📌 মিশরের জার্নালিস্ট সিন্ডিকেটের প্রধান বলেছেন, ছয়জন বন্দী জার্নালিস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে সংগঠনটি স্বাধীনতা সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে। তারা দাবি করেছেন, একজনের স্বাধীনতা হরণ হল সবার স্বাধীনতার হরণ। বন্দী জার্নালিস্টদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে
মিশরের জার্নালিস্ট সিন্ডিকেটের প্রধান খালেদ এলবালশি ঘোষণা করেছেন, সংগঠনটি ছয়জন বন্দী জার্নালিস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে স্বাধীনতা সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেছেন, একজন সহকর্মীর উপর যে ঘটনা ঘটে তা সবার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এলবালশি বলেছেন, “একজন জার্নালিস্টের স্বাধীনতা হরণ হল সবার স্বাধীনতার হরণ এবং সেই স্বাধীনতা রক্ষাকারী ব্যবস্থার দুর্বলতা।”
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিশরের জার্নালিস্ট সিন্ডিকেটের প্রধান খালেদ এলবালশি বলেছেন, “একজন জার্নালিস্টের স্বাধীনতা হরণ হল সবার স্বাধীনতার হরণ এবং সেই স্বাধীনতা রক্ষাকারী ব্যবস্থার দুর্বলতা।”
- 📌 মিশরীয় কর্তৃপক্ষ ছয়জন জার্নালিস্টকে ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ‘তerrorist’ গ্রুপের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 বন্দী জার্নালিস্টদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে, যার মধ্যে পিটানো এবং বৈদ্যুতিক শক দেওয়া উল্লেখযোগ্য।
- 📌 মিশরের ‘কাউন্টারটেররিজম ল’ অনুসারে, তাদের ১৫ দিনের পূর্ব-দণ্ডবিধি কারাদণ্ডে রাখা হয়েছে।
- 📌 মিশরের ‘মাতসাদাশ’ ওয়েবসাইটের প্রতিষ্ঠাতা আবদেলরহমান ম্যানসুর দাবি করেছেন, তাদের ওয়েবসাইট মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
📰 বিস্তারিত
মিশরের জার্নালিস্ট সিন্ডিকেটের প্রধান খালেদ এলবালশি বলেছেন, “একজন সহকর্মীর উপর যে ঘটনা ঘটে তা সবার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।” তিনি আরও বলেছেন যে, একজন জার্নালিস্টের স্বাধীনতা হরণ হল সবার স্বাধীনতার হরণ এবং সেই স্বাধীনতা রক্ষাকারী ব্যবস্থার দুর্বলতা। এলবালশি এই মন্তব্য করেছেন সিন্ডিকেটের সদস্য ছয়জন জার্নালিস্টকে গ্রেফতার এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে।
মিশরের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা অভিযোগালয় এই ছয়জন জার্নালিস্টকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা ‘মাতসাদাশ’ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে সম্পর্কিত একটি মিডিয়া সংস্থার সাথে যুক্ত ছিলেন। মিশরীয় কর্তৃপক্ষ মুসলিম ব্রাদারহুডকে ‘তerrorist’ গ্রুপ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা ২০১৩ সালে একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মরসির বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের পর থেকে নিষিদ্ধ।
মিশরের মানবাধিকার সংস্থা ‘দ্য ইজিপশিয়ান ইনিশিয়েটিভ ফর পার্সোনাল রাইটস’ (EIPR) জানিয়েছে, বন্দী জার্নালিস্টদের গ্রেফতারের পর প্রথম পাঁচ দিন তারা তাদের পরিবার বা আইনজীবীদের সাথে কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি। পরে তারা অভিযোগালয়ের সামনে উপস্থিত হয়েছিলেন এবং তাদের আইনজীবী ও জার্নালিস্ট সিন্ডিকেটের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে প্রশ্ন করা হয়েছিল। EIPR বলেছে, জার্নালিস্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে তারা ভ্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছেন।
EIPR আরও জানিয়েছে, বন্দী জার্নালিস্টদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই বলেছেন, গ্রেফতারের পর তারা পিটানো এবং বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয়েছে। তারা বলেছেন, তাদেরকে কৃত্রিম স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে বাধ্য করা হয়েছিল। মিশরের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
‘মাতসাদাশ’ ওয়েবসাইটটি ২০১৮ সালে একটি ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু পরে এটি তদন্তমূলক জার্নালিজমে সম্পৃক্ত হয়েছে। তাদের ওয়েবসাইট মিশরে ব্লক করা হয়েছে, কিন্তু ফেসবুকে তাদের ১.৩ মিলিয়নেরও বেশি অনুসারী রয়েছে।
"একজন জার্নালিস্টের স্বাধীনতা হরণ হল সবার স্বাধীনতার হরণ এবং সেই স্বাধীনতা রক্ষাকারী ব্যবস্থার দুর্বলতা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিশর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খালেদ এলবালশি, আবদেলরহমান ম্যানসুর, মোহাম্মদ আদেল, মোহাম্মদ আশরাফ আবু ইমিরা, ইসলাম বারাকাত, ওমার হেলাল, আবদাল্লাহ কাদ্রি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন জার্নালিস্ট, ১৫ দিনের পূর্ব-দণ্ডবিধি কারাদণ্ড, ১.৩ মিলিয়ন ফেসবুক অনুসারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!