগরের এল নিনো ঘটনাটি বিশ্বের আবহাওয়াকে তীব্রভাবে প্রভাবিত করছে। ইন্দোনেশিয়ায় দাবানল, প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে আটলান্টিকে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা কমেছে। ভারতের মৌসুমি বৃষ্টিপাতও স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি রেকর্ডকৃত ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এল নিনো হতে পারে

বিশ্বের আবহাওয়াকে তীব্রভাবে প্রভাবিত করছে এল নিনো ঘটনাটি। প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ার কারণে এই ঘটনা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গত কয়েক মাস ধরে এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এবং এটি ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা পূর্বাভাস দিয়েছে, এই রেকর্ড ভাঙা এল নিনো মানবসৃষ্ট উষ্ণায়নের প্রভাবকে আরও তীব্র করবে এবং ২০২৭ সালকে রেকর্ডের সবচেয়ে উষ্ণ বছর হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **ইন্দোনেশিয়ায় দাবানল**: এল নিনোর কারণে ইন্দোনেশিয়ায় ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৬৫৭ হেক্টর জমি পুড়েছে, যা বৃহত্তর লন্ডনের প্রায় ছয় গুণ। এতে ১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৪০ হাজার শিশু।
  • 📌 **প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বেড়েছে**: এল নিনোর কারণে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ২২টি নামযুক্ত ঝড় তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে ১২টি ঘূর্ণিঝড়। এর মধ্যে ১০টি ছিল শক্তিশালী।
  • 📌 **আটলান্টিকে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা কমেছে**: এল নিনোর কারণে আটলান্টিক মহাসাগরে মাত্র একটি হারিকেন (ইসাইয়াস) তৈরি হয়েছে, যা ১৯৬০-এর দশক থেকে এত দেরিতে ঘটেছে।
  • 📌 **ভারতে মৌসুমি বৃষ্টিপাত কমেছে**: ভারতের মৌসুমি বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় ১৩ শতাংশ কমেছে। পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টিপাত ২৬ শতাংশ কমেছে, যা ব্যতিক্রমী খরার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
  • 📌 **বিশ্বের আবহাওয়ায় প্রভাব**: এল নিনো প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা বিশ্বজুড়ে স্বাভাবিক আবহাওয়ার ধরণে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ার প্রাকৃতিক ঘটনা। এটি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র গরম, খরা, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। গত কয়েক মাস ধরে এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এবং এটি ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক আবহাওয়ার ধরনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা বলছেন, এল নিনোর একটি ধারা শুরু হয়েছে, যা বিশ্বের বহু অঞ্চলে চরম আবহাওয়া বয়ে আনতে পারে।

ইন্দোনেশিয়ায় এল নিনোর প্রভাব বিশেষভাবে দৃশ্যমান। গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৬৫৭ হেক্টর জমি পুড়েছে, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। দাবানলের কারণে বিভিন্ন এলাকায় স্কুল বন্ধ রাখতে হয়েছে এবং হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সুমাত্রা ও কালিমান্তানের লাখ লাখ মানুষ বিষাক্ত ধোঁয়ার সংস্পর্শে এসেছে। শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ, যার মধ্যে ৪০ হাজার শিশু।

প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর প্রভাবও উল্লেখযোগ্য। এ বছর সেখানে ২২টি নামযুক্ত ঝড় তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে ১২টি ঘূর্ণিঝড়। এর মধ্যে ১০টি ছিল শক্তিশালী। এই ঝড়গুলোর মধ্যে একটি, ঘূর্ণিঝড় পোলো, বাতাসের ঝাপটার গতি ঘণ্টায় ২৮৫ কিলোমিটার পৌঁছেছিল। একই সময়ে তিনটি ঘূর্ণিঝড় সক্রিয় থাকার ঘটনা দ্বিতীয়বার ঘটেছে। এর আগে সেপ্টেম্বরে তিনটি ঘূর্ণিঝড় একই সময়ে সক্রিয় ছিল।

আটলান্টিক মহাসাগরে এল নিনোর প্রভাব বিপরীত। এল নিনোর কারণে উত্তর আটলান্টিকে বাতাসের গতির পার্থক্য বাড়ে, ফলে ঝড় দুর্বল হয়ে পড়ে। এ বছর আটলান্টিকে মাত্র একটি হারিকেন (ইসাইয়াস) তৈরি হয়েছে, যা ১৯৬০-এর দশক থেকে এত দেরিতে ঘটেছে। সাধারণত এ সময়ের মধ্যে আটলান্টিকে ১০টি নামযুক্ত ঝড়, পাঁচটি হারিকেন ও দুটি শক্তিশালী হারিকেন তৈরি হয়।

ভারতে এল নিনোর প্রভাবও স্পষ্ট। এ বছর মৌসুমি বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় ১৩ শতাংশ কমেছে। মধ্য ভারতে বৃষ্টি প্রায় স্বাভাবিক থাকলেও পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে তা ২৬ শতাংশ কমেছে। দক্ষিণ ভারতেও বৃষ্টিপাত কমেছে ২৪ শতাংশ। এসব অঞ্চলে ব্যতিক্রমী খরা দেখা দিয়েছে।

"এল নিনো বলতে প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উষ্ণতা বৃদ্ধি বোঝায়। এটি বিশ্বজুড়ে স্বাভাবিক আবহাওয়ার ধরণে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইন্দোনেশিয়া (সুমাত্রা ও কালিমান্তান), প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানীরা (যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৬৫৭ হেক্টর (পুড়েছে), ১ লাখ ৭৫ হাজার (শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত), ৪০ হাজার (শিশু), ২২টি (ঘূর্ণিঝড়), ১২টি (শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়), ২৮৫ কিলোমিটার (বাতাসের গতি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖